ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শুধু উন্নয়ন করেই নয়, ভোট পেতে আচারণের পরিবর্তন করতে হয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক যখন মেয়র ছিলেন, তখন কিন্তু ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল। পরে বিএনপির মেয়র নির্বাচিত হলে খুলনায় তেমন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে এবারও তালুকদার আবদুল খালেক খুলনায় মেয়র নির্বাচিত হবেন।

বুধবার রাতে বেসরকারী চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের ‘রাজনীতির গতি প্রকৃতি’ শীর্ষক টকশোতে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক আশরাফ কায়সার বলেন, ‘শুধু উন্নয়ন করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ভোট পেতে হলে আচারণের পরিবর্তন করতে হয়। ক্ষমতায় থাকার কারণে উন্নয়ন করেছেন। যেটি ভোট পেতে লাগে সেটি আচারণ। মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু এই অভিযোগ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে শোনা যায়, এত উন্নয়নের পরেও কেন ভোট পেলাম না।’

এ সাংবাদিকের মতে, জনগণ দেখে ক্ষমতাসীন দল দলীয় আইনের শাসন করেছেন কি না। জনগনের মতের গুরুত্ব দিলাম না, দলের নেতাকর্মীদের মতের গুরুত্ব দিলাম, সেটা তো হয় না।

সাংবাদিক নাজনীন নাসির দোলার উপস্থাপনায় টকশোতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারও অংশ নেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। আর বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন, মঙ্গলবার রাতে অন্তত ২০০ নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত পাঁচদিনে পুলিশ অন্তত একশ বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

উপস্থাপক নাজনীন নাসির দোলা এ প্রসঙ্গ তুললে জবারে বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘খুলনা সিটি নির্বাচনে বিএনপি পুলিশ কমিশনারের প্রত্যাহার চেয়েছে। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী রিটানিং কর্মকর্তার বদলি চেয়েছে। কথা হলো, পুলিশ নির্বাচন প্রভাবিত করে না। কিন্তু রিটানিং কর্মকর্তা সারাসরি ভোটের সঙ্গে জড়িত। এই যে বিএনপির অভিযোগ, তার কী কারণ আছে আমার জানা নেই।’

এ আওয়ামী লীগ নেতার মতে, দেশের রাজনীতিতে ভোটারদের মানসিকাতার পরিবর্তন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। ২০১৩ সালে চারটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বরং তারা নির্বাচনকে প্রতিহত করতে চেয়েছিল।

‘তারা (বিএনপি) আগুন সন্ত্রাস করেছে। মানুষ হত্যা করেছে। বোমা হামলা করে একটি অরাজকতা তৈরি করেছিল। এতে ভোটারদের মনোজগতের একটি পরিবর্তন হয়েছে। যে অভিযোগে বিএনপি নির্বাচন প্রত্যাহার করেছিল সেই অভিযোগও কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারেনি’- বলেন তিনি।

সাংবাদিক আশরায় কায়সার বলেন, ‘গাজীপুর আর ঢাকা উত্তর সিটিতে নির্বাচন ঝুলে গেল। খুলনা আমাদের কাছে একটি ছোট্ট উদাহরণ হিসেবে আছে। সেখানে সুষ্ঠুভাবে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে বোঝা যাবে যে ভোটাদের মনোজগতে কী কী বিষয় কাজ করছে। কিন্তু এই মুহুর্তে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর নির্বাচন হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের খারাপ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচন ভাল হলে আমরা প্রশংসাও করে থাকি। আবার নির্বাচন বর্জনের সংস্কুতিও রয়েছে। ফলে নির্বাচন ভাল হওয়ার সম্ভাবণা আরো কমে আসছে।’

তার মতে, শাসক দলকে কিন্তু রিটানিং কর্মকর্তা বা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেতে দেখা যায় না। কী কারণে আওয়ামী লীগ খুলনার রিটানিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি করেছেন? আমি মনে করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যখন আমরা বলি, সেটি সব দল থেকে হওয়া উচিৎ। বলার সুযোগ তো দুই দলই পাচ্ছে। তবে এক ধরনের স্নায়ুবিক উত্তেজনা বা মানুষিক চাপ থাকেই। সেটাই বা কেন শাসক দল হাত ছাড়া করবে? অভিযোগ করার পরেও নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে সেটাই দেখার বিষয়। রাজনীতি একটি বড় মাপের কৌশল। তারপরেও আমরা চাই, মানুষ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করুক।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত হয়েছে, আপনারা (বিএনপি) দাবি করেছেন, এ নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতো, কী করে এমনটা জানলেন- উপস্থাপক নাজনীন নাসির দোলার এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ‘দেখুন, একটি নির্বাচনের প্রায় শেষ পর্যায়ে গিয়ে এমন একটি অবস্থা তৈরি হয়, বিজয় কাদের হবে এটা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়। আপনি যদি চিন্তা করার আগে প্রভাবিত থাকেন, তাহলে আপনি নিরপেক্ষ অ্যাসেসমেন্ট করতে পারবেন না।’

এ বিএনপি নেতার মতে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছিল, তাতে তারা (আওয়ামী লীগ) মনে কললো বিএনপি নির্বাচনে আসবে না। তাদের ধারনা ছিল, মাঝপথে এসে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করবে। যখন বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষনা দিল, তখন তাদের সেই হিসাব থেকে সরে আসতে শুরু করলেন তারা। একইভাবে গাজীপুরের নির্বাচনের তফশিল হওয়ার পর, সেখানে সরকার দলীয় প্রার্থী যার হওয়ার কথা ছিল তিনি কিন্তু মনোনয়ন পাননি। তাতে তারা মনে করেছিলেন গাজীপুর নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না। এই নির্বাচনে বিএনপির জয়ী হওয়ার কথা ছিল।

‘গাজীপুর এবং টঙ্গীর ভোটারের মধ্যে টঙ্গীতে ভোটার বেশি আর গাজীপুরে কম। টঙ্গীতে ছিল বিএনপি প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন যখন সিডিউল ঘোষনা করে, তখন সেখানে নির্বাচন করার মতো কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল কী না সেটা দেখেই করেছেন’।

৬ মে গাজীপুরের নির্বাচন স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছেন বলে জানান। উপস্থাপক এ ব্যাপারে আশরাফ কায়সারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আশরাফ কায়সার বলেন, ‘এই যে নিবাচনের সময়ে নির্বাচন কমিশনের যে অবাধ ক্ষমতা, তা আমরা কোনও নির্বাচনে দেখি না। এটা আমাদের দুঃভাগ্য। উনি কেন মিডিয়ার মাধ্যমে খবর পাবেন? যদি আওয়ামী লীগ বা বিএনপির প্রার্থী আপিল করতে পারেন, তাহলে নির্বাচন কমিশন কেন পারবেন না? সব কিছু মিলেই নির্বাচন কমিশনকে যেই রুপে দেখতে চাই সেইরূপে পাচ্ছি না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু উন্নয়ন করেই নয়, ভোট পেতে আচারণের পরিবর্তন করতে হয়

আপডেট সময় ০৪:২০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক যখন মেয়র ছিলেন, তখন কিন্তু ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল। পরে বিএনপির মেয়র নির্বাচিত হলে খুলনায় তেমন উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে এবারও তালুকদার আবদুল খালেক খুলনায় মেয়র নির্বাচিত হবেন।

বুধবার রাতে বেসরকারী চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের ‘রাজনীতির গতি প্রকৃতি’ শীর্ষক টকশোতে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।

একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক আশরাফ কায়সার বলেন, ‘শুধু উন্নয়ন করলেই ভোট পাওয়া যায় না। ভোট পেতে হলে আচারণের পরিবর্তন করতে হয়। ক্ষমতায় থাকার কারণে উন্নয়ন করেছেন। যেটি ভোট পেতে লাগে সেটি আচারণ। মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু এই অভিযোগ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে শোনা যায়, এত উন্নয়নের পরেও কেন ভোট পেলাম না।’

এ সাংবাদিকের মতে, জনগণ দেখে ক্ষমতাসীন দল দলীয় আইনের শাসন করেছেন কি না। জনগনের মতের গুরুত্ব দিলাম না, দলের নেতাকর্মীদের মতের গুরুত্ব দিলাম, সেটা তো হয় না।

সাংবাদিক নাজনীন নাসির দোলার উপস্থাপনায় টকশোতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদারও অংশ নেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। আর বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন, মঙ্গলবার রাতে অন্তত ২০০ নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত পাঁচদিনে পুলিশ অন্তত একশ বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

উপস্থাপক নাজনীন নাসির দোলা এ প্রসঙ্গ তুললে জবারে বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘খুলনা সিটি নির্বাচনে বিএনপি পুলিশ কমিশনারের প্রত্যাহার চেয়েছে। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী রিটানিং কর্মকর্তার বদলি চেয়েছে। কথা হলো, পুলিশ নির্বাচন প্রভাবিত করে না। কিন্তু রিটানিং কর্মকর্তা সারাসরি ভোটের সঙ্গে জড়িত। এই যে বিএনপির অভিযোগ, তার কী কারণ আছে আমার জানা নেই।’

এ আওয়ামী লীগ নেতার মতে, দেশের রাজনীতিতে ভোটারদের মানসিকাতার পরিবর্তন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। ২০১৩ সালে চারটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বরং তারা নির্বাচনকে প্রতিহত করতে চেয়েছিল।

‘তারা (বিএনপি) আগুন সন্ত্রাস করেছে। মানুষ হত্যা করেছে। বোমা হামলা করে একটি অরাজকতা তৈরি করেছিল। এতে ভোটারদের মনোজগতের একটি পরিবর্তন হয়েছে। যে অভিযোগে বিএনপি নির্বাচন প্রত্যাহার করেছিল সেই অভিযোগও কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারেনি’- বলেন তিনি।

সাংবাদিক আশরায় কায়সার বলেন, ‘গাজীপুর আর ঢাকা উত্তর সিটিতে নির্বাচন ঝুলে গেল। খুলনা আমাদের কাছে একটি ছোট্ট উদাহরণ হিসেবে আছে। সেখানে সুষ্ঠুভাবে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে বোঝা যাবে যে ভোটাদের মনোজগতে কী কী বিষয় কাজ করছে। কিন্তু এই মুহুর্তে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর নির্বাচন হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের খারাপ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচন ভাল হলে আমরা প্রশংসাও করে থাকি। আবার নির্বাচন বর্জনের সংস্কুতিও রয়েছে। ফলে নির্বাচন ভাল হওয়ার সম্ভাবণা আরো কমে আসছে।’

তার মতে, শাসক দলকে কিন্তু রিটানিং কর্মকর্তা বা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেতে দেখা যায় না। কী কারণে আওয়ামী লীগ খুলনার রিটানিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি করেছেন? আমি মনে করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যখন আমরা বলি, সেটি সব দল থেকে হওয়া উচিৎ। বলার সুযোগ তো দুই দলই পাচ্ছে। তবে এক ধরনের স্নায়ুবিক উত্তেজনা বা মানুষিক চাপ থাকেই। সেটাই বা কেন শাসক দল হাত ছাড়া করবে? অভিযোগ করার পরেও নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে সেটাই দেখার বিষয়। রাজনীতি একটি বড় মাপের কৌশল। তারপরেও আমরা চাই, মানুষ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করুক।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত হয়েছে, আপনারা (বিএনপি) দাবি করেছেন, এ নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতো, কী করে এমনটা জানলেন- উপস্থাপক নাজনীন নাসির দোলার এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ‘দেখুন, একটি নির্বাচনের প্রায় শেষ পর্যায়ে গিয়ে এমন একটি অবস্থা তৈরি হয়, বিজয় কাদের হবে এটা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়। আপনি যদি চিন্তা করার আগে প্রভাবিত থাকেন, তাহলে আপনি নিরপেক্ষ অ্যাসেসমেন্ট করতে পারবেন না।’

এ বিএনপি নেতার মতে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছিল, তাতে তারা (আওয়ামী লীগ) মনে কললো বিএনপি নির্বাচনে আসবে না। তাদের ধারনা ছিল, মাঝপথে এসে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করবে। যখন বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষনা দিল, তখন তাদের সেই হিসাব থেকে সরে আসতে শুরু করলেন তারা। একইভাবে গাজীপুরের নির্বাচনের তফশিল হওয়ার পর, সেখানে সরকার দলীয় প্রার্থী যার হওয়ার কথা ছিল তিনি কিন্তু মনোনয়ন পাননি। তাতে তারা মনে করেছিলেন গাজীপুর নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না। এই নির্বাচনে বিএনপির জয়ী হওয়ার কথা ছিল।

‘গাজীপুর এবং টঙ্গীর ভোটারের মধ্যে টঙ্গীতে ভোটার বেশি আর গাজীপুরে কম। টঙ্গীতে ছিল বিএনপি প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন যখন সিডিউল ঘোষনা করে, তখন সেখানে নির্বাচন করার মতো কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল কী না সেটা দেখেই করেছেন’।

৬ মে গাজীপুরের নির্বাচন স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছেন বলে জানান। উপস্থাপক এ ব্যাপারে আশরাফ কায়সারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আশরাফ কায়সার বলেন, ‘এই যে নিবাচনের সময়ে নির্বাচন কমিশনের যে অবাধ ক্ষমতা, তা আমরা কোনও নির্বাচনে দেখি না। এটা আমাদের দুঃভাগ্য। উনি কেন মিডিয়ার মাধ্যমে খবর পাবেন? যদি আওয়ামী লীগ বা বিএনপির প্রার্থী আপিল করতে পারেন, তাহলে নির্বাচন কমিশন কেন পারবেন না? সব কিছু মিলেই নির্বাচন কমিশনকে যেই রুপে দেখতে চাই সেইরূপে পাচ্ছি না।’