আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস সম্ভবত নিরস্ত্র হতে যাচ্ছে। তবে এর কয়েক ঘণ্টা আগেই হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ দাবি নাকচ করেছিলেন। তবে ট্রাম্প তার এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। খবর টাইমস অব ইসরাইল’র।
এ সময় ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও একই সুরে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, হামাসকে নিরস্ত্র হতেই হবে। তার ভাষায়, ‘তাদের আর কোনো উপায় নেই। তারা একে–৪৭ অস্ত্রগুলো ত্যাগ করবে।’
বৈঠকে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, হামাস ইসরাইলি জিম্মিদের মধ্যে শেষ মৃত দেহটি উদ্ধারে সহায়তা করেছে। যদিও এই সহায়তার বিষয়টি এখনও ইসরাইল সরকার নিশ্চিত করেনি। ইসরাইল গাজার ভিতর থেকে শেষ বন্দি রানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প বলেন ‘হামাস সকল জিম্মিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। তারা মৃত বন্দিদের খুঁজে পেয়েছে। ইসরাইল এবং হামাস একসঙ্গে কাজ করে তারা তাদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করে, বন্দিদের দেহ ফিরে পাওয়া তাদের পরিবারদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন মুহূর্ত ছিল।
এদিকে, জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বুধবার জানান, হামাসকে অস্ত্র ছাড়তে উৎসাহিত করতে একটি আন্তর্জাতিক ‘অস্ত্র কিনে নেওয়ার’ (বাই-ব্যাক) কর্মসূচির কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কর্মসূচির আওতায় যারা অস্ত্র জমা দেবে, তাদের অর্থ, চাকরি এবং সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হতে পারে।
ওয়াল্টজের এই বক্তব্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রকাশিত টাইমস অব ইসরাইলের এক প্রতিবেদনের সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে, যেখানে এমন একটি অস্ত্র বিনিময় কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছিল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















