ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতে তিনজনের কারাদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক কোটি টাকা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখা ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের পাঁচ বছর এবং অপর দুই আসামির ১৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত অপর দুই আসামি হলেন, জনৈক রুস্তম আলী হাওলাদার ও সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার জমাদার মো. আনিসুর রহমান।

রায়ে পলাতক আসামি রুস্তম আলীর দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪৬৮ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমান ও অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হয়েছে।

রায়ে অপর পলাতক আসামি মো. আনিসুর রহমানেরও একই দণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায়ে সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোডের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

এদিকে মামলায় রণজিত কুমার বণিক, মো. মফিদুল ইসলাম ও মো. গোলাম কিবরিয়া নামে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে আত্মসাৎ করেন।

ওই অভিযোগে ১৯৯৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোড শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আবুল কালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতে তিনজনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৮:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক কোটি টাকা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখা ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের পাঁচ বছর এবং অপর দুই আসামির ১৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত অপর দুই আসামি হলেন, জনৈক রুস্তম আলী হাওলাদার ও সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার জমাদার মো. আনিসুর রহমান।

রায়ে পলাতক আসামি রুস্তম আলীর দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪৬৮ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমান ও অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হয়েছে।

রায়ে অপর পলাতক আসামি মো. আনিসুর রহমানেরও একই দণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায়ে সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোডের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

এদিকে মামলায় রণজিত কুমার বণিক, মো. মফিদুল ইসলাম ও মো. গোলাম কিবরিয়া নামে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে আত্মসাৎ করেন।

ওই অভিযোগে ১৯৯৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোড শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আবুল কালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।