ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৌদি আরবে আরামকো’র হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ফ্রান্সে ১১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

শ্রমিকদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক, নৈতিক ও আইনি প্রয়োজনীয়তার আলোকে নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে শ্রমিকদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে শিল্পকারখানার মালিক, বিনিয়োগকারী, ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আশা করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ২৮ এপ্রিল জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০১৮ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই এদেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শ্রমিকদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কর্মক্ষেত্রে শোভন, সুষ্ঠু ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা ২০১৩’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ, গবেষণাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের চিকিৎসা ও সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ‘আমাদের এসব উদ্যোগের ফলে কর্মপরিবেশসহ শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নতি ঘটেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে শ্রমিকদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তাই শ্রমিকদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের জীবনমান ও কর্মক্ষেত্রের উন্নয়ন আবশ্যক।

এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, নিরাপদ জীবন-নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়ন’ অত্যন্ত সময়োগযোগী হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। শ্রমিকদের অধিকার এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর পরই তিনি সকল কলকারখানা জাতীয়করণ করেন।

‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

শ্রমিকদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক, নৈতিক ও আইনি প্রয়োজনীয়তার আলোকে নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে শ্রমিকদের সুস্থ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে শিল্পকারখানার মালিক, বিনিয়োগকারী, ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আশা করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ২৮ এপ্রিল জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০১৮ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই এদেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শ্রমিকদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কর্মক্ষেত্রে শোভন, সুষ্ঠু ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা ২০১৩’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ, গবেষণাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের চিকিৎসা ও সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ‘আমাদের এসব উদ্যোগের ফলে কর্মপরিবেশসহ শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নতি ঘটেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে শ্রমিকদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তাই শ্রমিকদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের জীবনমান ও কর্মক্ষেত্রের উন্নয়ন আবশ্যক।

এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, নিরাপদ জীবন-নিশ্চিত করে টেকসই উন্নয়ন’ অত্যন্ত সময়োগযোগী হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। শ্রমিকদের অধিকার এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর পরই তিনি সকল কলকারখানা জাতীয়করণ করেন।

‘শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।