ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

পঞ্চবুটি খেয়ে টর্চের আলোতে ধর্ষণ করতেন আসারাম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ধর্মগুরু আসারাম বাপু ধর্ষণকে রীতিমতো নেশায় পরিণত করেছিলেন। গভীর রাতে টর্চের আলো জ্বেলে মেয়েদের ধর্ষণ করতেন তিনি। এর আগে নিজেকে ধর্ষণের জন্য প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি নামে এক ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করতেন।

যে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে আসারামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে, মামলার ৪৫৩ পৃষ্ঠায় তার যৌন বিকারের এমন বর্ণনা রয়েছে। মামলার প্রধান সাক্ষী ও আসারামের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাহুল কে সাচার এ বর্ণনা দেন।

এতে তিনি জানান, গভীর রাতে জানালায় টর্চের আলো পড়লেই তিন নারী সহযোগী আসারামের কক্ষে মেয়ে পাঠাতেন। আসারাম একসময় তাদের ধর্ষণ করেন। পরে তাদের কাজ হয়ে দাঁড়ায় আশ্রমের মেয়েদের গভীর রাতে আসারামের কক্ষে পৌঁছে দেয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, আসারামের কক্ষে ব্রহ্মজ্ঞান দেয়ার কথা বলে মেয়েদের নেয়া হতো। কিন্তু সেখানে কথিত ধর্মগুরু তাদের ধর্ষণ করতেন।আর ধর্ষণ শুরুর আগে নিজেকে শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি নামে ওষুধ সেবন করতেন আসারাম।

রাহুল কে সাচারের সাক্ষ্য অনুযায়ী, এক রাতে আসারামের কক্ষে এক মেয়েকে পাঠালে তার সন্দেহ হয়। তখন তিনি ওই কক্ষের দেয়ালে ওঠে দেখেন আসারাম মেয়েটিকে ধর্ষণ করছে।

পরে আশ্রমে কেন এমন কাজ করা হচ্ছে, জানতে চেয়ে আসারামকে চিঠি লেখেন রাহুল। কিন্তু বাপু এর কোনো জবাব না দিয়ে ধর্ষণ অব্যাহত রাখেন। পরে আবার চিঠি লেখেন রাহুল। তখন তাকে আশ্রম থেকে বের করে দিতে নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দেশ দেন আসারাম।

আসারামের কুকীর্তি নিয়ে কথা বলায় রাহুলের ওপর হামলা চালিয়েছিল আসারামের লোকজন। তবে এতে না দমে ধর্ষকগুরুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালত পর্যন্ত তিনি। আর রাহুলের সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করেই বুধবার রাজস্থানের জোধপুর বিশেষ আদালত আসারাম বাপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক

পঞ্চবুটি খেয়ে টর্চের আলোতে ধর্ষণ করতেন আসারাম

আপডেট সময় ০২:২২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ধর্মগুরু আসারাম বাপু ধর্ষণকে রীতিমতো নেশায় পরিণত করেছিলেন। গভীর রাতে টর্চের আলো জ্বেলে মেয়েদের ধর্ষণ করতেন তিনি। এর আগে নিজেকে ধর্ষণের জন্য প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি নামে এক ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করতেন।

যে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে আসারামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে, মামলার ৪৫৩ পৃষ্ঠায় তার যৌন বিকারের এমন বর্ণনা রয়েছে। মামলার প্রধান সাক্ষী ও আসারামের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাহুল কে সাচার এ বর্ণনা দেন।

এতে তিনি জানান, গভীর রাতে জানালায় টর্চের আলো পড়লেই তিন নারী সহযোগী আসারামের কক্ষে মেয়ে পাঠাতেন। আসারাম একসময় তাদের ধর্ষণ করেন। পরে তাদের কাজ হয়ে দাঁড়ায় আশ্রমের মেয়েদের গভীর রাতে আসারামের কক্ষে পৌঁছে দেয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, আসারামের কক্ষে ব্রহ্মজ্ঞান দেয়ার কথা বলে মেয়েদের নেয়া হতো। কিন্তু সেখানে কথিত ধর্মগুরু তাদের ধর্ষণ করতেন।আর ধর্ষণ শুরুর আগে নিজেকে শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে পঞ্চবুটি নামে ওষুধ সেবন করতেন আসারাম।

রাহুল কে সাচারের সাক্ষ্য অনুযায়ী, এক রাতে আসারামের কক্ষে এক মেয়েকে পাঠালে তার সন্দেহ হয়। তখন তিনি ওই কক্ষের দেয়ালে ওঠে দেখেন আসারাম মেয়েটিকে ধর্ষণ করছে।

পরে আশ্রমে কেন এমন কাজ করা হচ্ছে, জানতে চেয়ে আসারামকে চিঠি লেখেন রাহুল। কিন্তু বাপু এর কোনো জবাব না দিয়ে ধর্ষণ অব্যাহত রাখেন। পরে আবার চিঠি লেখেন রাহুল। তখন তাকে আশ্রম থেকে বের করে দিতে নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দেশ দেন আসারাম।

আসারামের কুকীর্তি নিয়ে কথা বলায় রাহুলের ওপর হামলা চালিয়েছিল আসারামের লোকজন। তবে এতে না দমে ধর্ষকগুরুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালত পর্যন্ত তিনি। আর রাহুলের সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করেই বুধবার রাজস্থানের জোধপুর বিশেষ আদালত আসারাম বাপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।