ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে: নাহিদ ইসলাম বিসিএস ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ নকলের রূপ পালটিয়েছে, এখন ডিজিটালি হচ্ছে নকল: শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: জামায়াত আমির বিএনপি এখন মেজরিটি, সংসদে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে: হাসনাত ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, তাঁকে পদচ্যুত করা দরকার: সিআইএর সাবেক পরিচালক

সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পরও স্ত্রী-সন্তান ১৫ বছর ভাতা পাবেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী (পেনশনের পুরো টাকা তুলে নেয়া) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না।

সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর অর্থাৎ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধু ওই সময় পর্যন্ত মাসিক চিকিৎসা ভাতা ও বছরে ২টি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কেউ শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন পেতেন সে ভিত্তিতে উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো চিকিৎসা ভাতা বা উৎসব ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তী সময়ে পাওয়া চিকিৎসা বা উৎসব ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে। এ সুবিধা ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পরও স্ত্রী-সন্তান ১৫ বছর ভাতা পাবেন

আপডেট সময় ০২:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী (পেনশনের পুরো টাকা তুলে নেয়া) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না।

সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর অর্থাৎ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধু ওই সময় পর্যন্ত মাসিক চিকিৎসা ভাতা ও বছরে ২টি উৎসব ভাতা পাবেন। তবে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কেউ শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন পেতেন সে ভিত্তিতে উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো চিকিৎসা ভাতা বা উৎসব ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তী সময়ে পাওয়া চিকিৎসা বা উৎসব ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে। এ সুবিধা ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।