ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আব্বাকে সাহায্য করতেন মা : প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের ক্রান্তিকালে যখন কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার পড়ত তখন আমার মা আব্বাকে সাহায্য করতেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মা আব্বাকে সবকিছু থেকে কিছুক্ষণের জন্য আলাদা করে রাখতেন। বলতেন ১৫ মিনিট শুয়ে রেস্ট নাও। অনেকে অনেক কথা বলবে, কিন্তু তোমাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। গোটা দেশ তোমার দিকে তাকিয়ে। তোমার মনে যে কথাটা আসবে সেই কথাটাই বলবে। এভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সময় উদ্বুদ্ধ করতেন শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব।

আজ মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের জন্য মায়ের ত্যাগ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বাসায় ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হতো। ছয় দফা না আট দফা হবে সেটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। দিনের পর দিন মিটিং চলত। এত মানুষের রান্না মা করতেন। তখন তো ডেকোরেটর ছিল না। আমরা প্লেট, গ্লাস মেজে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক একজন নেতা যখনই দলের সেক্রেটারি হয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হতো। এ জন্য একসময় কোনো নারীকে সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দেওয়া হলো। সে অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হলো আমেনা বেগমকে।

তিনি আরো বলেন, ‘মা আমাকে মাঝে মধ্যে বলতেন কি আলোচনা হচ্ছে খেয়াল রাখতে। নেতারা বলতেন ৬ দফা দিয়ে কি হবে, ৮ দফা হলে সব চাহিদা পূরণ হবে। আমার সঙ্গেও অনেক নেতার কথা হতো। বলত তুমি কিছু বোঝ না, ৬ দফা না, ৮ দফা হলে সুবিধা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আব্বাকে সাহায্য করতেন মা : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের ক্রান্তিকালে যখন কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার পড়ত তখন আমার মা আব্বাকে সাহায্য করতেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মা আব্বাকে সবকিছু থেকে কিছুক্ষণের জন্য আলাদা করে রাখতেন। বলতেন ১৫ মিনিট শুয়ে রেস্ট নাও। অনেকে অনেক কথা বলবে, কিন্তু তোমাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। গোটা দেশ তোমার দিকে তাকিয়ে। তোমার মনে যে কথাটা আসবে সেই কথাটাই বলবে। এভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সময় উদ্বুদ্ধ করতেন শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব।

আজ মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের জন্য মায়ের ত্যাগ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বাসায় ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হতো। ছয় দফা না আট দফা হবে সেটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। দিনের পর দিন মিটিং চলত। এত মানুষের রান্না মা করতেন। তখন তো ডেকোরেটর ছিল না। আমরা প্লেট, গ্লাস মেজে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক একজন নেতা যখনই দলের সেক্রেটারি হয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হতো। এ জন্য একসময় কোনো নারীকে সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দেওয়া হলো। সে অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হলো আমেনা বেগমকে।

তিনি আরো বলেন, ‘মা আমাকে মাঝে মধ্যে বলতেন কি আলোচনা হচ্ছে খেয়াল রাখতে। নেতারা বলতেন ৬ দফা দিয়ে কি হবে, ৮ দফা হলে সব চাহিদা পূরণ হবে। আমার সঙ্গেও অনেক নেতার কথা হতো। বলত তুমি কিছু বোঝ না, ৬ দফা না, ৮ দফা হলে সুবিধা হবে।