ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আব্বাকে সাহায্য করতেন মা : প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের ক্রান্তিকালে যখন কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার পড়ত তখন আমার মা আব্বাকে সাহায্য করতেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মা আব্বাকে সবকিছু থেকে কিছুক্ষণের জন্য আলাদা করে রাখতেন। বলতেন ১৫ মিনিট শুয়ে রেস্ট নাও। অনেকে অনেক কথা বলবে, কিন্তু তোমাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। গোটা দেশ তোমার দিকে তাকিয়ে। তোমার মনে যে কথাটা আসবে সেই কথাটাই বলবে। এভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সময় উদ্বুদ্ধ করতেন শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব।

আজ মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের জন্য মায়ের ত্যাগ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বাসায় ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হতো। ছয় দফা না আট দফা হবে সেটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। দিনের পর দিন মিটিং চলত। এত মানুষের রান্না মা করতেন। তখন তো ডেকোরেটর ছিল না। আমরা প্লেট, গ্লাস মেজে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক একজন নেতা যখনই দলের সেক্রেটারি হয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হতো। এ জন্য একসময় কোনো নারীকে সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দেওয়া হলো। সে অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হলো আমেনা বেগমকে।

তিনি আরো বলেন, ‘মা আমাকে মাঝে মধ্যে বলতেন কি আলোচনা হচ্ছে খেয়াল রাখতে। নেতারা বলতেন ৬ দফা দিয়ে কি হবে, ৮ দফা হলে সব চাহিদা পূরণ হবে। আমার সঙ্গেও অনেক নেতার কথা হতো। বলত তুমি কিছু বোঝ না, ৬ দফা না, ৮ দফা হলে সুবিধা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আব্বাকে সাহায্য করতেন মা : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের ক্রান্তিকালে যখন কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার পড়ত তখন আমার মা আব্বাকে সাহায্য করতেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মা আব্বাকে সবকিছু থেকে কিছুক্ষণের জন্য আলাদা করে রাখতেন। বলতেন ১৫ মিনিট শুয়ে রেস্ট নাও। অনেকে অনেক কথা বলবে, কিন্তু তোমাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। গোটা দেশ তোমার দিকে তাকিয়ে। তোমার মনে যে কথাটা আসবে সেই কথাটাই বলবে। এভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সময় উদ্বুদ্ধ করতেন শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব।

আজ মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের জন্য মায়ের ত্যাগ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বাসায় ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হতো। ছয় দফা না আট দফা হবে সেটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। দিনের পর দিন মিটিং চলত। এত মানুষের রান্না মা করতেন। তখন তো ডেকোরেটর ছিল না। আমরা প্লেট, গ্লাস মেজে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক একজন নেতা যখনই দলের সেক্রেটারি হয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হতো। এ জন্য একসময় কোনো নারীকে সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দেওয়া হলো। সে অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হলো আমেনা বেগমকে।

তিনি আরো বলেন, ‘মা আমাকে মাঝে মধ্যে বলতেন কি আলোচনা হচ্ছে খেয়াল রাখতে। নেতারা বলতেন ৬ দফা দিয়ে কি হবে, ৮ দফা হলে সব চাহিদা পূরণ হবে। আমার সঙ্গেও অনেক নেতার কথা হতো। বলত তুমি কিছু বোঝ না, ৬ দফা না, ৮ দফা হলে সুবিধা হবে।