ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ভুলবশত দাফন, অতপর সঠিক হস্তান্তর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজ বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ফয়সাল আহমেদকে, নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর লাশ ভেবে ভুলবশত যাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল।

শুক্রবার রাত চারটার দিকে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ফয়সালকে দাফন করা হয়। এ সময় ঢাকার নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর বদল হওয়া মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফয়সালের মরদেহ রাজধানীর বনানী কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়। রাত সাড়ে তিনটার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার নিজ বাড়িতে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুজী আক্তারের উপস্থিতিতে ফয়সালের বাড়িতে ভুল করে দাফন করা নাজিয়ার মরদেহ তুলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এবং ফয়সালের মরদেহ ফের দাফন করা হয়।

ইউএনও ছাড়াও ফয়সালের ভাই সাইফুল, মামা কায়কোবাদ, নাজিয়ার স্বামী মনিরুল, বড় ভাই আলী আহাদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ফয়সালের ভাই সাইফুল জানান, ভুল সংশোধন করে দাফন না করলে আমাদের মধ্যে সারাজীবন আক্ষেপ থাকতো। এখন সেই আক্ষেপটা আর থাকলো না।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫২ জনের প্রাণহানি হয়। তাদের মধ্যে ২৭ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ১৯ মার্চ ২৩ জনের মরদেহ ঢাকায় এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেদিন পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভুলক্রমে সাংবাদিক ফয়সাল ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর লাশ অদল-বদল হয়ে যায়। উভয় পরিবার বিষয়টি জানলে মরদেহ উত্তোলন করে যার যার নির্ধারিত স্থানে নতুন করে দাফনের জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত তাদের মরদেহ নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ভুলবশত দাফন, অতপর সঠিক হস্তান্তর

আপডেট সময় ০২:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজ বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ফয়সাল আহমেদকে, নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর লাশ ভেবে ভুলবশত যাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল।

শুক্রবার রাত চারটার দিকে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ফয়সালকে দাফন করা হয়। এ সময় ঢাকার নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর বদল হওয়া মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফয়সালের মরদেহ রাজধানীর বনানী কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়। রাত সাড়ে তিনটার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার নিজ বাড়িতে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুজী আক্তারের উপস্থিতিতে ফয়সালের বাড়িতে ভুল করে দাফন করা নাজিয়ার মরদেহ তুলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এবং ফয়সালের মরদেহ ফের দাফন করা হয়।

ইউএনও ছাড়াও ফয়সালের ভাই সাইফুল, মামা কায়কোবাদ, নাজিয়ার স্বামী মনিরুল, বড় ভাই আলী আহাদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ফয়সালের ভাই সাইফুল জানান, ভুল সংশোধন করে দাফন না করলে আমাদের মধ্যে সারাজীবন আক্ষেপ থাকতো। এখন সেই আক্ষেপটা আর থাকলো না।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫২ জনের প্রাণহানি হয়। তাদের মধ্যে ২৭ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ১৯ মার্চ ২৩ জনের মরদেহ ঢাকায় এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেদিন পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভুলক্রমে সাংবাদিক ফয়সাল ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর লাশ অদল-বদল হয়ে যায়। উভয় পরিবার বিষয়টি জানলে মরদেহ উত্তোলন করে যার যার নির্ধারিত স্থানে নতুন করে দাফনের জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত তাদের মরদেহ নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।