ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

আবাহনীকে শীর্ষেই রাখলেন মাশরাফি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলমান আসরে ধারাবাহিক পারফর্ম করে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। লিগের ১৫ ম্যাচ শেষে ৩৮ উইকেট নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন দেশসেরা এই পেস বোলার। তার বোলিং নৈপুণ্যে আরও একটি জয় পেল আবাহনী। ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচে জয়ে অবদান রাখেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের এ অধিনায়ক।

এই জয়ে ১৫ খেলায় ২২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন আবাহনী। সমান ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লিজেন্ড অব রুপগঞ্জ। লিগ শিরোপা নিশ্চিত হবে আগামী শেষ রাউন্ডের খেলায়।

টসে জিতে আবাহনীকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতি। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৪ রান তুলে সাজঘরে ফেরেন এনামুল হক বিজয় (২৭)। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে ফের ৩৬ রাটের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত।

এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পেস বোলার আব্দুল হালিমের গতির মুখে পড়ে ১৭ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায় আবাহনী। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৬ বলে ৫০ রান করে ফিরলেও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং ইয়েসপাল সিং দুই অঙ্কের ফিগার টপকাতে পারেননি। ১৮ রান করেন মঠুন।

ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সানজামুলের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়তেই ফের বিপদে পড়ে আবাহনী। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে নাসির (১৫), সানজামুল এবং মাশরাফির উইকেট হারিয়ে এক ঘরে যায় যায় আবাহনী। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের ৪৪ বলে গড়া ৫০ এবং তাসকিন আহমেদের ২৫ বলে করা ২৬ রানের ইনিংসে ভর করে ২৪১ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় আবাহনী।

খেলাঘরের হয়ে মাত্র ৫ ওভারে ১০ রানের খরচায় ৪ উইকেট নেন আব্দুল হালিম।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে মিরাজের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে হোল্ডেন ডাকে ফেরেন সাদেকুর রহমান। দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান রবিউল ইসলাম রবি ও মাহিদুল ইসলাম আকন। এরপর মাশরাফির গতির মুখে পড়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ২৭.৩ ওভারে ১১৪ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় খেলাঘর। আবাহনীর হয়ে ৮ ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আবাহনী: ৪৬.৩ ওভারে ২৪১/১০ রান (শান্ত ৫৪, মিরাজ ৫০, হালিম ৪/১০)।

খেলাঘর: ২৭.৩ ওভারে ১১৪/১০ রান (আনজুম ২৪, মাশরাফি ৩/৩২)।

ফল: আবাহনী ১২৭ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (আবাহনী)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবাহনীকে শীর্ষেই রাখলেন মাশরাফি

আপডেট সময় ০৭:২৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলমান আসরে ধারাবাহিক পারফর্ম করে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। লিগের ১৫ ম্যাচ শেষে ৩৮ উইকেট নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন দেশসেরা এই পেস বোলার। তার বোলিং নৈপুণ্যে আরও একটি জয় পেল আবাহনী। ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচে জয়ে অবদান রাখেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের এ অধিনায়ক।

এই জয়ে ১৫ খেলায় ২২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন আবাহনী। সমান ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লিজেন্ড অব রুপগঞ্জ। লিগ শিরোপা নিশ্চিত হবে আগামী শেষ রাউন্ডের খেলায়।

টসে জিতে আবাহনীকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতি। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৪ রান তুলে সাজঘরে ফেরেন এনামুল হক বিজয় (২৭)। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে ফের ৩৬ রাটের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত।

এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পেস বোলার আব্দুল হালিমের গতির মুখে পড়ে ১৭ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায় আবাহনী। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৬ বলে ৫০ রান করে ফিরলেও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং ইয়েসপাল সিং দুই অঙ্কের ফিগার টপকাতে পারেননি। ১৮ রান করেন মঠুন।

ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সানজামুলের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়তেই ফের বিপদে পড়ে আবাহনী। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে নাসির (১৫), সানজামুল এবং মাশরাফির উইকেট হারিয়ে এক ঘরে যায় যায় আবাহনী। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের ৪৪ বলে গড়া ৫০ এবং তাসকিন আহমেদের ২৫ বলে করা ২৬ রানের ইনিংসে ভর করে ২৪১ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় আবাহনী।

খেলাঘরের হয়ে মাত্র ৫ ওভারে ১০ রানের খরচায় ৪ উইকেট নেন আব্দুল হালিম।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে মিরাজের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে হোল্ডেন ডাকে ফেরেন সাদেকুর রহমান। দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান রবিউল ইসলাম রবি ও মাহিদুল ইসলাম আকন। এরপর মাশরাফির গতির মুখে পড়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ২৭.৩ ওভারে ১১৪ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় খেলাঘর। আবাহনীর হয়ে ৮ ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আবাহনী: ৪৬.৩ ওভারে ২৪১/১০ রান (শান্ত ৫৪, মিরাজ ৫০, হালিম ৪/১০)।

খেলাঘর: ২৭.৩ ওভারে ১১৪/১০ রান (আনজুম ২৪, মাশরাফি ৩/৩২)।

ফল: আবাহনী ১২৭ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (আবাহনী)।