ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

আপডেট সময় ০৯:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।