ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষককে হত্যা করেন চিকিৎসক

আপডেট সময় ০৯:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যা করে দিনাজপুর এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ হোসাইন। এ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শুক্রবার রাতে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্র মেহেদী হাসান ও অটোরিকশাচালক আবদুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান দিনাজপুরের পাহাড়পুরের নুরুজ্জানের ছেলে ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আবদুল কুদ্দুস দিনাজপুর শহরের লালবাগ মহল্লার একিমুদ্দিনের ছেলে। হাসান রাশেদ হোসাইনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই দুইজনকে দিনাজপুর শহর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে গত ২২ মার্চ রাতে হাসান রাশেদ হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে গ্রেফতারকৃত হাসান রাশেদ হোসাইন শিক্ষক নাহিদুল ইসলাম নাহিদকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ করে রাশেদ হোসাইন।

পুলিশ জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি নাহিদকে শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডেকে নিয়ে উপশহরে একটি বহুতল ভবনে নিয়ে হত্যা করে হাসান রাশেদ হোসাইন, আব্দুল কুদ্দুস ও মেহেদী হাসান। শরীরে বাহ্যিক আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় প্রথমে হৃদরোগে মৃত্যু হয় বলে চালানো হয়। পরে ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিললে পুলিশ অভিযানে নামে।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসান রাশেদ এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যার ক্লুও তাদের হাতে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ করা যাচ্ছে না।