ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা দেশে হিসাব কারচুপির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার হয়েছে :পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন আ.লীগ নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গণঅধিকারকে বেছে নেবে: নুর হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম

পুনরায় হজে যেতে আরো ২০০০ সউদী রিয়েল দিতে হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সব দেশের হজযাত্রীকেই পুনরায় হজে যেতে অতিরিক্ত দুই হাজার সউদী রিয়েল দিতে হবে। বাংলাদেশসহ হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজ পালনকারী হজ যাত্রীদের পুররায় এই অর্থ প্রদান করতে হবে। ভিসা আবেদন লজমেন্ট করার ক্ষেত্রে প্রতি এন্ট্রি ফি বাবদ দুই হাজার সউদী রিয়েল প্রদান করার নিয়ম সকল দেশের হজ এবং ওমরা পালনকারীদের জন্য সউদী আরব এই বিধান ২০১৫ ও ২০১৬ থেকে কার্যকর করেছে। বৃহস্পতিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ শাখার সহকারী সচিব এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ খবর জানানো হয়।

হজ এজেন্সীজ অব বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা বাসসকে জানান, সউদী আরবের হজ এবং ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তদের সাথে এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার সউদী রিয়েল মওকুফ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সউদী কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করে জানায় যে শুধু বাংলাদেশ নয় এই নিয়ম হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের হাজীদের জন্য করা হয়েছে। এই অর্থ মওকুফ বা স্থগিত করার কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশকেও পুনর্বার হজকারী প্রত্যেক হাজীকে এই দুই হাজার রিয়েল পরিশোধ করতে হবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন কারণে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজে গেছেন এমন সংখ্যা ৭ থেকে ৮ হাজার হতে পারে বলে একটি হজ এজেন্সীর কর্মকর্তা হেদায়েত ইসলাম রাজু বাসসকে জানান।

যেসব হজ এজন্সীর মাধ্যমে ২০১৫- ও ২০১৬ সালের পর চলতি বছর পুনর্বার হজে যাচ্ছেন এমন সব হজ্ যাত্রীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট্র এজন্সেীকে দুই হাজার রিয়েল সমপরিমাণ অর্থ আদায় করে তা জমা দিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট হাজীর যাতায়াত বিঘ্ন ঘটলে উক্ত এজেন্সী দায়ী হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ধর্মমন্ত্রণালয় চলতি ২০১৭ সালের হজে অংশগ্রহণকারী সকল হজ এজেন্সির জন্য হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা শতকরা ৪ জন থেকে বৃদ্ধি করে ৭ জনে উন্নীত করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ শাখা বৃহস্পতিবার এই বিষয়েও অপর একটি আদেশ জারি করে হজ এজেন্সী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে জানিয়ে দিয়েছেন। হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ হাবের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার এবং বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে মৃত্যুজনিত, অসুস্থতাজনিত এবং অন্যান্য কারণে হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে হজ বিষয়ক কমিটি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

পুনরায় হজে যেতে আরো ২০০০ সউদী রিয়েল দিতে হবে

আপডেট সময় ১১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সব দেশের হজযাত্রীকেই পুনরায় হজে যেতে অতিরিক্ত দুই হাজার সউদী রিয়েল দিতে হবে। বাংলাদেশসহ হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজ পালনকারী হজ যাত্রীদের পুররায় এই অর্থ প্রদান করতে হবে। ভিসা আবেদন লজমেন্ট করার ক্ষেত্রে প্রতি এন্ট্রি ফি বাবদ দুই হাজার সউদী রিয়েল প্রদান করার নিয়ম সকল দেশের হজ এবং ওমরা পালনকারীদের জন্য সউদী আরব এই বিধান ২০১৫ ও ২০১৬ থেকে কার্যকর করেছে। বৃহস্পতিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ শাখার সহকারী সচিব এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ খবর জানানো হয়।

হজ এজেন্সীজ অব বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা বাসসকে জানান, সউদী আরবের হজ এবং ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তদের সাথে এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার সউদী রিয়েল মওকুফ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সউদী কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করে জানায় যে শুধু বাংলাদেশ নয় এই নিয়ম হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের হাজীদের জন্য করা হয়েছে। এই অর্থ মওকুফ বা স্থগিত করার কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশকেও পুনর্বার হজকারী প্রত্যেক হাজীকে এই দুই হাজার রিয়েল পরিশোধ করতে হবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন কারণে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজে গেছেন এমন সংখ্যা ৭ থেকে ৮ হাজার হতে পারে বলে একটি হজ এজেন্সীর কর্মকর্তা হেদায়েত ইসলাম রাজু বাসসকে জানান।

যেসব হজ এজন্সীর মাধ্যমে ২০১৫- ও ২০১৬ সালের পর চলতি বছর পুনর্বার হজে যাচ্ছেন এমন সব হজ্ যাত্রীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট্র এজন্সেীকে দুই হাজার রিয়েল সমপরিমাণ অর্থ আদায় করে তা জমা দিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট হাজীর যাতায়াত বিঘ্ন ঘটলে উক্ত এজেন্সী দায়ী হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ধর্মমন্ত্রণালয় চলতি ২০১৭ সালের হজে অংশগ্রহণকারী সকল হজ এজেন্সির জন্য হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা শতকরা ৪ জন থেকে বৃদ্ধি করে ৭ জনে উন্নীত করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ শাখা বৃহস্পতিবার এই বিষয়েও অপর একটি আদেশ জারি করে হজ এজেন্সী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে জানিয়ে দিয়েছেন। হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ হাবের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার এবং বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে মৃত্যুজনিত, অসুস্থতাজনিত এবং অন্যান্য কারণে হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে হজ বিষয়ক কমিটি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।