ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

খালেদার ওকালতনামা সরবরাহ না করায় রিট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা কারা কর্তৃপক্ষ সরবরাহ না করায় হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার পক্ষে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।

রিটে খালেদা জিয়ার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা সরবরাহ করতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে বিবাদী করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি প্রিজন, ডিআইজি প্রিজন ও জেল সুপারিনটেনডেন্টকে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম আমিনুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা প্রয়োজন।

খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর ওকালতনামার কপি কারা কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয় জানিয়ে আইজীবী বলেন, ‘কিন্তু তারা ম্যাডামের স্বাক্ষর নিয়ে সেগুলো সরবরাহ করছে না। এ জন্য রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে ওকালতনামা সরবারহ করার জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’

পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া খালেদা জিয়া বর্তমানে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। তার আপিল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১৫ মার্চ তাকে জামিন দিলেও দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল গ্রহণ করে আপিল বিভাগ ওই জামিন আগামী ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

গত ১৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে জামিন দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পুরান ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ওই দিনই তাকে নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

একই মামলায় আদালত খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে দশ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা জরিমানা করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

খালেদার ওকালতনামা সরবরাহ না করায় রিট

আপডেট সময় ০৭:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা কারা কর্তৃপক্ষ সরবরাহ না করায় হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার পক্ষে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।

রিটে খালেদা জিয়ার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা সরবরাহ করতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে বিবাদী করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি প্রিজন, ডিআইজি প্রিজন ও জেল সুপারিনটেনডেন্টকে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম আমিনুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তার স্বাক্ষরযুক্ত ওকালতনামা প্রয়োজন।

খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর ওকালতনামার কপি কারা কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয় জানিয়ে আইজীবী বলেন, ‘কিন্তু তারা ম্যাডামের স্বাক্ষর নিয়ে সেগুলো সরবরাহ করছে না। এ জন্য রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে ওকালতনামা সরবারহ করার জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’

পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া খালেদা জিয়া বর্তমানে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। তার আপিল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১৫ মার্চ তাকে জামিন দিলেও দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল গ্রহণ করে আপিল বিভাগ ওই জামিন আগামী ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে।

গত ১৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে জামিন দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পুরান ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ওই দিনই তাকে নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

একই মামলায় আদালত খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে দশ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা জরিমানা করে।