ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ ধর্মকে পুঁজি করে চালানো অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: আমিনুল হক কেউ কেউ বসন্তকালে আইসা কুহু কুহু ডাক শুরু করে: জামায়াতের আমির ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমতের জোয়ার : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

টাকা আত্মসাতের জেরে খুন হন সাংবাদিক সুমন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘ইসলামিক নিউজ অনলাইন’ নামে অনলাইন পোর্টালে চাকরি দেয়ার নামে ফয়সাল আহমেদ নামে এক যুবকের কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেয়ার পর তা ফেরত না দেয়ায় খুন হন সাংবাদিক সুমন, যিনি ওই পোর্টালটির সাংবাদিক ছিলেন। টাকা না দেয়ায় সুমনকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

গত ৯ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তর যাত্রাবাড়ী ৩১ শহীদ ফারুক রোডের একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কটটেপ পেঁচানো অবস্থায় সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

থানা পুলিশ জানায়, সুমন সিকদার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের রূপসী গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে ও ইসলামিক নিউজ বিডি নামের একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক ছিলেন।

ওই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সাল আহমেদ ও জহিরুল ইসলাম জনি নামে দুজনকে রবিবার রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পূর্ব বিভাগের একটি দল। পরে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল বাতেন বলেন, ‘ঘটনার তদন্তে জানা যায়, সুমন শিদকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সিএনজি গাড়ি থেকে ভূয়া ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করত।’

ফয়সাল নামে ওই যুবককে নিজের পোর্টালে লভ্যাংশসহ চাকরি দেয়া কথা বলে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় সুমন। কিন্তু লভ্যাংশ দেয়া তো দূরের কথা চাকরি না পেয়ে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। ফয়সাল পাওনা টাকা দাবি করলে টালবাহানা শুরু করে সুমন। টাকা না পেয়ে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে ফয়সাল।

পরে ফয়সাল গ্রেপ্তার জনির সঙ্গে যোগসাজশ করে গত ৭ মার্চ সুমনের অফিসে যায়। সেখানে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। সুমন ঘুমিয়ে পড়লে ফয়সাল ও জনি শ্বাসরোধ ও মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ খাটের নিচে রেখে কম্পিউটার ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পরদিন সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ফয়সাল ও জনিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজই আদালতে পালিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানান ডিবির কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে

টাকা আত্মসাতের জেরে খুন হন সাংবাদিক সুমন

আপডেট সময় ০২:২২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘ইসলামিক নিউজ অনলাইন’ নামে অনলাইন পোর্টালে চাকরি দেয়ার নামে ফয়সাল আহমেদ নামে এক যুবকের কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেয়ার পর তা ফেরত না দেয়ায় খুন হন সাংবাদিক সুমন, যিনি ওই পোর্টালটির সাংবাদিক ছিলেন। টাকা না দেয়ায় সুমনকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

গত ৯ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তর যাত্রাবাড়ী ৩১ শহীদ ফারুক রোডের একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কটটেপ পেঁচানো অবস্থায় সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

থানা পুলিশ জানায়, সুমন সিকদার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের রূপসী গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে ও ইসলামিক নিউজ বিডি নামের একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক ছিলেন।

ওই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সাল আহমেদ ও জহিরুল ইসলাম জনি নামে দুজনকে রবিবার রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পূর্ব বিভাগের একটি দল। পরে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল বাতেন বলেন, ‘ঘটনার তদন্তে জানা যায়, সুমন শিদকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সিএনজি গাড়ি থেকে ভূয়া ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করত।’

ফয়সাল নামে ওই যুবককে নিজের পোর্টালে লভ্যাংশসহ চাকরি দেয়া কথা বলে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় সুমন। কিন্তু লভ্যাংশ দেয়া তো দূরের কথা চাকরি না পেয়ে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। ফয়সাল পাওনা টাকা দাবি করলে টালবাহানা শুরু করে সুমন। টাকা না পেয়ে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে ফয়সাল।

পরে ফয়সাল গ্রেপ্তার জনির সঙ্গে যোগসাজশ করে গত ৭ মার্চ সুমনের অফিসে যায়। সেখানে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। সুমন ঘুমিয়ে পড়লে ফয়সাল ও জনি শ্বাসরোধ ও মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ খাটের নিচে রেখে কম্পিউটার ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পরদিন সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ফয়সাল ও জনিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজই আদালতে পালিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানান ডিবির কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।