ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি সরকার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সায়েদাবাদ হবে শুধু সিটি টার্মিনাল, আন্তঃজেলা বাস যাবে কাঁচপুরে: দক্ষিণ সিটি প্রশাসক সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি মিথ্যা ও প্রোপাগান্ডায় জামায়াতের কাছে আওয়ামী লীগ শিশু: রাশেদ খাঁন শেষ ১৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ বাংলাদেশকে বিনিয়োগবান্ধব করতে সরকার সবকিছু করবে: মাহদী আমিন চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮ আসামি মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ হেরে যাওয়ায় ব্রাজিলের সাপোর্টাররা হতাশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশ হোক সব প্রাণী ও প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারের স্বপ্নীল জগৎ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মৌলভীবাজারে সারা বছর পর্যটকদের যাতায়াত থাকলেও শীত মৌসুমে তা বেড়ে যায়। এ সময়ে পর্যটকদের পদচারণায় পূর্ণতা পায় জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ভ্রমণপিয়াসী মানুষ একটু অবকাশ যাপনের সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন মৌলভীবাজারের আকর্ষণে।

জেলার প্রবেশদ্বার মুছাইয়ে স্মৃতি ভাস্কর্য ‘চা কন্যা’ যেন তাদের অভিবাদন জানাতে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়া পথ চলতে চলতে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে সজীব করবে চা পাতার গন্ধ। রাস্তার দু’পাশে সারি সারি চা বাগান যেন সবুজ চাদরে মোড়া কোন এক স্বপ্নীল ভূমি। যে দিকে যাবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। এর পর্যটন স্পটগুলো হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

শিল্পসমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠের সাত রঙের চা, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, চা গবেষণা কেন্দ্র, কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী নবাববাড়ি, মুরইছড়া ইকোপার্ক, গগন ঠিলা, দোলনচাপা ইকোপার্ক, মৌলভীবাজার সদরের বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক, মুন ব্যারেজসহ বিভিন্ন চা বাগানের জীবনধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ জনপদ যে কারো মন কেড়ে নেবে।

নয়নাভিরাম আনন্দঘন পরিবেশে পাহাড়ের বুক চিড়ে বয়ে চলা ঝরনাধারার কলকল ধ্বনি। বড়লেখার মাধবকুণ্ড ও কমলগঞ্জের হামহাম জলপ্রপাতের সৌন্দর্য মনের বিষণ্নতা ক্ষণিকের জন্য হলেও দূর করে দিতে পারে। জেলার কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক, ধলই বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, মাগুরছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, শমশেরনগর বিমানবন্দর, হরি নারায়ণ দীঘি, বিভিন্ন পাখিবাড়ি, রাজনগরের পাঁচগাঁওয়ে কমলা রানির দীঘি, দেশের বৃহত্তম হাকালুকি হাওর ও শ্রীমঙ্গলের বাইক্কাবিলের রূপ এবং হাইল হাওর আনন্দ সহযাত্রী হতে পারে।

এ ছাড়া রয়েছে উঁচু-নিচু টিলায় ৯২টি চা বাগান। পাথারিয়া পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, কমলগঞ্জের আদমপুর ও মাধবপুরের মণিপুরী সম্প্রদায়ের বসবাস বিমোহিত করবে। মণিপুরী তাঁতে বোনা কাপড়ের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। মাধবপুরের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি অবসরে আনন্দের খোরাক হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারের স্বপ্নীল জগৎ

আপডেট সময় ১২:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মৌলভীবাজারে সারা বছর পর্যটকদের যাতায়াত থাকলেও শীত মৌসুমে তা বেড়ে যায়। এ সময়ে পর্যটকদের পদচারণায় পূর্ণতা পায় জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ভ্রমণপিয়াসী মানুষ একটু অবকাশ যাপনের সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন মৌলভীবাজারের আকর্ষণে।

জেলার প্রবেশদ্বার মুছাইয়ে স্মৃতি ভাস্কর্য ‘চা কন্যা’ যেন তাদের অভিবাদন জানাতে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়া পথ চলতে চলতে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে সজীব করবে চা পাতার গন্ধ। রাস্তার দু’পাশে সারি সারি চা বাগান যেন সবুজ চাদরে মোড়া কোন এক স্বপ্নীল ভূমি। যে দিকে যাবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। এর পর্যটন স্পটগুলো হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

শিল্পসমৃদ্ধ মণিপুরীসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠের সাত রঙের চা, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, চা গবেষণা কেন্দ্র, কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী নবাববাড়ি, মুরইছড়া ইকোপার্ক, গগন ঠিলা, দোলনচাপা ইকোপার্ক, মৌলভীবাজার সদরের বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক, মুন ব্যারেজসহ বিভিন্ন চা বাগানের জীবনধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ জনপদ যে কারো মন কেড়ে নেবে।

নয়নাভিরাম আনন্দঘন পরিবেশে পাহাড়ের বুক চিড়ে বয়ে চলা ঝরনাধারার কলকল ধ্বনি। বড়লেখার মাধবকুণ্ড ও কমলগঞ্জের হামহাম জলপ্রপাতের সৌন্দর্য মনের বিষণ্নতা ক্ষণিকের জন্য হলেও দূর করে দিতে পারে। জেলার কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক, ধলই বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, মাগুরছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, শমশেরনগর বিমানবন্দর, হরি নারায়ণ দীঘি, বিভিন্ন পাখিবাড়ি, রাজনগরের পাঁচগাঁওয়ে কমলা রানির দীঘি, দেশের বৃহত্তম হাকালুকি হাওর ও শ্রীমঙ্গলের বাইক্কাবিলের রূপ এবং হাইল হাওর আনন্দ সহযাত্রী হতে পারে।

এ ছাড়া রয়েছে উঁচু-নিচু টিলায় ৯২টি চা বাগান। পাথারিয়া পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, কমলগঞ্জের আদমপুর ও মাধবপুরের মণিপুরী সম্প্রদায়ের বসবাস বিমোহিত করবে। মণিপুরী তাঁতে বোনা কাপড়ের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। মাধবপুরের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি অবসরে আনন্দের খোরাক হতে পারে।