ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য:মাহদী আমিন লেবাননে ইসরাইলি হামলা কোনোভাবেই উচিত হয়নি: ট্রাম্প সড়কে আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, গ্রেফতার ৩ ইরানকে বাদ দিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আরাগচি সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী, নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য, আপত্তিকর অংশ এক্সপাঞ্জ পাকিস্তানে পুলিশের গুলিতে অস্ট্রেলীয় শিশু নিহত বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে টাইগারদের হার, হোয়াইটওয়াশ এড়ালো অস্ট্রেলিয়া

সোহরাওয়ার্দীর জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় ১৯৭১ সালের এই দিনটির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে করা হয়েছে নানা সাজসজ্জা। এর মধ্যে আছে জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ দেয়ার আদলে একটি প্রতিকৃতিও।

তর্জনি উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অসহযোগ আর স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, একই ভঙ্গিমায় তিনি থাকছেন আজকের মঞ্চেও।

৭ মার্চ স্মরণে বেলা দুইটা থেকে শুরু হবে সোহরাওয়ারার্দী উদ্যানের এই জনসভা। ভাষণটি ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এবারই প্রথম উদযাপিত হতে যাচ্ছে দিনটি। তাই আওয়ামী লীগের প্রস্তুতিও ব্যাপক।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে আগে দেয়া ভাষণটির মতো আজও নেতা-কর্মীরা আসবেন দূর দূরান্ত থেকে। নেবে নতুন সংগ্রামের দীক্ষা।

কিন্তু সেই দিনটি কেমন ছিল, সেটি কি আজকের মানুষকে বুঝানো সম্ভব? এই চেষ্টার অংশ হিসেবেই সেই ৭ মার্চের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার নানা চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ।

মঞ্চ তৈরির এই বিষয়টি দেখভাল করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের বিষয়ে নানক বলেন, ‘আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর আমরা পেয়েছি একটি দেশ। তার সেই দিনের বক্তব্যের পর স্বাধীনতা প্রিয় বাঙালিরা তার নির্দেশিত পথেই কাজ করে গেছেন। সেই দিনের স্মরণে আজকের এই জনসভা। তাই আমরা চেয়েছি জনসভায় যারা আসবে, তারা যেন উপলব্ধি করতে পারে, বঙ্গবন্ধু্ আমাদের সঙ্গেই আছেন, এই মঞ্চে।’

৪৭ বছর আগের এই দিনটি ছিল উত্তাল। নির্বাচনের ফলাফল মেনে বাঙালির হাতে ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ঘোষণা দিয়েও স্থগিত হয়েছে জাতীয় পরিষদের বৈঠক। এই সময় জনসভা ডাকলেন বঙ্গবন্ধু।

কিছু একটা ঘোষণা আসবে, এমনকি স্বাধীনতারও। এমন একটি ঘোষণা আসলোও। বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমার (জাতির) মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ মনে করেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার পরোক্ষ ডাক। এর পর যারা বুঝার তারা সব বুঝে নিয়েছিল। শুরু হয়েছিল সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে বেশ কয়েকজনের রাজনৈতিক নেতার পর জিয়াউর রহমানের বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটা ধারাবাহিকতা মাত্র।’

এই ভাষণটি অবশ্য এখন আর কেবল বাঙালির না। ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর এটি সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষদের প্রেরণার ভাষণ হয়ে গেছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান

সোহরাওয়ার্দীর জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধু

আপডেট সময় ০২:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় ১৯৭১ সালের এই দিনটির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে করা হয়েছে নানা সাজসজ্জা। এর মধ্যে আছে জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ দেয়ার আদলে একটি প্রতিকৃতিও।

তর্জনি উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অসহযোগ আর স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, একই ভঙ্গিমায় তিনি থাকছেন আজকের মঞ্চেও।

৭ মার্চ স্মরণে বেলা দুইটা থেকে শুরু হবে সোহরাওয়ারার্দী উদ্যানের এই জনসভা। ভাষণটি ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এবারই প্রথম উদযাপিত হতে যাচ্ছে দিনটি। তাই আওয়ামী লীগের প্রস্তুতিও ব্যাপক।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে আগে দেয়া ভাষণটির মতো আজও নেতা-কর্মীরা আসবেন দূর দূরান্ত থেকে। নেবে নতুন সংগ্রামের দীক্ষা।

কিন্তু সেই দিনটি কেমন ছিল, সেটি কি আজকের মানুষকে বুঝানো সম্ভব? এই চেষ্টার অংশ হিসেবেই সেই ৭ মার্চের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার নানা চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ।

মঞ্চ তৈরির এই বিষয়টি দেখভাল করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের বিষয়ে নানক বলেন, ‘আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর আমরা পেয়েছি একটি দেশ। তার সেই দিনের বক্তব্যের পর স্বাধীনতা প্রিয় বাঙালিরা তার নির্দেশিত পথেই কাজ করে গেছেন। সেই দিনের স্মরণে আজকের এই জনসভা। তাই আমরা চেয়েছি জনসভায় যারা আসবে, তারা যেন উপলব্ধি করতে পারে, বঙ্গবন্ধু্ আমাদের সঙ্গেই আছেন, এই মঞ্চে।’

৪৭ বছর আগের এই দিনটি ছিল উত্তাল। নির্বাচনের ফলাফল মেনে বাঙালির হাতে ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ঘোষণা দিয়েও স্থগিত হয়েছে জাতীয় পরিষদের বৈঠক। এই সময় জনসভা ডাকলেন বঙ্গবন্ধু।

কিছু একটা ঘোষণা আসবে, এমনকি স্বাধীনতারও। এমন একটি ঘোষণা আসলোও। বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমার (জাতির) মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ মনে করেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার পরোক্ষ ডাক। এর পর যারা বুঝার তারা সব বুঝে নিয়েছিল। শুরু হয়েছিল সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে বেশ কয়েকজনের রাজনৈতিক নেতার পর জিয়াউর রহমানের বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটা ধারাবাহিকতা মাত্র।’

এই ভাষণটি অবশ্য এখন আর কেবল বাঙালির না। ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর এটি সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষদের প্রেরণার ভাষণ হয়ে গেছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।