ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সোহরাওয়ার্দীর জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় ১৯৭১ সালের এই দিনটির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে করা হয়েছে নানা সাজসজ্জা। এর মধ্যে আছে জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ দেয়ার আদলে একটি প্রতিকৃতিও।

তর্জনি উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অসহযোগ আর স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, একই ভঙ্গিমায় তিনি থাকছেন আজকের মঞ্চেও।

৭ মার্চ স্মরণে বেলা দুইটা থেকে শুরু হবে সোহরাওয়ারার্দী উদ্যানের এই জনসভা। ভাষণটি ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এবারই প্রথম উদযাপিত হতে যাচ্ছে দিনটি। তাই আওয়ামী লীগের প্রস্তুতিও ব্যাপক।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে আগে দেয়া ভাষণটির মতো আজও নেতা-কর্মীরা আসবেন দূর দূরান্ত থেকে। নেবে নতুন সংগ্রামের দীক্ষা।

কিন্তু সেই দিনটি কেমন ছিল, সেটি কি আজকের মানুষকে বুঝানো সম্ভব? এই চেষ্টার অংশ হিসেবেই সেই ৭ মার্চের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার নানা চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ।

মঞ্চ তৈরির এই বিষয়টি দেখভাল করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের বিষয়ে নানক বলেন, ‘আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর আমরা পেয়েছি একটি দেশ। তার সেই দিনের বক্তব্যের পর স্বাধীনতা প্রিয় বাঙালিরা তার নির্দেশিত পথেই কাজ করে গেছেন। সেই দিনের স্মরণে আজকের এই জনসভা। তাই আমরা চেয়েছি জনসভায় যারা আসবে, তারা যেন উপলব্ধি করতে পারে, বঙ্গবন্ধু্ আমাদের সঙ্গেই আছেন, এই মঞ্চে।’

৪৭ বছর আগের এই দিনটি ছিল উত্তাল। নির্বাচনের ফলাফল মেনে বাঙালির হাতে ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ঘোষণা দিয়েও স্থগিত হয়েছে জাতীয় পরিষদের বৈঠক। এই সময় জনসভা ডাকলেন বঙ্গবন্ধু।

কিছু একটা ঘোষণা আসবে, এমনকি স্বাধীনতারও। এমন একটি ঘোষণা আসলোও। বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমার (জাতির) মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ মনে করেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার পরোক্ষ ডাক। এর পর যারা বুঝার তারা সব বুঝে নিয়েছিল। শুরু হয়েছিল সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে বেশ কয়েকজনের রাজনৈতিক নেতার পর জিয়াউর রহমানের বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটা ধারাবাহিকতা মাত্র।’

এই ভাষণটি অবশ্য এখন আর কেবল বাঙালির না। ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর এটি সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষদের প্রেরণার ভাষণ হয়ে গেছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোহরাওয়ার্দীর জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধু

আপডেট সময় ০২:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় ১৯৭১ সালের এই দিনটির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে করা হয়েছে নানা সাজসজ্জা। এর মধ্যে আছে জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ দেয়ার আদলে একটি প্রতিকৃতিও।

তর্জনি উঁচিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অসহযোগ আর স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, একই ভঙ্গিমায় তিনি থাকছেন আজকের মঞ্চেও।

৭ মার্চ স্মরণে বেলা দুইটা থেকে শুরু হবে সোহরাওয়ারার্দী উদ্যানের এই জনসভা। ভাষণটি ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এবারই প্রথম উদযাপিত হতে যাচ্ছে দিনটি। তাই আওয়ামী লীগের প্রস্তুতিও ব্যাপক।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে আগে দেয়া ভাষণটির মতো আজও নেতা-কর্মীরা আসবেন দূর দূরান্ত থেকে। নেবে নতুন সংগ্রামের দীক্ষা।

কিন্তু সেই দিনটি কেমন ছিল, সেটি কি আজকের মানুষকে বুঝানো সম্ভব? এই চেষ্টার অংশ হিসেবেই সেই ৭ মার্চের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার নানা চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ।

মঞ্চ তৈরির এই বিষয়টি দেখভাল করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

জনসভা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের বিষয়ে নানক বলেন, ‘আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর আমরা পেয়েছি একটি দেশ। তার সেই দিনের বক্তব্যের পর স্বাধীনতা প্রিয় বাঙালিরা তার নির্দেশিত পথেই কাজ করে গেছেন। সেই দিনের স্মরণে আজকের এই জনসভা। তাই আমরা চেয়েছি জনসভায় যারা আসবে, তারা যেন উপলব্ধি করতে পারে, বঙ্গবন্ধু্ আমাদের সঙ্গেই আছেন, এই মঞ্চে।’

৪৭ বছর আগের এই দিনটি ছিল উত্তাল। নির্বাচনের ফলাফল মেনে বাঙালির হাতে ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ঘোষণা দিয়েও স্থগিত হয়েছে জাতীয় পরিষদের বৈঠক। এই সময় জনসভা ডাকলেন বঙ্গবন্ধু।

কিছু একটা ঘোষণা আসবে, এমনকি স্বাধীনতারও। এমন একটি ঘোষণা আসলোও। বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমার (জাতির) মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ মনে করেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার পরোক্ষ ডাক। এর পর যারা বুঝার তারা সব বুঝে নিয়েছিল। শুরু হয়েছিল সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পর বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরে বেশ কয়েকজনের রাজনৈতিক নেতার পর জিয়াউর রহমানের বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটা ধারাবাহিকতা মাত্র।’

এই ভাষণটি অবশ্য এখন আর কেবল বাঙালির না। ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর এটি সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষদের প্রেরণার ভাষণ হয়ে গেছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।