ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

উন্নয়নের কৃতিত্ব সরকারের নয়, বিএনপির: মওদুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নে বর্তমান সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। তার দাবি, যেসব খাতে দেশের আয় ভালো হচ্ছে, সবগুলোর ভিত্তি বিএনপি আমলে তৈরি হয়েছে। ফলে এই কৃতিত্ব তাদেরই।

২০০৯ সাল থেকে টানা সরকারে থাকায় বাংলাদেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে দাবি করে আসছে সরকার। দারিদ্র্য বিমোচন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, শিক্ষার বিস্তার, জ্বালানি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকেও।

আর ধারাবাহিক উন্নয়নে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে চলতি মার্চ মাসেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর বলে আসছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই এই উন্নয়ন হচ্ছে।

তবে শুক্রবার রাজধানীতে জোটের শরিক এনপিপির এক আলোচনায় মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকার আজ উন্নয়নের কৃতিত্ব দাবি করে। কিন্তু দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তার কৃতিত্ব সরকারের নয়, দেশের মানুষের।’

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই আলোচনায় বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিএনপিই উন্নয়নের ভীত রচনা করেছে। দেশের অর্থনীতি মূলত যে তিনটি সেক্টরের উপর বেশি নির্ভর করে সেগুলো হলো কৃষি, রেমিট্যান্স (প্রবাস আয়) ও পোশাক শিল্প। এ তিনটি খাত প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারণ করেছে বিএনপি। এগুলোতে সরকারের কোনো অবদান নেই।’

‘দুর্নীতির বিচার হবে শ্বেতপত্র করে’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বর্তমান সরকারের আমলে ঘটা আলোচিত দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করে এতে জড়িতদের বিচার করা হবে বলেও জানান মওদুদ।

‘এই সরকার তো শেষ সরকার না, তাদের একদিন বিদায় নিতে হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে এই সরকারের আমলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, শেয়ার বাজার লুট, হলমার্ক কেলেঙ্কারি ডেসটিনিসহ সংবাদপত্রে যেসব দুর্নীতির খবর বের হয়েছে এবং যত দুর্নীতি হয়েছে তার উপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে।’

‘সেই শ্বেতপত্রে এই সরকারের এই আমলে কোন মন্ত্রী, কোন এমপি, মদদপুষ্ট কোন ব্যবসায়ীসহ কেন্দ্র থেকে জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের হিসাব নেওয়া হবে। সেইদিন অবশ্যই তাদের বিচার হবে।’

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক দাবি করেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আইনমন্ত্রী। বলেন, ‘কোনো সাক্ষ্য, প্রমাণ ছাড়া শুধু মাত্র রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। দুনীতির জন্য তাকে শাস্তি দেয়া হয় নাই।’

উচ্চ আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়ারও সমালোচনা করেন মওদুদ। বলেন, ‘পাঁচ বছর সাজা হলে এমনিতেই স্বাভাবিকভাবে জামিন হয়ে যায়, এটা আমাদের সুপ্রিম কোর্টের অনেক সিদ্ধান্ত আছে। আমরা আশা করেছিলাম সেদিনই (২৫ ফেব্রয়ারি) তার জামিন হয়ে যাবে।’

‘যত কৌশল, যত ষড়যন্ত্রই করেন না কেন বেগম খালেদা জিয়া জামিন পেয়ে মুক্ত হয়ে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আসবেন এবং যে দিন তিনি মুক্ত হয়ে ফিরবেন তার জনপ্রিয়তা জেলে যাওয়ার আগে যা ছিল তার চেয়ে দ্বিগুণ হবে বলে আমি মনে করি।’

বর্তমান সরকার সব খাত থেকে দুর্নীতি করছে এবং এটি মহামারি পর্যায়ে চলে গেছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক যখন ঋণ দেয় তখন তারা প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় তা নিয়মিত মনিটিরং করে।’

‘বর্তমান সরকার জনগণের টাকায় বড়বড় প্রকল্প করছে। কিন্তু সেখানে কোনো জবাবদিহিতা নাই, কোনো রকমের কোনো মনিটরিং নাই। কারণ মনিটরিং না থাকলে যত বড়বড় প্রকল্প তত বেশি দুর্নীতি।’

‘নির্বাচন কমিশন ব্যর্থতা স্বীকার করছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা করে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার বিষয়ে বিএনপির চিঠি পেয়েও নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা না নেয়ারও সমালোচনা করেন মওদুদ।

‘প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচে সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।’

‘নির্বাচন কমিশনকে আমরা একটি চিঠি দিয়েছিলাম। আজকে খবরের কাগজে দেখলাম পেলাম তারা (নির্বাচন কমিশন) বলেছেন তফসিল ঘোষণার পর থেকে কর্তৃত্ব গ্রহণ করবে। আমাদের দেশে তফসিল ঘোষণা করা হয় নির্বাচনের দিনের ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে। ওই দেড় মাসে যে কোন ধরনের নির্বাচন কমিশনের পক্ষে কি প্রশাসন ঢেলে সাজানো সম্ভব?’

‘এই বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছেন তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে অক্ষম, তারা কিছু করতে পারবে না। কমিশন পরোক্ষভাবে দেশের মানুষকে জানিয়ে দিয়েছে।’

মওদুদ বলেন, ‘যে দলের নেত্রী সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীনদের পরাজিত করবে সেই দলের নেত্রী জেলখানায়, তার দল কোনো সভা সমাবেশ করতে পারেন না। কি চমৎকার গণতন্ত্রের দেশ!’

‘সেজন্য মানুষকে বোকা ভাবাটা ঠিক নয়। বাংলাদেশের মানুষ সব বোঝে, সব জানে। শুধু একবার যদি তারা ব্যালট বাক্সে একটি ভোট দেয়ার সুযোগ পায় আপনাদেরকে জবাব দেবে।’

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

উন্নয়নের কৃতিত্ব সরকারের নয়, বিএনপির: মওদুদ

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নে বর্তমান সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। তার দাবি, যেসব খাতে দেশের আয় ভালো হচ্ছে, সবগুলোর ভিত্তি বিএনপি আমলে তৈরি হয়েছে। ফলে এই কৃতিত্ব তাদেরই।

২০০৯ সাল থেকে টানা সরকারে থাকায় বাংলাদেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে বলে দাবি করে আসছে সরকার। দারিদ্র্য বিমোচন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, শিক্ষার বিস্তার, জ্বালানি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকেও।

আর ধারাবাহিক উন্নয়নে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে চলতি মার্চ মাসেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর বলে আসছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই এই উন্নয়ন হচ্ছে।

তবে শুক্রবার রাজধানীতে জোটের শরিক এনপিপির এক আলোচনায় মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকার আজ উন্নয়নের কৃতিত্ব দাবি করে। কিন্তু দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তার কৃতিত্ব সরকারের নয়, দেশের মানুষের।’

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই আলোচনায় বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিএনপিই উন্নয়নের ভীত রচনা করেছে। দেশের অর্থনীতি মূলত যে তিনটি সেক্টরের উপর বেশি নির্ভর করে সেগুলো হলো কৃষি, রেমিট্যান্স (প্রবাস আয়) ও পোশাক শিল্প। এ তিনটি খাত প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারণ করেছে বিএনপি। এগুলোতে সরকারের কোনো অবদান নেই।’

‘দুর্নীতির বিচার হবে শ্বেতপত্র করে’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বর্তমান সরকারের আমলে ঘটা আলোচিত দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করে এতে জড়িতদের বিচার করা হবে বলেও জানান মওদুদ।

‘এই সরকার তো শেষ সরকার না, তাদের একদিন বিদায় নিতে হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে এই সরকারের আমলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, শেয়ার বাজার লুট, হলমার্ক কেলেঙ্কারি ডেসটিনিসহ সংবাদপত্রে যেসব দুর্নীতির খবর বের হয়েছে এবং যত দুর্নীতি হয়েছে তার উপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে।’

‘সেই শ্বেতপত্রে এই সরকারের এই আমলে কোন মন্ত্রী, কোন এমপি, মদদপুষ্ট কোন ব্যবসায়ীসহ কেন্দ্র থেকে জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের হিসাব নেওয়া হবে। সেইদিন অবশ্যই তাদের বিচার হবে।’

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক দাবি করেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আইনমন্ত্রী। বলেন, ‘কোনো সাক্ষ্য, প্রমাণ ছাড়া শুধু মাত্র রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। দুনীতির জন্য তাকে শাস্তি দেয়া হয় নাই।’

উচ্চ আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়ারও সমালোচনা করেন মওদুদ। বলেন, ‘পাঁচ বছর সাজা হলে এমনিতেই স্বাভাবিকভাবে জামিন হয়ে যায়, এটা আমাদের সুপ্রিম কোর্টের অনেক সিদ্ধান্ত আছে। আমরা আশা করেছিলাম সেদিনই (২৫ ফেব্রয়ারি) তার জামিন হয়ে যাবে।’

‘যত কৌশল, যত ষড়যন্ত্রই করেন না কেন বেগম খালেদা জিয়া জামিন পেয়ে মুক্ত হয়ে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আসবেন এবং যে দিন তিনি মুক্ত হয়ে ফিরবেন তার জনপ্রিয়তা জেলে যাওয়ার আগে যা ছিল তার চেয়ে দ্বিগুণ হবে বলে আমি মনে করি।’

বর্তমান সরকার সব খাত থেকে দুর্নীতি করছে এবং এটি মহামারি পর্যায়ে চলে গেছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক যখন ঋণ দেয় তখন তারা প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় তা নিয়মিত মনিটিরং করে।’

‘বর্তমান সরকার জনগণের টাকায় বড়বড় প্রকল্প করছে। কিন্তু সেখানে কোনো জবাবদিহিতা নাই, কোনো রকমের কোনো মনিটরিং নাই। কারণ মনিটরিং না থাকলে যত বড়বড় প্রকল্প তত বেশি দুর্নীতি।’

‘নির্বাচন কমিশন ব্যর্থতা স্বীকার করছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা করে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার বিষয়ে বিএনপির চিঠি পেয়েও নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা না নেয়ারও সমালোচনা করেন মওদুদ।

‘প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচে সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।’

‘নির্বাচন কমিশনকে আমরা একটি চিঠি দিয়েছিলাম। আজকে খবরের কাগজে দেখলাম পেলাম তারা (নির্বাচন কমিশন) বলেছেন তফসিল ঘোষণার পর থেকে কর্তৃত্ব গ্রহণ করবে। আমাদের দেশে তফসিল ঘোষণা করা হয় নির্বাচনের দিনের ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে। ওই দেড় মাসে যে কোন ধরনের নির্বাচন কমিশনের পক্ষে কি প্রশাসন ঢেলে সাজানো সম্ভব?’

‘এই বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছেন তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে অক্ষম, তারা কিছু করতে পারবে না। কমিশন পরোক্ষভাবে দেশের মানুষকে জানিয়ে দিয়েছে।’

মওদুদ বলেন, ‘যে দলের নেত্রী সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীনদের পরাজিত করবে সেই দলের নেত্রী জেলখানায়, তার দল কোনো সভা সমাবেশ করতে পারেন না। কি চমৎকার গণতন্ত্রের দেশ!’

‘সেজন্য মানুষকে বোকা ভাবাটা ঠিক নয়। বাংলাদেশের মানুষ সব বোঝে, সব জানে। শুধু একবার যদি তারা ব্যালট বাক্সে একটি ভোট দেয়ার সুযোগ পায় আপনাদেরকে জবাব দেবে।’

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া প্রমুখ।