ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

আইডিইএ প্রকল্প থেকে চাকরি ছাড়ার হুমকি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচন কমিশনের চলমান এক প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ এবং পদের নাম ও গ্রেড পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছেন কর্মরত ৪০ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট। অন্যথায় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর ইনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) নামক এ প্রকল্প থেকে চাকরি ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন তারা।

সোমবার ওই প্রকল্পের মহাপরিচালক এক চিঠি দিয়ে এসব দাবি জানান তারা। অন্যথায় তাদের চাকরির মেয়াদ আর না বাড়াতে অনুরোধ জানান এসব টেকনিক্যাল এক্সপার্টররা।

এর আগেও একইভাবে ৩২ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট প্রকল্প পরিচালককে চিঠি দিয়ে তাদের চাকরির মেয়াদ না বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আরও এক হাজারের বেশি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এ ধরনের চিঠি দিতে যাচ্ছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে একই সঙ্গে চাকরি ছাড়ার হুমকির নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। আইন ও বিধির বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ ছাইদুল ইসলাম সোমবার রাতে দৈনিক আকাশকে বলেন, ৪০ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। এর আগেও ৩২ জন একই ধরনের চিঠি দিয়েছিল। আমরা নিয়মনীতি ও সরকারি বিধিবিধান মেনে তাদের দাবি মানার চেষ্টা করছি। কিন্তু সংঘবদ্ধভাবে একের এক চিঠি দেয়া ভালোভাবে নিচ্ছি না।

তিনি বলেন, তারা এককভাবে চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। এককভাবেই চাকরি ছাড়তে পারে। কিন্তু সংঘবদ্ধভাবে এ ধরনের চিঠি দিয়ে কী বুঝাতে চাইছে? এসব ঘটনার নেপথ্যে যারা কলকাঠী নাড়ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে আইডিইএ প্রকল্পে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে প্রকল্পে চাকরি করার পরও আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। বছরের পর বছর এসব বিষয় নিয়ে কমিশনে দাবি তোলা হলেও তা পূরণ হয়নি। বিগত কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কমিশনের সময়ে ২০১৩ সালের ৩০ জুন কমিশনের ৪৬তম সভায় আমাদের দাবির কিছু অংশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা মানা হয়নি।

এ বিষয়ে সোমবার ৪০জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট তাদের চিঠিতে বলেছেন, যদি বিগত কমিশনের সময়ে নেয়া সিদ্ধান্তের আলোকে পদের নাম ও গ্রেডগুলো যদি পরিবর্তন না করা হয় এবং চলমান আইডিইএ প্রকল্পের সমাপ্তির পর যদি রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করে চাকরি স্থায়ী করা না হলে, ফেব্রুয়ারির পর আমাদের চাকরির মেয়াদ আর বৃদ্ধি না করার অনুরোধ করছি।

২০০৭ সাল থেকে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে চিঠিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, পদ ও বেতন সমন্বয় না করায় উৎসব ভাতা, টিএডিএ প্রাপ্তিসংক্রান্ত নানান জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। আইডিইএ প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিন্তু রিভাইজড ডিপিপিতে টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সহকারী প্রোগামার ও টেকনিক্যাল সাপোর্টারদের ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পদক্ষেপ নেই। এসব বিষয় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইডিইএ প্রকল্প থেকে চাকরি ছাড়ার হুমকি

আপডেট সময় ১১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচন কমিশনের চলমান এক প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ এবং পদের নাম ও গ্রেড পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছেন কর্মরত ৪০ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট। অন্যথায় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর ইনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) নামক এ প্রকল্প থেকে চাকরি ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন তারা।

সোমবার ওই প্রকল্পের মহাপরিচালক এক চিঠি দিয়ে এসব দাবি জানান তারা। অন্যথায় তাদের চাকরির মেয়াদ আর না বাড়াতে অনুরোধ জানান এসব টেকনিক্যাল এক্সপার্টররা।

এর আগেও একইভাবে ৩২ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট প্রকল্প পরিচালককে চিঠি দিয়ে তাদের চাকরির মেয়াদ না বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আরও এক হাজারের বেশি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এ ধরনের চিঠি দিতে যাচ্ছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে একই সঙ্গে চাকরি ছাড়ার হুমকির নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। আইন ও বিধির বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ ছাইদুল ইসলাম সোমবার রাতে দৈনিক আকাশকে বলেন, ৪০ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। এর আগেও ৩২ জন একই ধরনের চিঠি দিয়েছিল। আমরা নিয়মনীতি ও সরকারি বিধিবিধান মেনে তাদের দাবি মানার চেষ্টা করছি। কিন্তু সংঘবদ্ধভাবে একের এক চিঠি দেয়া ভালোভাবে নিচ্ছি না।

তিনি বলেন, তারা এককভাবে চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। এককভাবেই চাকরি ছাড়তে পারে। কিন্তু সংঘবদ্ধভাবে এ ধরনের চিঠি দিয়ে কী বুঝাতে চাইছে? এসব ঘটনার নেপথ্যে যারা কলকাঠী নাড়ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে আইডিইএ প্রকল্পে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে প্রকল্পে চাকরি করার পরও আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। বছরের পর বছর এসব বিষয় নিয়ে কমিশনে দাবি তোলা হলেও তা পূরণ হয়নি। বিগত কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কমিশনের সময়ে ২০১৩ সালের ৩০ জুন কমিশনের ৪৬তম সভায় আমাদের দাবির কিছু অংশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা মানা হয়নি।

এ বিষয়ে সোমবার ৪০জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট তাদের চিঠিতে বলেছেন, যদি বিগত কমিশনের সময়ে নেয়া সিদ্ধান্তের আলোকে পদের নাম ও গ্রেডগুলো যদি পরিবর্তন না করা হয় এবং চলমান আইডিইএ প্রকল্পের সমাপ্তির পর যদি রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করে চাকরি স্থায়ী করা না হলে, ফেব্রুয়ারির পর আমাদের চাকরির মেয়াদ আর বৃদ্ধি না করার অনুরোধ করছি।

২০০৭ সাল থেকে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে চিঠিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, পদ ও বেতন সমন্বয় না করায় উৎসব ভাতা, টিএডিএ প্রাপ্তিসংক্রান্ত নানান জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। আইডিইএ প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিন্তু রিভাইজড ডিপিপিতে টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সহকারী প্রোগামার ও টেকনিক্যাল সাপোর্টারদের ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পদক্ষেপ নেই। এসব বিষয় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তারা।