ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

তেলের দাম বাড়ানোর এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নেই:ক্যাব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেছেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব আরো বলছেন, বিইআরসিকে পাশ কাটিয়ে তেলের দাম বাড়ানোর এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নেই। গণশুনানি না হলে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। এরইমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

গত অক্টোবর থেকে বিশ্ববাজারে ঊর্ধমুখী জ্বালানি তেলের দাম। ফেব্রুয়ারিতে এসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছাড়ায় ৭০ ডলার।

এই অবস্থায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বিপিসি। সংস্থাটি বলছে বেশি দামে আমদানি করে কম দামে বিক্রি করায় দিনে প্রায় ১০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৭ টাকা এবং ফার্নেস অয়েলের দাম ১৩ টাকা বাড়াতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমালে অনেক ক্ষতি হতো। এখন ডিজেল ক্ষতিতে বিক্রি হচ্ছে।

গত তিন বছর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অনেক কম থাকলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কারণ দেখিয়ে দাম তেমন কমায়নি সরকার। এ সময়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে বিপিসি। তাই, নতুন করে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অযৌক্তিক বলছে ক্যাব।

ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে বিপিসির এ সমস্ত অস্বচ্ছতা, অনিয়ম এমনকি দুর্নীতিকে আরাল করছে। এখানে জ্বালানি বিভাগও স্বার্থ ও সংঘাতমুক্ত নয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ানো হলে উৎপাদন খরচ বাড়বে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হুমায়ূন কবীর বলেন, এর আগে যখন তেলের দাম কম ছিল তখন কিন্তু তেলের দাম ঐভাবে কমানো হয়নি। এখনও কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে অসহনশীল পর্যায়ে তেলের মূল্য বাড়েনি।

তবে লোকসান না হওয়ায় পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিপিসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের দাম বাড়ানোর এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নেই:ক্যাব

আপডেট সময় ১২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেছেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব আরো বলছেন, বিইআরসিকে পাশ কাটিয়ে তেলের দাম বাড়ানোর এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নেই। গণশুনানি না হলে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। এরইমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

গত অক্টোবর থেকে বিশ্ববাজারে ঊর্ধমুখী জ্বালানি তেলের দাম। ফেব্রুয়ারিতে এসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছাড়ায় ৭০ ডলার।

এই অবস্থায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বিপিসি। সংস্থাটি বলছে বেশি দামে আমদানি করে কম দামে বিক্রি করায় দিনে প্রায় ১০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৭ টাকা এবং ফার্নেস অয়েলের দাম ১৩ টাকা বাড়াতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমালে অনেক ক্ষতি হতো। এখন ডিজেল ক্ষতিতে বিক্রি হচ্ছে।

গত তিন বছর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অনেক কম থাকলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কারণ দেখিয়ে দাম তেমন কমায়নি সরকার। এ সময়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে বিপিসি। তাই, নতুন করে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অযৌক্তিক বলছে ক্যাব।

ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে বিপিসির এ সমস্ত অস্বচ্ছতা, অনিয়ম এমনকি দুর্নীতিকে আরাল করছে। এখানে জ্বালানি বিভাগও স্বার্থ ও সংঘাতমুক্ত নয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ানো হলে উৎপাদন খরচ বাড়বে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হুমায়ূন কবীর বলেন, এর আগে যখন তেলের দাম কম ছিল তখন কিন্তু তেলের দাম ঐভাবে কমানো হয়নি। এখনও কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে অসহনশীল পর্যায়ে তেলের মূল্য বাড়েনি।

তবে লোকসান না হওয়ায় পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিপিসি।