ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

আলু ১০, পটল ১৬০

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কাঁচাবাজারে নতুন করে এসেছে পটল। তবে দাম সাধারণ ক্রেতাদের অনেকটাই নাগালের বাইরে পটল কিন্তু নাগালের ভেতরে আছে আলুসহ অন্যান্য সবজির দাম। প্রতিকেজি আলু যেখানে ১০ টাকা অপরদিকে পটল কিনতে হচ্ছে কমপক্ষে ১৬০ টাকায়।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিপুল, নিউমার্কেট, ও শান্তিনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের সব সবজিই এখন বাজারে ভরপুর। নতুন করে এসেছে পটল। তবে বাজারে পটলের সরবরাহ খুব বেশি না। যে কারণে দাম চড়া। আর অন্য সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় দামও কম।

হাতিপুল বাজারে সবজি বিক্রেতা মো. হোসেন মিয়া জানান, এবারের মৌসুমে আমি আজই প্রথম পটল নিয়ে এসেছি। প্রতিকেজি পটল বিক্রি করছি ১৬০ টাকায়।

দাম বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এগুলো আগাম পটল। বাজারে স্বল্প পরিমাণে এসেছে। আড়তে সবার কাছে পটল পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। আর এ দামে পটল তো সাধারণ মানুষ খাবে না। অনেকে আছেন যারা নতুন কিছু আসলেই শখ করে খান, তাদের জন্যই পটল এনেছি।

সবজি কিনতে আসা হানিফ আলী বলেন, দুই দোকানে দেখলাম পটল বিক্রি হচ্ছে। দু’জনই ১৭০ টাকা কেজি দাম চাচ্ছে। এ দামে পটল কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। এক কেজি পটল কিনতে যে টাকা খরচ হবে, সেই টাকা দিয়ে তো এক কেজির বেশি বয়লার মুরগি কেনা যাবে।

এদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় গত কয়েক সপ্তাহের মতো আজও মোটামুটি সস্তাই পাওয়া যাচ্ছে অন্য সবজি। আলু, টমেটো, বেগুন, গাজর, ফুলকপি, পাতাকপি, ওলকপি (শালগম), লাল শাক, পালশ শাক, লাউ শাকসহ অন্যান্য সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। তবে লাউ, শিম ও চিচিংগার দাম তুলনামূলক একটু বেশি।

কিছুদিন আগেও ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়া লাউ এখন বাজার ভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে। আর শিম পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহেও এই সবজিগুলোর দাম এমনই ছিল।

এছাড়া প্রতিপিস ফুলকপি আগের সপ্তাহের মতোই ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। একই দামে পাওয়া যাচ্ছে পাতাকপি। গত সপ্তাহের মতো ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে শালগম। এছাড়া বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচমরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা পেঁয়াজও।

দাম অপরিবর্তীত রয়েছে ডিম, বয়লার, গরু ও খাসির মাংসে। বাজার ভেদে ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৮ টাকায়। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

আলু ১০, পটল ১৬০

আপডেট সময় ০৩:২৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কাঁচাবাজারে নতুন করে এসেছে পটল। তবে দাম সাধারণ ক্রেতাদের অনেকটাই নাগালের বাইরে পটল কিন্তু নাগালের ভেতরে আছে আলুসহ অন্যান্য সবজির দাম। প্রতিকেজি আলু যেখানে ১০ টাকা অপরদিকে পটল কিনতে হচ্ছে কমপক্ষে ১৬০ টাকায়।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিপুল, নিউমার্কেট, ও শান্তিনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, শীতের সব সবজিই এখন বাজারে ভরপুর। নতুন করে এসেছে পটল। তবে বাজারে পটলের সরবরাহ খুব বেশি না। যে কারণে দাম চড়া। আর অন্য সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় দামও কম।

হাতিপুল বাজারে সবজি বিক্রেতা মো. হোসেন মিয়া জানান, এবারের মৌসুমে আমি আজই প্রথম পটল নিয়ে এসেছি। প্রতিকেজি পটল বিক্রি করছি ১৬০ টাকায়।

দাম বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এগুলো আগাম পটল। বাজারে স্বল্প পরিমাণে এসেছে। আড়তে সবার কাছে পটল পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। আর এ দামে পটল তো সাধারণ মানুষ খাবে না। অনেকে আছেন যারা নতুন কিছু আসলেই শখ করে খান, তাদের জন্যই পটল এনেছি।

সবজি কিনতে আসা হানিফ আলী বলেন, দুই দোকানে দেখলাম পটল বিক্রি হচ্ছে। দু’জনই ১৭০ টাকা কেজি দাম চাচ্ছে। এ দামে পটল কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। এক কেজি পটল কিনতে যে টাকা খরচ হবে, সেই টাকা দিয়ে তো এক কেজির বেশি বয়লার মুরগি কেনা যাবে।

এদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় গত কয়েক সপ্তাহের মতো আজও মোটামুটি সস্তাই পাওয়া যাচ্ছে অন্য সবজি। আলু, টমেটো, বেগুন, গাজর, ফুলকপি, পাতাকপি, ওলকপি (শালগম), লাল শাক, পালশ শাক, লাউ শাকসহ অন্যান্য সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। তবে লাউ, শিম ও চিচিংগার দাম তুলনামূলক একটু বেশি।

কিছুদিন আগেও ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়া লাউ এখন বাজার ভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে। আর শিম পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহেও এই সবজিগুলোর দাম এমনই ছিল।

এছাড়া প্রতিপিস ফুলকপি আগের সপ্তাহের মতোই ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। একই দামে পাওয়া যাচ্ছে পাতাকপি। গত সপ্তাহের মতো ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে শালগম। এছাড়া বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচমরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা পেঁয়াজও।

দাম অপরিবর্তীত রয়েছে ডিম, বয়লার, গরু ও খাসির মাংসে। বাজার ভেদে ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৮ টাকায়। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।