ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

ডা. ইব্রাহিম স্বর্ণপদক পেলেন অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণপদক-২০১৮ পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মুক্তিযু্দ্ধ, অর্থনীতি ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় তাকে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

রবিবার দুপুরে শাহবাগে বারডেম হাসপাতাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর হাতে এই পদক তুলে দেয়া হয়। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি পরিষদ দুই বছর পর পর এ স্বর্ণপদক দেয়।

অর্থমন্ত্রীসহ তিনজন এবার এই পদক পেয়েছেন। বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আব্দুল মালিক (অব.) এবং ডায়াবেটিক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সের ইমেরিটাস অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব এই স্বর্ণপদক পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও সবাই বলেন দেশে ডায়াবেটিকে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ শতাংশ, তবে আমি মনে করি এটা ৫০ শতাশ হবে।’ তবে নিয়ম-শৃঙ্খলায় থাকলে ডায়াবেটিক রোগীদের ভয়ের কারণ নেই বলে মনে করেন মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। জাতি তাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে।’

দিলওয়ার রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিষেশ অতিথি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল অধ্যাপক এ আর খান এবং বারডেম হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুন নাহার।

ডাক্তার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় অধ্যাপক। তিনি ১৯৬৫ সালে ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে বারডেম হাসপাতাল নামে পরিচিত। বাংলাদেশে ডায়াবেটিকস রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ও এর প্রতিকারে তার অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৮৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। কর্মের মাঝে তিনি চিরদির বেঁচে থাকবেন বলে মন্তব্য করেন অনুষ্ঠানের বক্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ডা. ইব্রাহিম স্বর্ণপদক পেলেন অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:১৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণপদক-২০১৮ পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মুক্তিযু্দ্ধ, অর্থনীতি ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় তাকে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

রবিবার দুপুরে শাহবাগে বারডেম হাসপাতাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর হাতে এই পদক তুলে দেয়া হয়। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি পরিষদ দুই বছর পর পর এ স্বর্ণপদক দেয়।

অর্থমন্ত্রীসহ তিনজন এবার এই পদক পেয়েছেন। বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আব্দুল মালিক (অব.) এবং ডায়াবেটিক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সের ইমেরিটাস অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব এই স্বর্ণপদক পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও সবাই বলেন দেশে ডায়াবেটিকে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ শতাংশ, তবে আমি মনে করি এটা ৫০ শতাশ হবে।’ তবে নিয়ম-শৃঙ্খলায় থাকলে ডায়াবেটিক রোগীদের ভয়ের কারণ নেই বলে মনে করেন মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। জাতি তাকে চিরদিন স্মরণ রাখবে।’

দিলওয়ার রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিষেশ অতিথি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল অধ্যাপক এ আর খান এবং বারডেম হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুন নাহার।

ডাক্তার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় অধ্যাপক। তিনি ১৯৬৫ সালে ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে বারডেম হাসপাতাল নামে পরিচিত। বাংলাদেশে ডায়াবেটিকস রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ও এর প্রতিকারে তার অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৮৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। কর্মের মাঝে তিনি চিরদির বেঁচে থাকবেন বলে মন্তব্য করেন অনুষ্ঠানের বক্তারা।