ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

পুরুষ নিষিদ্ধ দ্বীপ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এই আইসল্যান্ডে সব পাবেন, কিন্তু কোনও পুরুষ পাবেন না। আক্ষরিক অর্থেই ‘নো ম্যান’স ল্যান্ড’। আর এই ‘নো ম্যান’স ল্যান্ড’-এর ঠিকানা হলো ফিনল্যান্ড। এটা আসলে একটা দ্বীপ। যার পুরোটাই নারীদের।

অবাক হচ্ছেন? এই দ্বীপে গেলে আরও অবাক হতে পারেন। আপনি যদি কোনও পুরুষ হন, তাহলে অবশ্য এই দ্বীপে আপনার প্রবেশ নিষেধ। কারণ কেবলমাত্র নারীরাই এই দ্বীপে যেতে পারেন।

ক্রিস্টিনা রথ নামে এক নারী এই দ্বীপের মালিক। শুধুমাত্র নারীদের ছুটি কাটানোর জন্যই তিনি এই দ্বীপটিকে সাজিয়ে তুলেছেন। ক্রিস্টিনা একজন বিজনেস কনসালট্যান্ট। ফোর্বসের দ্রুত উন্নতি করা নারীচালিত সংস্থাগুলির তালিকায় রয়েছে তার কোম্পানিও।

কেন হঠাৎ এমন একটা পরিকল্পনা?

রথ জানিয়েছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার কালাবাসাসে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি লক্ষ্য করেন, সুদর্শন পুরুষদের উপস্থিতি নারীদের নিজেদের নিয়ে অনেক বেশি সতর্ক করে তুলছিল। প্রকৃতির সৌন্দর্যে সেখানে মাতোয়ারা হওয়ার কথা। অথচ তা না হয়ে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে নারীরা নিজেদেরই অত্যাধিক সাজিয়ে রাখছিলেন।

নিজের মতো থাকো, নিজের মতো বাঁচো, নিজের ওপর ফোকাস করো— তখন ঠিক এটাই মাথায় আসে ক্রিস্টিনার। পুরুষদের উপস্থিতি যাতে এর অন্তরায় না হয়, তার জন্য নিজের এই দ্বীপ থেকে পুরুষদেরই বাদ দিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এই দ্বীপের নাম সুপারশি আইল্যান্ড। চলতি বছরের জুন মাস থেকেই চালু হয়ে যাবে এই আইল্যান্ড। এখানে আসতে ইচ্ছুক পর্যটকদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। স্কাইপে আবেদনকারীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন স্ক্রিস্টিনা। বলতে পারেন ইচ্ছুক নারী পর্যটকদের একটা ছোটখাটো ইন্টারভিউ নেবেন মালিক নিজেই। তার পরই সিদ্ধান্ত নেবেন ওই ইচ্ছুক নারী আবেদন গ্রহণ করা হবে কি না। পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রকৃতির মধ্যে নারীদের ছুটি কাটানোর সমস্ত আয়োজন তিনি করেছেন এখানে। পাশাপাশি নারীরা এখানে রান্নাও শিখে নিতে পারেন।রয়েছে আরও অনেক কিছু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে এই দ্বীপে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষ নিষিদ্ধ দ্বীপ

আপডেট সময় ০৯:১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এই আইসল্যান্ডে সব পাবেন, কিন্তু কোনও পুরুষ পাবেন না। আক্ষরিক অর্থেই ‘নো ম্যান’স ল্যান্ড’। আর এই ‘নো ম্যান’স ল্যান্ড’-এর ঠিকানা হলো ফিনল্যান্ড। এটা আসলে একটা দ্বীপ। যার পুরোটাই নারীদের।

অবাক হচ্ছেন? এই দ্বীপে গেলে আরও অবাক হতে পারেন। আপনি যদি কোনও পুরুষ হন, তাহলে অবশ্য এই দ্বীপে আপনার প্রবেশ নিষেধ। কারণ কেবলমাত্র নারীরাই এই দ্বীপে যেতে পারেন।

ক্রিস্টিনা রথ নামে এক নারী এই দ্বীপের মালিক। শুধুমাত্র নারীদের ছুটি কাটানোর জন্যই তিনি এই দ্বীপটিকে সাজিয়ে তুলেছেন। ক্রিস্টিনা একজন বিজনেস কনসালট্যান্ট। ফোর্বসের দ্রুত উন্নতি করা নারীচালিত সংস্থাগুলির তালিকায় রয়েছে তার কোম্পানিও।

কেন হঠাৎ এমন একটা পরিকল্পনা?

রথ জানিয়েছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার কালাবাসাসে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি লক্ষ্য করেন, সুদর্শন পুরুষদের উপস্থিতি নারীদের নিজেদের নিয়ে অনেক বেশি সতর্ক করে তুলছিল। প্রকৃতির সৌন্দর্যে সেখানে মাতোয়ারা হওয়ার কথা। অথচ তা না হয়ে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে নারীরা নিজেদেরই অত্যাধিক সাজিয়ে রাখছিলেন।

নিজের মতো থাকো, নিজের মতো বাঁচো, নিজের ওপর ফোকাস করো— তখন ঠিক এটাই মাথায় আসে ক্রিস্টিনার। পুরুষদের উপস্থিতি যাতে এর অন্তরায় না হয়, তার জন্য নিজের এই দ্বীপ থেকে পুরুষদেরই বাদ দিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এই দ্বীপের নাম সুপারশি আইল্যান্ড। চলতি বছরের জুন মাস থেকেই চালু হয়ে যাবে এই আইল্যান্ড। এখানে আসতে ইচ্ছুক পর্যটকদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। স্কাইপে আবেদনকারীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন স্ক্রিস্টিনা। বলতে পারেন ইচ্ছুক নারী পর্যটকদের একটা ছোটখাটো ইন্টারভিউ নেবেন মালিক নিজেই। তার পরই সিদ্ধান্ত নেবেন ওই ইচ্ছুক নারী আবেদন গ্রহণ করা হবে কি না। পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রকৃতির মধ্যে নারীদের ছুটি কাটানোর সমস্ত আয়োজন তিনি করেছেন এখানে। পাশাপাশি নারীরা এখানে রান্নাও শিখে নিতে পারেন।রয়েছে আরও অনেক কিছু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে এই দ্বীপে।