ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তারেকের বাসায় বৈঠক, কঠিন সিদ্ধান্তে বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। আর এ কারণে দেশে-বিদেশে রায় নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এই রায়ের প্রেক্ষিতে বিএনপি কি করবে তা নিয়ে দলটির মধ্যে সঙ্কা কাজ করছে। বর্তমানে দেশে যেমন বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো বৈঠক করছে, অন্যদিকে বিদেশেও এই রায়ের বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী রাজনীতিবিদেরাও বৈঠক করে চলেছেন।

গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপন প্রতিবেদন অনুয়ায়ী জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় গত ২৭ জানুয়ারি একটি বৈঠকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হলে এবং তাকে গ্রেফতার পূর্বক কারাগারে পাঠানো হলে সেই দিন থেকেই সরকার পতনের একদফার দাবিতে দেশে-বিদেশে আন্দোলন কর্মসূচি পালনসহ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, হাউজ অব কমন্স, ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ, অফিসসহ লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সামনে মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় করা সেই বৈঠকে যুক্তরাজ্য বিএনপি, জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর ১০ থেকে ১২ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিবেদনটির ওপর ভিত্তি করে দেশের জন্য করণীয় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গত ৩১ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পুলিশের আইজিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সংস্থাটির সব ইউনিটে এ ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বাংলাদেশে জোর আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বর্তমান সরকারকে খুনি এবং নির্যাতনকারী হিসেবে বহি:বিশ্বের দেশের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা চালানো হবে। এই বৈঠকে আন্দোলনকারী বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো রকম হামলা, গুলি চালায়, তাহলে আন্দোলনকারী কর্মীদের মধ্য থেকে নিজেরাই নিজেদের কোনো নের্তা কর্মীকে কিংবা নিরীহ কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করবে।

এমনকি ওই বৈঠকে আন্দোলন কর্মসূচি পালনকারী নেতাকর্মী গ্রেফতার হলে তাদের পরিবারকে লন্ডন থেকে বিভিন্ন চ্যারিটির মাধ্যমে সহায়তা দিয়ে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের উৎসাহ দেয়ার কথাও সিদ্ধান্ত হয় বলে গোয়েন্দা সংস্থার গোপন ওই প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তারেকের বাসায় বৈঠক, কঠিন সিদ্ধান্তে বিএনপি

আপডেট সময় ০৫:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। আর এ কারণে দেশে-বিদেশে রায় নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এই রায়ের প্রেক্ষিতে বিএনপি কি করবে তা নিয়ে দলটির মধ্যে সঙ্কা কাজ করছে। বর্তমানে দেশে যেমন বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো বৈঠক করছে, অন্যদিকে বিদেশেও এই রায়ের বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী রাজনীতিবিদেরাও বৈঠক করে চলেছেন।

গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপন প্রতিবেদন অনুয়ায়ী জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় গত ২৭ জানুয়ারি একটি বৈঠকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হলে এবং তাকে গ্রেফতার পূর্বক কারাগারে পাঠানো হলে সেই দিন থেকেই সরকার পতনের একদফার দাবিতে দেশে-বিদেশে আন্দোলন কর্মসূচি পালনসহ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, হাউজ অব কমন্স, ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ, অফিসসহ লন্ডনে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সামনে মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় করা সেই বৈঠকে যুক্তরাজ্য বিএনপি, জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর ১০ থেকে ১২ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিবেদনটির ওপর ভিত্তি করে দেশের জন্য করণীয় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গত ৩১ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পুলিশের আইজিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সংস্থাটির সব ইউনিটে এ ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের লন্ডনের বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বাংলাদেশে জোর আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বর্তমান সরকারকে খুনি এবং নির্যাতনকারী হিসেবে বহি:বিশ্বের দেশের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা চালানো হবে। এই বৈঠকে আন্দোলনকারী বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো রকম হামলা, গুলি চালায়, তাহলে আন্দোলনকারী কর্মীদের মধ্য থেকে নিজেরাই নিজেদের কোনো নের্তা কর্মীকে কিংবা নিরীহ কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করবে।

এমনকি ওই বৈঠকে আন্দোলন কর্মসূচি পালনকারী নেতাকর্মী গ্রেফতার হলে তাদের পরিবারকে লন্ডন থেকে বিভিন্ন চ্যারিটির মাধ্যমে সহায়তা দিয়ে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের উৎসাহ দেয়ার কথাও সিদ্ধান্ত হয় বলে গোয়েন্দা সংস্থার গোপন ওই প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।