ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক হচ্ছে: পলক

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সারা দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসব পার্ক নির্মাণের পর তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য দেশেই উৎপাদন হবে। ফলে আমদানি কমে দেশের সাশ্রয় হবে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।

আজ রবিবার দুপুরে সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্কের আইটি বিজনেস সেন্টার এবং ব্রিজ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন ও পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পলক সাংবাদিকদের জানান, দেশে প্রতি বছর সাড়ে ৩ কোটি মোবাইল ফোন এবং ৫ লাখ ল্যাপটপ আমদানি করতে হয়। যার জন্য খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ হলে দেশেই মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ উৎপাদন সম্ভব হবে। ফলে দেশের সাশ্রয় হবে ১ বিলিয়ন ডলার।

সিলেটে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্ক নির্মাণ শেষে এখানে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান পলক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সচিব হোসনে আরা বেগম (এনডিসি), সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, প্রকল্প পরিচালক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার ভুঁইয়া, প্রমুখ।

সরকারের রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১৬২ দশমিক ৮৩ একর জমির ওপর এই পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ১৩৪ কোটি ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬ টাকা ব্যয়ে দেশের দ্বিতীয় হাইটেক পার্কটি নির্মিত হচ্ছে।

২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সিটির আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এই ইলেকট্রনিক সিটিতে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ বলের ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক হচ্ছে: পলক

আপডেট সময় ০৯:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সারা দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসব পার্ক নির্মাণের পর তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য দেশেই উৎপাদন হবে। ফলে আমদানি কমে দেশের সাশ্রয় হবে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।

আজ রবিবার দুপুরে সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্কের আইটি বিজনেস সেন্টার এবং ব্রিজ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন ও পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পলক সাংবাদিকদের জানান, দেশে প্রতি বছর সাড়ে ৩ কোটি মোবাইল ফোন এবং ৫ লাখ ল্যাপটপ আমদানি করতে হয়। যার জন্য খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ হলে দেশেই মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ উৎপাদন সম্ভব হবে। ফলে দেশের সাশ্রয় হবে ১ বিলিয়ন ডলার।

সিলেটে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্ক নির্মাণ শেষে এখানে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান পলক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সচিব হোসনে আরা বেগম (এনডিসি), সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, প্রকল্প পরিচালক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার ভুঁইয়া, প্রমুখ।

সরকারের রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১৬২ দশমিক ৮৩ একর জমির ওপর এই পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ১৩৪ কোটি ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬ টাকা ব্যয়ে দেশের দ্বিতীয় হাইটেক পার্কটি নির্মিত হচ্ছে।

২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সিটির আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এই ইলেকট্রনিক সিটিতে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।