ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ইতিহাসের এই দিনে, ৩১ জানুয়ারি

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (বুধবার) ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

৩১ জানুয়ারি, ২০১৮, বুধবার। ১৮ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ইমাম খোমেনী (রহ) স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

১৯৭৯ সালের এ দিনে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা এবং ইসলামী বিপ্লবের সফল নেতা ইমাম খোমেনী (রহ) পনের বছর পর স্বদেশভূমি ইরানে প্রত্যাবর্তন করেন। ইরানের জনগণ তাদের এই প্রাণপ্রিয় নেতাকে নজিরবিহীন সংবর্ধনা প্রদান করেন। মেহরাবাদ বিমান বন্দরে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেয়ার পর ইমাম খোমেনী (রহ) শাহ বিরোধী সংগ্রামে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তেহরানের উপকন্ঠে অবস্থিত বেহেশতি যাহরা নামে পরিচিত গোরস্তানে গমন করেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ঘোষণা করেন, জনগণের সহায়তায় তিনি ইরানের নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন। তেহরান প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ইমাম খোমেনী (রহ) নেতৃত্বে দশদিনের মধ্যে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সফলতা লাভ করে। এ জন্য সে থেকে প্রতিবছর ইরানে ফার্সি ১২ই বাহমান থেকে ২২ বাহমান পর্যন্ত এ দশদিনকে আলোকোজ্জ্বল দশ প্রভাত হিসেবে যথাযথ মর্যাদার সাথে উদযাপিত হচ্ছে।

রাণী এলিজাবেথের ফরমান বলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত

১৬০০ সালের এ দিনে ইংল্যান্ডের রাণী প্রথম এলিজাবেথের ফরমান বলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়। ষোড়শ শতকের শেষ দিনটিতে এই ফরমান জারী করা হয়। ফরমানে উত্তমাশার প্রণালীর পূর্ব দিকে এবং ম্যাগেলান প্রণালীর পশ্চিমে অবস্থিত সকল দেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে বাণিজ্য করার একচেটিয়া অধিকার প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বাণিজ্য করতে এসে এই কোম্পানীর মাধ্যমেই ভারত সহ আরো অনেক দেশে বৃটিশ উপনিবেশের পত্তন ঘটে। আর এ ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘বণিকের মানদন্ড রাজদন্ডরূপে দেখা দিল পোহাইলে শর্বরী।’ এই কোম্পানী প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন শ বছর পর ভারতবর্ষকে ইংল্যান্ডের অংশ হিসেব ঘোষণা করা হয় এবং রাণী ভিক্টোরিয়া ভারত এবং ইংল্যান্ডের রাণী হিসেবে মুকুট ধারণ করেন।

গাই ফক্স’র আত্মহত্যা

১৬০৬ সালের এ দিনে বৃটিশ সংসদ ভবন উড়িয়ে দেয়ার মূল ষড়যন্ত্রকারী গাই ফক্স আত্মহত্যা করেছিলো। লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিষ্টারে তার প্রাণদন্ড কার্যকর করার কয়েক মুহুর্ত আগে গাই ফক্স সিড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং তার ঘাড় ভেঙ্গে তৎক্ষনাৎ মৃত্যু ঘটে। ১৬০৫ সালের ৫ই নভেম্বর গাই ফক্স সংসদ ভবন উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলো। সংসদ ভবনের নিচে সে প্রায় দুই টন বারুদ জড়ো করতে পেরেছিলো। গাই ফক্স ক্যাথলিক হওয়ার কারণে এই ঘটনার পর বৃটেনে ক্যাথলিক খৃষ্টানদের উপর বেশ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গাই ফক্সের ব্যর্থ ষড়যন্ত্রের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর ৫ই নভেম্বর সমগ্র বৃটেনের আতশবাজি পোড়ানো হয়।

আন্দ্রে-জ্যাকুয়াস গার্নেরিন জন্ম

১৭৬৯ সালের এ দিনে ফরাসি নভোচারী আন্দ্রে-জ্যাকুয়াস গার্নেরিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্যারাস্যুটকে ব্যবহার উপযোগী এবং তৎকালে প্যারাস্যুটের যে সব দোষ-ত্রুটি ছিলো তা দূর করে একে ব্যবহার উপযোগী করার ক্ষেত্রে তার অসামান্য অবদান আছে। বহু উঁচু স্থান থেকে তিনি প্যারাস্যূট নিয়ে লাফ দিয়েছেন। তার আগে কেউ অতো উঁচু থেকে প্যারাস্যুট নিয়ে নিরাপদে লাফ দিতে পারেন নি। গরম বায়ুপূর্ণ বেলুনের সাহায্যে তিনি তিন হাজার ফুট উচু থেকে প্যারাস্যুট দিয়ে লাফ দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বেলুন নিয়ে কাজ করার সময় মাথায় মারাত্মক আঘাত পান এবং ১৮২৩ সালে মাত্র ৪১ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।

হ্যারি এস ট্রুম্যান হাইড্রোজেন বোমা নামে বোমা তৈরির ঘোষনা

১৯৫০ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান হাইড্রোজেন বোমা নামে একটি বোমা তৈরির কর্মসূচির কথা ঘোষণা দেন। জাপানের উপর যে এটম বোমা ফেলা হয়েছিলো হাইড্রোজেন বোমা তার থেকে কয়েকশ গুণ শক্তিশালী বলে ঘোষণা করা হয়। এর মাত্র পাঁচ মাস আগে সোভিয়েত রাশিয়া পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে ছিলো। ফলে পরমাণু অস্ত্রধর দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে একক আধিপত্য ছিলো তার অবসান ঘটে। ১৯৫২ সালের ১লা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপে প্রথম হাইড্রোজন বোমার পরীক্ষা ঘটায়। ১০.৪ মেগাটনের থার্মোনিউক্লিয়ার বোমাটি বিস্ফোরণের সাথে সাথেই দ্বীপটি প্রচন্ড তাপের কারণে বাষ্পীভূত হয়ে মিলিয়ে যায় এবং ওই এলাকায় এক মাইল প্রস্থ এক গভীর খাদের সৃষ্টি হয়। এর মাত্র তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালের ২২ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নও হাইড্রোজেন বোমা বানাতে সক্ষম হয়েছিলো।

  • খারেজীদের বিরুদ্ধে নহরওয়ান যুদ্ধ সংঘটিত (৬৫৯)
  • মোগল সেনাপতি বৈরাম খান নিহত (১৫৬১)
  • সোভিয়েত লাল ফৌজের ১৭ মাস যুদ্ধের পর জার্মানের কাছ থেকে স্তালিনগ্রাদ পুনরুদ্ধার (১৯৪৩)
  • মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত (১৯৫২)
  • নাউরুর স্বাধীনতা লাভ (১৯৬৮)
  • ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ (১৯৭২)
  • নেপালের রাজা বীর বীরেন্দ্র বাহাদুরের মৃত্যু (১৯৭২)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ইতিহাসের এই দিনে, ৩১ জানুয়ারি

আপডেট সময় ০১:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (বুধবার) ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

৩১ জানুয়ারি, ২০১৮, বুধবার। ১৮ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ইমাম খোমেনী (রহ) স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

১৯৭৯ সালের এ দিনে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা এবং ইসলামী বিপ্লবের সফল নেতা ইমাম খোমেনী (রহ) পনের বছর পর স্বদেশভূমি ইরানে প্রত্যাবর্তন করেন। ইরানের জনগণ তাদের এই প্রাণপ্রিয় নেতাকে নজিরবিহীন সংবর্ধনা প্রদান করেন। মেহরাবাদ বিমান বন্দরে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেয়ার পর ইমাম খোমেনী (রহ) শাহ বিরোধী সংগ্রামে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তেহরানের উপকন্ঠে অবস্থিত বেহেশতি যাহরা নামে পরিচিত গোরস্তানে গমন করেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ঘোষণা করেন, জনগণের সহায়তায় তিনি ইরানের নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন। তেহরান প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ইমাম খোমেনী (রহ) নেতৃত্বে দশদিনের মধ্যে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সফলতা লাভ করে। এ জন্য সে থেকে প্রতিবছর ইরানে ফার্সি ১২ই বাহমান থেকে ২২ বাহমান পর্যন্ত এ দশদিনকে আলোকোজ্জ্বল দশ প্রভাত হিসেবে যথাযথ মর্যাদার সাথে উদযাপিত হচ্ছে।

রাণী এলিজাবেথের ফরমান বলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত

১৬০০ সালের এ দিনে ইংল্যান্ডের রাণী প্রথম এলিজাবেথের ফরমান বলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হয়। ষোড়শ শতকের শেষ দিনটিতে এই ফরমান জারী করা হয়। ফরমানে উত্তমাশার প্রণালীর পূর্ব দিকে এবং ম্যাগেলান প্রণালীর পশ্চিমে অবস্থিত সকল দেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে বাণিজ্য করার একচেটিয়া অধিকার প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বাণিজ্য করতে এসে এই কোম্পানীর মাধ্যমেই ভারত সহ আরো অনেক দেশে বৃটিশ উপনিবেশের পত্তন ঘটে। আর এ ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘বণিকের মানদন্ড রাজদন্ডরূপে দেখা দিল পোহাইলে শর্বরী।’ এই কোম্পানী প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন শ বছর পর ভারতবর্ষকে ইংল্যান্ডের অংশ হিসেব ঘোষণা করা হয় এবং রাণী ভিক্টোরিয়া ভারত এবং ইংল্যান্ডের রাণী হিসেবে মুকুট ধারণ করেন।

গাই ফক্স’র আত্মহত্যা

১৬০৬ সালের এ দিনে বৃটিশ সংসদ ভবন উড়িয়ে দেয়ার মূল ষড়যন্ত্রকারী গাই ফক্স আত্মহত্যা করেছিলো। লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিষ্টারে তার প্রাণদন্ড কার্যকর করার কয়েক মুহুর্ত আগে গাই ফক্স সিড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং তার ঘাড় ভেঙ্গে তৎক্ষনাৎ মৃত্যু ঘটে। ১৬০৫ সালের ৫ই নভেম্বর গাই ফক্স সংসদ ভবন উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলো। সংসদ ভবনের নিচে সে প্রায় দুই টন বারুদ জড়ো করতে পেরেছিলো। গাই ফক্স ক্যাথলিক হওয়ার কারণে এই ঘটনার পর বৃটেনে ক্যাথলিক খৃষ্টানদের উপর বেশ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গাই ফক্সের ব্যর্থ ষড়যন্ত্রের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর ৫ই নভেম্বর সমগ্র বৃটেনের আতশবাজি পোড়ানো হয়।

আন্দ্রে-জ্যাকুয়াস গার্নেরিন জন্ম

১৭৬৯ সালের এ দিনে ফরাসি নভোচারী আন্দ্রে-জ্যাকুয়াস গার্নেরিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্যারাস্যুটকে ব্যবহার উপযোগী এবং তৎকালে প্যারাস্যুটের যে সব দোষ-ত্রুটি ছিলো তা দূর করে একে ব্যবহার উপযোগী করার ক্ষেত্রে তার অসামান্য অবদান আছে। বহু উঁচু স্থান থেকে তিনি প্যারাস্যূট নিয়ে লাফ দিয়েছেন। তার আগে কেউ অতো উঁচু থেকে প্যারাস্যুট নিয়ে নিরাপদে লাফ দিতে পারেন নি। গরম বায়ুপূর্ণ বেলুনের সাহায্যে তিনি তিন হাজার ফুট উচু থেকে প্যারাস্যুট দিয়ে লাফ দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বেলুন নিয়ে কাজ করার সময় মাথায় মারাত্মক আঘাত পান এবং ১৮২৩ সালে মাত্র ৪১ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।

হ্যারি এস ট্রুম্যান হাইড্রোজেন বোমা নামে বোমা তৈরির ঘোষনা

১৯৫০ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান হাইড্রোজেন বোমা নামে একটি বোমা তৈরির কর্মসূচির কথা ঘোষণা দেন। জাপানের উপর যে এটম বোমা ফেলা হয়েছিলো হাইড্রোজেন বোমা তার থেকে কয়েকশ গুণ শক্তিশালী বলে ঘোষণা করা হয়। এর মাত্র পাঁচ মাস আগে সোভিয়েত রাশিয়া পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে ছিলো। ফলে পরমাণু অস্ত্রধর দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে একক আধিপত্য ছিলো তার অবসান ঘটে। ১৯৫২ সালের ১লা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপে প্রথম হাইড্রোজন বোমার পরীক্ষা ঘটায়। ১০.৪ মেগাটনের থার্মোনিউক্লিয়ার বোমাটি বিস্ফোরণের সাথে সাথেই দ্বীপটি প্রচন্ড তাপের কারণে বাষ্পীভূত হয়ে মিলিয়ে যায় এবং ওই এলাকায় এক মাইল প্রস্থ এক গভীর খাদের সৃষ্টি হয়। এর মাত্র তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালের ২২ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নও হাইড্রোজেন বোমা বানাতে সক্ষম হয়েছিলো।

  • খারেজীদের বিরুদ্ধে নহরওয়ান যুদ্ধ সংঘটিত (৬৫৯)
  • মোগল সেনাপতি বৈরাম খান নিহত (১৫৬১)
  • সোভিয়েত লাল ফৌজের ১৭ মাস যুদ্ধের পর জার্মানের কাছ থেকে স্তালিনগ্রাদ পুনরুদ্ধার (১৯৪৩)
  • মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত (১৯৫২)
  • নাউরুর স্বাধীনতা লাভ (১৯৬৮)
  • ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ (১৯৭২)
  • নেপালের রাজা বীর বীরেন্দ্র বাহাদুরের মৃত্যু (১৯৭২)