ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বাংলাদেশ বিশ্বের কম ঋণগ্রস্ত দেশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম ঋণগ্রস্ত দেশ বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, এমনকি চীন-জাপানের মতো দেশও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি ঋণগ্রস্ত।

আজ সোমবার বিকালে আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই)পরিচালনা পর্ষদের নেতারা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ কথা বলেন তিনি। নতুন এ পর্ষদের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি আবুল কাসেম খান।

পরিকল্পনামন্ত্রী ঋণগ্রস্ততার পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, চীন ২৮৫ শতাংশ ও জাপান ৪২০ শতাংশ ঋণগ্রস্ত। সেখানে বাংলাদেশ ঋণগ্রস্ত ৪২ শতাংশ।

বাংলাদেশে ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নত হয়েছে এবং দ্রুতই আরো সুন্দর হবে বলে মন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের জানান। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে পারি এ বছরের শেষে বাংলাদেশের মতো এত সুন্দর ব্যবসায়ের পরিবেশ কোনো দেশে পাওয়া যাবে না। তখন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জোর করে বিদেশে ব্যবসা করার জন্য বললেও তারা যাবে না।’

এ সময় মন্ত্রী নিজের ব্যবসার সফলতার কথা তুলে ধরেন। ‘আমি যখন ব্যবসা করতাম কখনো লস করিনি। এ দেশে ব্যবসার মাধ্যমে আয় করা সহজ। ব্যবসায় লোকসান করতে বরং পরিকল্পনা লাগে।’

দেশের যোগ্য মানবসম্পদের কথা উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল ব্যবস্থাপক পর‌্যায়ে বেশি করে তাদের নিয়োগের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় ম্যানেজার লেবেলে ৩৭ শতাংশ লোক বাংলাদেশি। আমাদের দেশের লোকেরা যোগ্য এটা প্রমাণিত। তাদের সুযোগ দিতে হবে।’

ব্যবসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কিছু সমস্যা ও সংকট উত্তরণে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বন্দরে যে অসুবিধা আছে সেগুলো নিরসন করা হবে। আবকাঠামোগত যত সুযোগ আছে সবই ব্যবসায়ীদের দেয়া হবে। ট্যাক্স রেট এত কম হবে সেটা কল্পনাও করতে পারবেন না।’ ব্যবসা শুরু করতে মূল যে সমস্যা গ্যাস, সেটিও সমাধান হয়ে যাচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

সৌজন্য সাক্ষাতের সময় ডিসিসিআইর সভাপতি আবুল কাসেম খান একটি লিখিত প্রস্তাবমালা মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সেখানে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ব্যবসা ও বাণিজ্য প্রসার নীতিমালা, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলো কমাতে পারলে আগামী বছর ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে। কিন্তু বিশ্বব্যাংকের ডুইং বিজনেস ইনডেক্সে (ব্যবসা করার পরিবেশ) বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৭। অথচ প্রতিবেশী ভুটান (৭৫), ভারত (১০০), পাকিস্তানের (১৪৭) অবস্থান বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

বাংলাদেশ বিশ্বের কম ঋণগ্রস্ত দেশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:২১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম ঋণগ্রস্ত দেশ বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, এমনকি চীন-জাপানের মতো দেশও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি ঋণগ্রস্ত।

আজ সোমবার বিকালে আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই)পরিচালনা পর্ষদের নেতারা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ কথা বলেন তিনি। নতুন এ পর্ষদের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি আবুল কাসেম খান।

পরিকল্পনামন্ত্রী ঋণগ্রস্ততার পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, চীন ২৮৫ শতাংশ ও জাপান ৪২০ শতাংশ ঋণগ্রস্ত। সেখানে বাংলাদেশ ঋণগ্রস্ত ৪২ শতাংশ।

বাংলাদেশে ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নত হয়েছে এবং দ্রুতই আরো সুন্দর হবে বলে মন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের জানান। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে পারি এ বছরের শেষে বাংলাদেশের মতো এত সুন্দর ব্যবসায়ের পরিবেশ কোনো দেশে পাওয়া যাবে না। তখন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জোর করে বিদেশে ব্যবসা করার জন্য বললেও তারা যাবে না।’

এ সময় মন্ত্রী নিজের ব্যবসার সফলতার কথা তুলে ধরেন। ‘আমি যখন ব্যবসা করতাম কখনো লস করিনি। এ দেশে ব্যবসার মাধ্যমে আয় করা সহজ। ব্যবসায় লোকসান করতে বরং পরিকল্পনা লাগে।’

দেশের যোগ্য মানবসম্পদের কথা উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল ব্যবস্থাপক পর‌্যায়ে বেশি করে তাদের নিয়োগের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় ম্যানেজার লেবেলে ৩৭ শতাংশ লোক বাংলাদেশি। আমাদের দেশের লোকেরা যোগ্য এটা প্রমাণিত। তাদের সুযোগ দিতে হবে।’

ব্যবসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কিছু সমস্যা ও সংকট উত্তরণে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বন্দরে যে অসুবিধা আছে সেগুলো নিরসন করা হবে। আবকাঠামোগত যত সুযোগ আছে সবই ব্যবসায়ীদের দেয়া হবে। ট্যাক্স রেট এত কম হবে সেটা কল্পনাও করতে পারবেন না।’ ব্যবসা শুরু করতে মূল যে সমস্যা গ্যাস, সেটিও সমাধান হয়ে যাচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

সৌজন্য সাক্ষাতের সময় ডিসিসিআইর সভাপতি আবুল কাসেম খান একটি লিখিত প্রস্তাবমালা মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সেখানে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ব্যবসা ও বাণিজ্য প্রসার নীতিমালা, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলো কমাতে পারলে আগামী বছর ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে। কিন্তু বিশ্বব্যাংকের ডুইং বিজনেস ইনডেক্সে (ব্যবসা করার পরিবেশ) বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৭। অথচ প্রতিবেশী ভুটান (৭৫), ভারত (১০০), পাকিস্তানের (১৪৭) অবস্থান বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।