অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
নিজের তের বছরের মেয়ের সতীত্ব বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন রাশিয়ার এক নারী। রাশিয়া জুড়ে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ১৩ বছরের সেই কন্যাকে সরকারি হোমে রাখা হয়েছে। তার পরিচর্যার জন্য মনোবিদের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩৫ বছরের সেই নারী রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কের বাসিন্দা ছিলেন। এক সময় তিনি স্থানীয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাও জিতেছিল। তবে বর্তমানে তার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই তিনি নিজের এক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারেন দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িত চক্রের কথা। যেখানে মেয়েদের সতীত্ব নিলামে ওঠে। টাকার জন্য তিনি নিজের ১৩ বছরের কন্যাকে সেখানে নিলামে তোলেন।
এই চক্রের খোঁজ রাশিয়ার পুলিশও বহুদিন ধরে চালাচ্ছিল। সেই সুবাদেই ১৩ বছরের নাবালিকার নিলামে ওঠার কথা জানতে পারেন গোয়েন্দারা। আর সেই নারীর জন্য ফাঁদ পাতা হয়েছিল। যে বন্ধুর মাধ্যমে সেই নারী নিজের মেয়ের সতীত্ব নিলামে তুলেছিল তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। জানানো হয়, একজন ধনী ক্রেতা পাওয়া গেছে। ১৯,১০০ ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময়ে সে ১৩ বছরের কন্যার সতীত্ব পেতে চান। এর জন্য তাকে মস্কো আসতে হবে।
নিজের সঙ্গী ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে মস্কো চলেও আসেন সেই নারী। তাকে এক নির্দিষ্ট স্থানে আসতে বলা হয়েছিল। সেখানে মেয়ের সতীত্বের বিনিময়ে টাকা নিতেই ওই নারীকে হাতেনাতে ধরা হয়। প্রথমে তিনি অস্বীকার করলেও পরে পুলিশের জেরার মুখে নিজের দোষ স্বীকার করে নেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























