ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না যে জাতি সংগীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি মানসিকভাবে বেশি উন্নত: সংস্কৃতি মন্ত্রী হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে সংসদে উত্তেজনা ১১ মাসে রাজস্ব বোর্ডের রেকর্ড পরিমাণ শুল্ক-কর আদায় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত ধর্ষণ চেষ্টার পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, বৃদ্ধ গ্রেফতার মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের ৭৫০ বর্গফুট পতাকা শোডাউন শিশুকে অপহরণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

শপথ নিলেন রসিক মেয়র মোস্তাফিজার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে হারিয়ে গত রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। আজ বৃহস্পতিবার তিনি পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের জন্য শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে। ভোটের প্রায় এক মাস পর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ে রংপুরের নতুন মেয়রকে শপথ পড়ান।

একই অনুষ্ঠানে রংপুর সিটির ৩৩ জন কাউন্সিল এবং ১১ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলকে শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ সময় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা।

গত ২১ ডিসেম্বর দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচনে লাঙ্গলের প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু নৌকা প্রতীকে পান ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। তৃতীয় স্থানে থাকা বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা ধানের শীষ প্রতীকে ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট পান।

শপথের পর প্রধানমন্ত্রী রংপুরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণের সেবা করবেন এবং আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন। উন্নয়নের কাজটা যেন ভালোভাবে চলে।’

তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে এক সময় মদ্ধার কারণে মানুষকে ভুগতে হত, অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্য লঙ্গরখানা খুলতে হত, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌‘এখন আর মঙ্গা নেই… মঙ্গা আমরা দূর করতে পেরেছি। এখনও অনেক কাজ বাকি, কোনো মানুষ গরিব থাকবে না। কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না।’

উল্লেখ্য যে,২০০৯ সালে রংপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। পাঁচ বছর আগে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তৃণমূল জাপা গঠনের উদ্যোগ নিলেও এখন তিনি মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না

শপথ নিলেন রসিক মেয়র মোস্তাফিজার

আপডেট সময় ০৪:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে হারিয়ে গত রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। আজ বৃহস্পতিবার তিনি পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের জন্য শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে। ভোটের প্রায় এক মাস পর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ে রংপুরের নতুন মেয়রকে শপথ পড়ান।

একই অনুষ্ঠানে রংপুর সিটির ৩৩ জন কাউন্সিল এবং ১১ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলকে শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ সময় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা।

গত ২১ ডিসেম্বর দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচনে লাঙ্গলের প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু নৌকা প্রতীকে পান ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। তৃতীয় স্থানে থাকা বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা ধানের শীষ প্রতীকে ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট পান।

শপথের পর প্রধানমন্ত্রী রংপুরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণের সেবা করবেন এবং আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন। উন্নয়নের কাজটা যেন ভালোভাবে চলে।’

তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে এক সময় মদ্ধার কারণে মানুষকে ভুগতে হত, অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্য লঙ্গরখানা খুলতে হত, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌‘এখন আর মঙ্গা নেই… মঙ্গা আমরা দূর করতে পেরেছি। এখনও অনেক কাজ বাকি, কোনো মানুষ গরিব থাকবে না। কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না।’

উল্লেখ্য যে,২০০৯ সালে রংপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। পাঁচ বছর আগে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তৃণমূল জাপা গঠনের উদ্যোগ নিলেও এখন তিনি মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি।