ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

যুক্তরাষ্ট্রকে ছেড়ে চার দেশে ঝুঁকছে পাকিস্তান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইট ও অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষেপেছে মিত্র দেশ পাকিস্তান। দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চার বন্ধু দেশ- চীন, তুরস্ক, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের একটি বিশ্বস্ত সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

জানা গেছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর বেশিরভাগ সামরিক সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। কিন্তু দেশটি তার নয়া সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে গানবোট ও সাবমেরিন চীনের কাছ থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকে হেলিকপ্টার গানশিপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে রণতরী কেনার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। এ ছাড়া চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ।

সূত্রটি জানিয়েছে, পাকিস্তান বেশ কয়েক মাস আগে থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য সেনা ক্যাডেটদের আমেরিকায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনী বর্তমানে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এফ-১৭ জঙ্গিবিমান ব্যবহার করছে।

এ ছাড়া এই বিমানের চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গিবিমান নির্মাণের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ আনে। এর পর থেকে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ১ জানুয়ারি নতুন বছরে নিজের প্রথম টুইটার বার্তায় আফগান সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেন। সেইসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক অনুদান বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

যুক্তরাষ্ট্রকে ছেড়ে চার দেশে ঝুঁকছে পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইট ও অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষেপেছে মিত্র দেশ পাকিস্তান। দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চার বন্ধু দেশ- চীন, তুরস্ক, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের একটি বিশ্বস্ত সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

জানা গেছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর বেশিরভাগ সামরিক সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। কিন্তু দেশটি তার নয়া সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে গানবোট ও সাবমেরিন চীনের কাছ থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকে হেলিকপ্টার গানশিপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে রণতরী কেনার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। এ ছাড়া চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ।

সূত্রটি জানিয়েছে, পাকিস্তান বেশ কয়েক মাস আগে থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য সেনা ক্যাডেটদের আমেরিকায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনী বর্তমানে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এফ-১৭ জঙ্গিবিমান ব্যবহার করছে।

এ ছাড়া এই বিমানের চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গিবিমান নির্মাণের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ আনে। এর পর থেকে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ১ জানুয়ারি নতুন বছরে নিজের প্রথম টুইটার বার্তায় আফগান সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেন। সেইসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক অনুদান বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।