ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের মধ্যে কাঁচপুর বাস টার্মিনালের কাজ শেষ হবে: প্রতিমন্ত্রী খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্তকে গণধোলাই তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার নিয়ম না মানলে কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের : বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক হরমুজ প্রণালিতে টোল নিচ্ছে না ইরান, জানালেন ট্রাম্প ২০২৭ থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষাও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে: শিক্ষামন্ত্রী মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায় কর বসাচ্ছে সরকার ১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা দিলেন কিম জং উন

খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্তকে গণধোলাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আমির উদ্দিন (৪০) নামে এক রেস্টুরেন্ট মালিককে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা সদরের ভেড়ামারা ব্রিজ এলাকার একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বছর খানেক আগে মানিক নামের এক ব্যক্তি ঘাঘট নদীর পাড়ে নির্জন স্থানে জাফলং চাইনিজ নামের একটি রেস্টুরেন্ট খুলেন। চারপাশে সুরক্ষিত ছোট ছোট খুপড়ি ঘর তৈরি করেন। ফাস্টফুট ও চাইনিজ খাবার বিক্রির নামে নারীদের দিয়ে সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ শুরু করেন। গড়ে তুলেন জুয়া, মদসহ নানা মাদক দ্রব্য সেবন ও বিক্রির ব্যবস্থা। মাদক গ্রহণ করতে গাইবান্ধা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকাসক্তরা রাতদিন সেখানে আসর জমিয়ে তোলে। চলে অসামাজিক কার্যকালাপ।

ওই রেস্টুরেন্টের ভাড়াটে মালিক আমির উদ্দিন বুধবার সকালে স্থানীয় প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে চাইনিজ ও ফাস্টফুড খাওয়ানোর কথা বলে রেস্টুরেন্টের নির্জন গোপন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তার হাত থেকে ছাড়া পেয়ে শিশুটি দৌড়ে বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে আমির উদ্দিনকে ধরে ফেলেন। এরপর বিক্ষুদ্ধ জনতা রেস্টুরেন্টটি চারদিক থেকে ঘিরে ভাঙচুর শুরু করে। এভাবে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে ভাঙচুর ও গণধোলাই।

খবর পেয়ে পুলিশ জনতার রোষানল থেকে অভিযুক্ত আমির উদ্দিনকে উদ্ধার করে গোপনে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে যায়। পরে লোকজন জানতে পারে তাকে রেস্টুরেন্টের পেছনের রাস্তা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারী-পুরুষ আরও বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। তারা রেস্টুরেন্টটি ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেয়।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, জনরোষ থেকে ধর্ষককে আমরা কৌশলে জীবন্ত আটক করে থানায় এনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছয় মাসের মধ্যে কাঁচপুর বাস টার্মিনালের কাজ শেষ হবে: প্রতিমন্ত্রী

খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্তকে গণধোলাই

আপডেট সময় ০৭:২০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আমির উদ্দিন (৪০) নামে এক রেস্টুরেন্ট মালিককে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা সদরের ভেড়ামারা ব্রিজ এলাকার একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বছর খানেক আগে মানিক নামের এক ব্যক্তি ঘাঘট নদীর পাড়ে নির্জন স্থানে জাফলং চাইনিজ নামের একটি রেস্টুরেন্ট খুলেন। চারপাশে সুরক্ষিত ছোট ছোট খুপড়ি ঘর তৈরি করেন। ফাস্টফুট ও চাইনিজ খাবার বিক্রির নামে নারীদের দিয়ে সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ শুরু করেন। গড়ে তুলেন জুয়া, মদসহ নানা মাদক দ্রব্য সেবন ও বিক্রির ব্যবস্থা। মাদক গ্রহণ করতে গাইবান্ধা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকাসক্তরা রাতদিন সেখানে আসর জমিয়ে তোলে। চলে অসামাজিক কার্যকালাপ।

ওই রেস্টুরেন্টের ভাড়াটে মালিক আমির উদ্দিন বুধবার সকালে স্থানীয় প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে চাইনিজ ও ফাস্টফুড খাওয়ানোর কথা বলে রেস্টুরেন্টের নির্জন গোপন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তার হাত থেকে ছাড়া পেয়ে শিশুটি দৌড়ে বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে আমির উদ্দিনকে ধরে ফেলেন। এরপর বিক্ষুদ্ধ জনতা রেস্টুরেন্টটি চারদিক থেকে ঘিরে ভাঙচুর শুরু করে। এভাবে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে ভাঙচুর ও গণধোলাই।

খবর পেয়ে পুলিশ জনতার রোষানল থেকে অভিযুক্ত আমির উদ্দিনকে উদ্ধার করে গোপনে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে যায়। পরে লোকজন জানতে পারে তাকে রেস্টুরেন্টের পেছনের রাস্তা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারী-পুরুষ আরও বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। তারা রেস্টুরেন্টটি ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেয়।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, জনরোষ থেকে ধর্ষককে আমরা কৌশলে জীবন্ত আটক করে থানায় এনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।