ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আসামে কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ করেনি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘ভারতের আসামে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে ঘটেনি। আসাম সরকার যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খকে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

শনিবার প্রকাশিত দৈনিক যুগশঙ্খের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তৈরিতে আসাম সরকার যাই বলুক না কেন, সে রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে, এ কথা মানতে নারাজ বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। কলকাতায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আসাম সরকারের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, বিগত ৪৫ বছরে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরাসহ ভারতের সঙ্গে লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি। তাই বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন, এমন কোনও ইতিহাস নেই।

পত্রিকাটিকে ইনু বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে জানতে পারছি যে, আসামে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে একটি তালিকা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে কোনও বার্তা পায়নি নয়াদিল্লির কাছ থেকে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আসাম সরকার কী করছে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিষয়টি আমাদের জানান, তবে আমরা এটা নিয়ে সরকারিভাবে আলোচনা করব।

উল্লেখ্য, আসামে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের চিহিৃত করতেই গত ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম এনআরসির খসড়া (নাগরিক তালিক) প্রকাশ করে আসাম সরকার। ওই তালিকায় অর্ন্তভুক্তের জনর‌্য আবেদন করেছিলেন মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রাথমিক খসড়ার প্রথম তালিকায় নাম উঠেছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম। অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে বাকি ১ কোটি ৩৯ লক্ষ নাগরিকের নাম।