আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কিউবায় তেল রপ্তানি করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার জারি করা এক নির্বাহী আদেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। তবে শুল্কের হার কত হবে বা কোন কোন দেশ এর আওতায় পড়বে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রীর ওপর।
দীর্ঘদিন ধরে কিউবার তেলের বড় একটি অংশ আসত ভেনেজুয়েলা থেকে। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর দেশটির তেল রপ্তানির পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কিউবার তেল সরবরাহ সংকট আরও গভীর হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প কিউবাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘দেরি হওয়ার আগেই তাদের একটি সমঝোতায় পৌঁছানো উচিত।’ তবে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী ধরনের চুক্তি করতে চায়, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি ওয়াশিংটন।
এদিকে ট্রাম্পের এ ঘোষণার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হাভানা। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে কিউবা ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে ‘নিষ্ঠুর আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “৬৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিউবা ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ ও নিষ্ঠুর অর্থনৈতিক অবরোধের শিকার।”
উল্লেখ্য, ১৯৬২ সাল থেকেই কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 








