ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আহত ছেলে

পিলখানা মামলার সেই তোরাব আলী মারা গেছেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় আলোচিত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী মারা গেছেন। শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তোরাব আলী মেডিকেলের করোনারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন।

বিডিআর বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এই আওয়ামী লীগ নেতা বিচারিক আদালত থেকে যাবজ্জীবন পেয়েছিলেন। গত ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে তিনি খালাস পান। তবে খালাসের কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছায় তিনি এতদিন কারাবন্দিই ছিলেন।

তোরাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার বাসায় ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিটিং হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক আসামি তার জবানবন্দিতে এই কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তোরাব আলী নিজেও ১৬৪ ধারায় বলেছিলেন, প্রাইম কোচিং সেন্টারের মালিক জাকির তাকে বলেছিলেন, পিলখানায় ২৫ তারিখ গণ্ডগোল হবে।’

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পিলখানা হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী এবং বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান।

এই রায়ের বিরুদ্ধে তোরাব আলী এবং পিন্টু আপিল করেন। বিচার চলাকালে বন্দী অবস্থায় মারা যাওয়ায় পিন্টুর তার নাম বাদ পড়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সে সময়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদরদপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ করে সৈনিকরা। দুই দিনের বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনী পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ৫৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার তথ্য জানা যায়।

অস্ত্র সমর্পণের আগেই বহু বিদ্রোহী পিলখানা থেকে পালিয়ে যায়। পিন্টু ও তোরাব আলী এই সময় বিদ্রোহীদের সহায়তা করেন বলে সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। পরে দুইজনকেই আসামি করা হয় এবং তারা গ্রেপ্তার হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

পিলখানা মামলার সেই তোরাব আলী মারা গেছেন

আপডেট সময় ১২:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় আলোচিত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী মারা গেছেন। শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তোরাব আলী মেডিকেলের করোনারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন।

বিডিআর বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এই আওয়ামী লীগ নেতা বিচারিক আদালত থেকে যাবজ্জীবন পেয়েছিলেন। গত ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে তিনি খালাস পান। তবে খালাসের কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছায় তিনি এতদিন কারাবন্দিই ছিলেন।

তোরাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার বাসায় ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিটিং হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক আসামি তার জবানবন্দিতে এই কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তোরাব আলী নিজেও ১৬৪ ধারায় বলেছিলেন, প্রাইম কোচিং সেন্টারের মালিক জাকির তাকে বলেছিলেন, পিলখানায় ২৫ তারিখ গণ্ডগোল হবে।’

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পিলখানা হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী এবং বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান।

এই রায়ের বিরুদ্ধে তোরাব আলী এবং পিন্টু আপিল করেন। বিচার চলাকালে বন্দী অবস্থায় মারা যাওয়ায় পিন্টুর তার নাম বাদ পড়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সে সময়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদরদপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ করে সৈনিকরা। দুই দিনের বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনী পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ৫৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার তথ্য জানা যায়।

অস্ত্র সমর্পণের আগেই বহু বিদ্রোহী পিলখানা থেকে পালিয়ে যায়। পিন্টু ও তোরাব আলী এই সময় বিদ্রোহীদের সহায়তা করেন বলে সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। পরে দুইজনকেই আসামি করা হয় এবং তারা গ্রেপ্তার হন।