ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

পিলখানা মামলার সেই তোরাব আলী মারা গেছেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় আলোচিত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী মারা গেছেন। শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তোরাব আলী মেডিকেলের করোনারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন।

বিডিআর বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এই আওয়ামী লীগ নেতা বিচারিক আদালত থেকে যাবজ্জীবন পেয়েছিলেন। গত ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে তিনি খালাস পান। তবে খালাসের কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছায় তিনি এতদিন কারাবন্দিই ছিলেন।

তোরাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার বাসায় ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিটিং হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক আসামি তার জবানবন্দিতে এই কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তোরাব আলী নিজেও ১৬৪ ধারায় বলেছিলেন, প্রাইম কোচিং সেন্টারের মালিক জাকির তাকে বলেছিলেন, পিলখানায় ২৫ তারিখ গণ্ডগোল হবে।’

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পিলখানা হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী এবং বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান।

এই রায়ের বিরুদ্ধে তোরাব আলী এবং পিন্টু আপিল করেন। বিচার চলাকালে বন্দী অবস্থায় মারা যাওয়ায় পিন্টুর তার নাম বাদ পড়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সে সময়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদরদপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ করে সৈনিকরা। দুই দিনের বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনী পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ৫৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার তথ্য জানা যায়।

অস্ত্র সমর্পণের আগেই বহু বিদ্রোহী পিলখানা থেকে পালিয়ে যায়। পিন্টু ও তোরাব আলী এই সময় বিদ্রোহীদের সহায়তা করেন বলে সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। পরে দুইজনকেই আসামি করা হয় এবং তারা গ্রেপ্তার হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পিলখানা মামলার সেই তোরাব আলী মারা গেছেন

আপডেট সময় ১২:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় আলোচিত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী মারা গেছেন। শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তোরাব আলী মেডিকেলের করোনারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন।

বিডিআর বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এই আওয়ামী লীগ নেতা বিচারিক আদালত থেকে যাবজ্জীবন পেয়েছিলেন। গত ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে তিনি খালাস পান। তবে খালাসের কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছায় তিনি এতদিন কারাবন্দিই ছিলেন।

তোরাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার বাসায় ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিটিং হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক আসামি তার জবানবন্দিতে এই কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তোরাব আলী নিজেও ১৬৪ ধারায় বলেছিলেন, প্রাইম কোচিং সেন্টারের মালিক জাকির তাকে বলেছিলেন, পিলখানায় ২৫ তারিখ গণ্ডগোল হবে।’

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পিলখানা হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী এবং বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান।

এই রায়ের বিরুদ্ধে তোরাব আলী এবং পিন্টু আপিল করেন। বিচার চলাকালে বন্দী অবস্থায় মারা যাওয়ায় পিন্টুর তার নাম বাদ পড়ে যায়।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সে সময়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদরদপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ করে সৈনিকরা। দুই দিনের বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনী পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর ৫৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার তথ্য জানা যায়।

অস্ত্র সমর্পণের আগেই বহু বিদ্রোহী পিলখানা থেকে পালিয়ে যায়। পিন্টু ও তোরাব আলী এই সময় বিদ্রোহীদের সহায়তা করেন বলে সে সময় গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। পরে দুইজনকেই আসামি করা হয় এবং তারা গ্রেপ্তার হন।