ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জাতিসংঘের বিশেষ দূতকে মিয়ানমার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সরকার বলছে, তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী ইয়াংহি লি-কে আর সে দেশে ঢুকতে দেবে না। খবর বিবিসির। বুধবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি বলছেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা তাকে আর সহায়তা করবে না।

তিনি বলেন, তাকে মিয়ানমারে ঢোকার অনুমতি না দেয়ার মধ্য দিয়ে ‘এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রাখাইন প্রদেশে নিশ্চয় শোচনীয় কোন ঘটনা ঘটছে।’ আগামী মাসে ইয়াংহি লি’র মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিল। ঐ সফরের সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ মিয়ানমারের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার কথা ছিল।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, লি সর্বশেষ মিয়ানমার গিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। এর পরপরই রাখাইন থেকে রোহিঙ্গারা ব্যাপক সংখ্যায় পালাতে শুরু করেন। এ সপ্তাহের গোড়াতে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বিবিসিকে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্য মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

জাতিসংঘের বিশেষ দূতকে মিয়ানমার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৯:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সরকার বলছে, তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী ইয়াংহি লি-কে আর সে দেশে ঢুকতে দেবে না। খবর বিবিসির। বুধবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি বলছেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা তাকে আর সহায়তা করবে না।

তিনি বলেন, তাকে মিয়ানমারে ঢোকার অনুমতি না দেয়ার মধ্য দিয়ে ‘এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রাখাইন প্রদেশে নিশ্চয় শোচনীয় কোন ঘটনা ঘটছে।’ আগামী মাসে ইয়াংহি লি’র মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিল। ঐ সফরের সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ মিয়ানমারের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার কথা ছিল।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, লি সর্বশেষ মিয়ানমার গিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। এর পরপরই রাখাইন থেকে রোহিঙ্গারা ব্যাপক সংখ্যায় পালাতে শুরু করেন। এ সপ্তাহের গোড়াতে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বিবিসিকে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্য মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা যেতে পারে।