ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাতিসংঘের বিশেষ দূতকে মিয়ানমার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সরকার বলছে, তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী ইয়াংহি লি-কে আর সে দেশে ঢুকতে দেবে না। খবর বিবিসির। বুধবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি বলছেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা তাকে আর সহায়তা করবে না।

তিনি বলেন, তাকে মিয়ানমারে ঢোকার অনুমতি না দেয়ার মধ্য দিয়ে ‘এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রাখাইন প্রদেশে নিশ্চয় শোচনীয় কোন ঘটনা ঘটছে।’ আগামী মাসে ইয়াংহি লি’র মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিল। ঐ সফরের সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ মিয়ানমারের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার কথা ছিল।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, লি সর্বশেষ মিয়ানমার গিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। এর পরপরই রাখাইন থেকে রোহিঙ্গারা ব্যাপক সংখ্যায় পালাতে শুরু করেন। এ সপ্তাহের গোড়াতে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বিবিসিকে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্য মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জাতিসংঘের বিশেষ দূতকে মিয়ানমার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৯:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সরকার বলছে, তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী ইয়াংহি লি-কে আর সে দেশে ঢুকতে দেবে না। খবর বিবিসির। বুধবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত লি বলছেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা তাকে আর সহায়তা করবে না।

তিনি বলেন, তাকে মিয়ানমারে ঢোকার অনুমতি না দেয়ার মধ্য দিয়ে ‘এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রাখাইন প্রদেশে নিশ্চয় শোচনীয় কোন ঘটনা ঘটছে।’ আগামী মাসে ইয়াংহি লি’র মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিল। ঐ সফরের সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ মিয়ানমারের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার কথা ছিল।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, লি সর্বশেষ মিয়ানমার গিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। এর পরপরই রাখাইন থেকে রোহিঙ্গারা ব্যাপক সংখ্যায় পালাতে শুরু করেন। এ সপ্তাহের গোড়াতে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বিবিসিকে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্য মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা যেতে পারে।