ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল

সৌদি রাজার সবগুলো প্রাসাদ আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: হুথি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ যোদ্ধারা ঘোষণা করেছেন, সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজের সবগুলো প্রাসাদ তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত একটি সৌদি রাজপ্রাসাদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর এ ঘোষণা দিল আনসারুল্লাহ আন্দোলন।

আন্দোলনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ রিয়াদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইয়েমেনি জনগণের এক হাজার দিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের ফসল।

এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে রাজতান্ত্রিক দেশটির আগ্রাসনের মোকাবিলায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরো বলা হয়, “এক হাজার দিনের পরের প্রতিরোধ হবে আগের চেয়ে ভিন্নরকম।”

শত্রুর বর্বরোচিত আগ্রাসন ও অবরোধের কারণে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে ইয়েমেনের জনগণ ও আনসারুল্লাহ আন্দোলনের দৃঢ় প্রত্যয়ে ফাটল ধরবে না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “সৌদি রাজার প্রাসাদগুলোর পাশাপাশি দেশটির সবগুলো তেল ও সামরিক স্থাপনা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। আমাদের পাল্টা হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে রিয়াদের প্রতি ওয়াশিংটনের পৃষ্ঠপোষকতা কোনো কাজে আসবে না।”

ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন মঙ্গলবার রিয়াদে সৌদি রাজার আল-ইয়ামামা প্রাসাদ লক্ষ্য করে একটি ‘বোরকান এইচ-২’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ক্ষেপণাস্ত্রটিকে রিয়াদের আকাশে প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি সরকার।

ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসন শুরুর এক হাজারতম দিনে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। গত এক হাজার দিনে অন্তত ১২ হাজার ইয়েমেনিকে হত্যা করেছে সৌদি আরব। অর্থাৎ গত আড়াই বছরে দিনে গড়ে ১২ জন মুসলমানের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মক্কা-মদীনার কথিত খাদেম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি রাজার সবগুলো প্রাসাদ আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: হুথি

আপডেট সময় ০১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইয়েমেনের জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ যোদ্ধারা ঘোষণা করেছেন, সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজের সবগুলো প্রাসাদ তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত একটি সৌদি রাজপ্রাসাদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর এ ঘোষণা দিল আনসারুল্লাহ আন্দোলন।

আন্দোলনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেছে, সৌদি রাজপ্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ রিয়াদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইয়েমেনি জনগণের এক হাজার দিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের ফসল।

এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে রাজতান্ত্রিক দেশটির আগ্রাসনের মোকাবিলায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরো বলা হয়, “এক হাজার দিনের পরের প্রতিরোধ হবে আগের চেয়ে ভিন্নরকম।”

শত্রুর বর্বরোচিত আগ্রাসন ও অবরোধের কারণে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে ইয়েমেনের জনগণ ও আনসারুল্লাহ আন্দোলনের দৃঢ় প্রত্যয়ে ফাটল ধরবে না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “সৌদি রাজার প্রাসাদগুলোর পাশাপাশি দেশটির সবগুলো তেল ও সামরিক স্থাপনা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। আমাদের পাল্টা হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে রিয়াদের প্রতি ওয়াশিংটনের পৃষ্ঠপোষকতা কোনো কাজে আসবে না।”

ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন মঙ্গলবার রিয়াদে সৌদি রাজার আল-ইয়ামামা প্রাসাদ লক্ষ্য করে একটি ‘বোরকান এইচ-২’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ক্ষেপণাস্ত্রটিকে রিয়াদের আকাশে প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি সরকার।

ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসন শুরুর এক হাজারতম দিনে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। গত এক হাজার দিনে অন্তত ১২ হাজার ইয়েমেনিকে হত্যা করেছে সৌদি আরব। অর্থাৎ গত আড়াই বছরে দিনে গড়ে ১২ জন মুসলমানের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মক্কা-মদীনার কথিত খাদেম।