ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

রাখাইনে গণকবরের সন্ধান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি গ্রামে গণকবরের সন্ধান পেয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, গণকবরটি নিয়ে এরইমধ্যে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে আগেই রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ এনেছিল জাতিসংঘ।

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং’র ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাখাইনের রাজধানী সিত্তে থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে ইন দিন গ্রামে অজ্ঞাত পরিচয় লোকজনের একটি গণকবর পাওয়া গেছে। পুরো ঘটনা জানতে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।’

তবে গণকবরটিতে ঠিক কতগুলো লাশ পাওয়া গেছে সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাধারণত ফেসবুকেই বিভিন্ন বিবৃতি প্রকাশ করে থাকে। এ ব্যাপারে রয়টার্সের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। সেনাবাহিনী কেন গণকবরের বিষয়ে মিডিয়াকে এড়িয়ে যাচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

এ মাসের শুরুর দিকেই জাতিসংঘ জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন বলেছিলেন, মিয়ানমারে যে ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে, তাতে গণহত্যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাবে না। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বিচারে রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন শুরু করে। নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে গত কয়েক মাসে সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বলছে, রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তারা জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) ঘোষণা করেছে, গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রোহিঙ্গাদের ৪০টি গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে সেনাবাহিনীর সহিংসতায় ভস্মীভূত রোহিঙ্গা গ্রামের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৪।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

রাখাইনে গণকবরের সন্ধান

আপডেট সময় ০৯:৪৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি গ্রামে গণকবরের সন্ধান পেয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, গণকবরটি নিয়ে এরইমধ্যে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে আগেই রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ এনেছিল জাতিসংঘ।

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং’র ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাখাইনের রাজধানী সিত্তে থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে ইন দিন গ্রামে অজ্ঞাত পরিচয় লোকজনের একটি গণকবর পাওয়া গেছে। পুরো ঘটনা জানতে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।’

তবে গণকবরটিতে ঠিক কতগুলো লাশ পাওয়া গেছে সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাধারণত ফেসবুকেই বিভিন্ন বিবৃতি প্রকাশ করে থাকে। এ ব্যাপারে রয়টার্সের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। সেনাবাহিনী কেন গণকবরের বিষয়ে মিডিয়াকে এড়িয়ে যাচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

এ মাসের শুরুর দিকেই জাতিসংঘ জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন বলেছিলেন, মিয়ানমারে যে ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে, তাতে গণহত্যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাবে না। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বিচারে রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন শুরু করে। নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে গত কয়েক মাসে সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বলছে, রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তারা জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) ঘোষণা করেছে, গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রোহিঙ্গাদের ৪০টি গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে সেনাবাহিনীর সহিংসতায় ভস্মীভূত রোহিঙ্গা গ্রামের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৪।