ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মার্কিন ড্রোন দেখলেই গুলি: পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড় দেবে না পাকিস্তান। এমন হলে অন্য দেশের তো বটেই, গুলি করে মার্কিন ড্রোনও নামিয়ে দেবে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। তার বাহিনীকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল সোহেল আমান।

আমান বলেছেন, ‘আমরা কাউকেই আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে দেব না। বিমানবাহিনীকে বলেছি, এমন ঘটনা ঘটলে ড্রোনগুলিকে গুলি করে মাটিতে নামাতে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংহতি বিপন্ন করে যদি মার্কিন ড্রোন আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে তাদেরও ছাড় দেয়া না।’

ঘটনাচক্রে আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের একটি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সপ্তাহ দু’য়েক আগে মার্কিন ড্রোন হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানায়। তাতে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়।

পাকিস্তান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর একটি বড় অংশের ওপর বরাবরই কর্তৃত্ব রয়েছে মৌলবাদীদের। তাই দেশের আদিবাসী এলাকায় জঙ্গিদের গোপন আস্তানার ওপর মার্কিন ড্রোন হামলার সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যেই পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধানের এই নির্দেশ। এটা আসলে ওয়াশিংটনকে বার্তা দেয়া হলো।

চলতি সপ্তাহেই মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান মাইক পম্পেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইসলামাবাদ যদি পাকিস্তান ভূখণ্ডে ঘাঁটি গাড়া সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করতে চোখে পড়ার মতো কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তা হলে কীভাবে জঙ্গিদের শায়েস্তা করতে হয়, তা ওয়াশিংটনই বুঝে নেবে।

পাকিস্তান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পম্পেও আসলে ওসামা বিন লাদেন হত্যার অভিযানের মতোই কোনও মার্কিন অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধানের নির্দেশ পম্পেও’র হুঁশিয়ারিকেও বার্তা দিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ২০০৪ থেকে এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানে যতগুলি মার্কিন ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলিই করিয়েছে সিআইএ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মার্কিন ড্রোন দেখলেই গুলি: পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড় দেবে না পাকিস্তান। এমন হলে অন্য দেশের তো বটেই, গুলি করে মার্কিন ড্রোনও নামিয়ে দেবে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। তার বাহিনীকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল সোহেল আমান।

আমান বলেছেন, ‘আমরা কাউকেই আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে দেব না। বিমানবাহিনীকে বলেছি, এমন ঘটনা ঘটলে ড্রোনগুলিকে গুলি করে মাটিতে নামাতে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংহতি বিপন্ন করে যদি মার্কিন ড্রোন আকাশসীমা লঙ্ঘন করলে তাদেরও ছাড় দেয়া না।’

ঘটনাচক্রে আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের একটি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সপ্তাহ দু’য়েক আগে মার্কিন ড্রোন হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানায়। তাতে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়।

পাকিস্তান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর একটি বড় অংশের ওপর বরাবরই কর্তৃত্ব রয়েছে মৌলবাদীদের। তাই দেশের আদিবাসী এলাকায় জঙ্গিদের গোপন আস্তানার ওপর মার্কিন ড্রোন হামলার সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যেই পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধানের এই নির্দেশ। এটা আসলে ওয়াশিংটনকে বার্তা দেয়া হলো।

চলতি সপ্তাহেই মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান মাইক পম্পেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইসলামাবাদ যদি পাকিস্তান ভূখণ্ডে ঘাঁটি গাড়া সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করতে চোখে পড়ার মতো কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তা হলে কীভাবে জঙ্গিদের শায়েস্তা করতে হয়, তা ওয়াশিংটনই বুঝে নেবে।

পাকিস্তান বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পম্পেও আসলে ওসামা বিন লাদেন হত্যার অভিযানের মতোই কোনও মার্কিন অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধানের নির্দেশ পম্পেও’র হুঁশিয়ারিকেও বার্তা দিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ২০০৪ থেকে এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানে যতগুলি মার্কিন ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলিই করিয়েছে সিআইএ।