ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

বাক স্বাধীনতার রক্ষায় বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাসদ একাংশের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তির বিধান রেখে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন-২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সরকার। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর আশা করছি আগামী শীতকালীন অধিবেশনে জাতীয় সংসদে এটি উত্থাপন করতে পারব। বুধবার সচিবালয়ে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন-২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্তে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসারিত ডিজিটাল বিশ্বকে নিরাপত্তা দেওয়া ছাড়াও সেটির বিকাশ সাধন করবে। দেশের নানা জায়গাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের ফলে। উক্ত ধারাটি ওই আইন থেকে বাদ দিয়ে তা আরও স্পষ্ট করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের সংবিধানে প্রদত্ত সকল মৌলিক অধিকার ও সংবিধানের যেসব গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি রয়েছে। তার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে অন্য আইন যেভাবে তৈরি হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমরা সেভাবে তৈরি করেছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সর্বসাধারণের সকল মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করবে। এটার মাধ্যমে ডিজিটাল সমাজ তৈরি হবে এবং এই সমাজকে নিরাপত্তা দেবে। একই আইনে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা আছে সেগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আপনারা পাবেন, একই সঙ্গে ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্ত হওয়ার প্রস্তাবও যাবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলত ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য করা হচ্ছে। সুতরাং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে সভাটি শুরু হয়। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। আমর বিশ্বাস এই ৫৭ ধারাটি নতুন রূপ লাভ করবে। এবং ফ্রিডম অব স্পিচ (বাক স্বাধীনতা) রক্ষা করার জন্য যে সব চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের দরকার সেগুলো আমর মনে হয় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সম্প্রচার আইনে থাকবে।’

তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের খসড়া চূড়ান্ত হলে তা প্রধানমন্ত্রী কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলেও জানান

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য ও যোগাযোগ সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিগণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

বাক স্বাধীনতার রক্ষায় বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তি: ইনু

আপডেট সময় ০৫:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাসদ একাংশের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তির বিধান রেখে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন-২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সরকার। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর আশা করছি আগামী শীতকালীন অধিবেশনে জাতীয় সংসদে এটি উত্থাপন করতে পারব। বুধবার সচিবালয়ে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন-২০১৭’ এর খসড়া চূড়ান্তে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসারিত ডিজিটাল বিশ্বকে নিরাপত্তা দেওয়া ছাড়াও সেটির বিকাশ সাধন করবে। দেশের নানা জায়গাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের ফলে। উক্ত ধারাটি ওই আইন থেকে বাদ দিয়ে তা আরও স্পষ্ট করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের সংবিধানে প্রদত্ত সকল মৌলিক অধিকার ও সংবিধানের যেসব গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি রয়েছে। তার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে অন্য আইন যেভাবে তৈরি হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আমরা সেভাবে তৈরি করেছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সর্বসাধারণের সকল মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করবে। এটার মাধ্যমে ডিজিটাল সমাজ তৈরি হবে এবং এই সমাজকে নিরাপত্তা দেবে। একই আইনে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা আছে সেগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আপনারা পাবেন, একই সঙ্গে ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্ত হওয়ার প্রস্তাবও যাবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলত ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য করা হচ্ছে। সুতরাং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে সভাটি শুরু হয়। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। আমর বিশ্বাস এই ৫৭ ধারাটি নতুন রূপ লাভ করবে। এবং ফ্রিডম অব স্পিচ (বাক স্বাধীনতা) রক্ষা করার জন্য যে সব চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের দরকার সেগুলো আমর মনে হয় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সম্প্রচার আইনে থাকবে।’

তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের খসড়া চূড়ান্ত হলে তা প্রধানমন্ত্রী কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে বলেও জানান

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য ও যোগাযোগ সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিগণ।