অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী কন্যা সন্তানের মা হয়েছে। সোমবার মির্জাপুর সদরের বংশাই ডিজিটাল প্রাইভেট ক্লিনিকে ওই ছাত্রী স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলা সদরের পোষ্টকামুরী উত্তরপাড়া গ্রামের জলিল ড্রাইভারে ছেলে হাসানের সঙ্গে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মনসুর গ্রামের হাবেলের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে শ্যামলী আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের প্রেম এক সময় দৈহিক মিলনে পরিণত হয়। এক পর্যায় শ্যামলী গর্ভবতী হয়। তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে গত ২১ এপ্রিল পালিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে। সে হিসেব মতে প্রেমিক যুগলের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়েছে ২৯ সপ্তাহ।
কিন্তু শ্যামলীর আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে ৩৬ সপ্তাহ পার হওয়ার পর বাচ্চা প্রসব হয়েছে বলে জানা গেছে। শ্যামলী তার বাড়ির লোকজনকে কিছু না জানিয়েই গত ১৫ দিন আগে হাসানের সঙ্গে পালিয়ে যান। হাসানের বাবা জলিল ড্রাইভার বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় মাতাব্বরদের মাধ্যমে ছেলে ও ছেলের স্ত্রীকে বাড়িতে আনেন। সোমবার বিকেলে শ্যামলীর প্রসব জনিত ব্যাথা শুরু হলে সদরের বংশাই ডিজিটাল প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে সন্ধা সাতটায় শ্যামলী কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। শ্যামলী মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বানিজ্য বিভাগের ছাত্রী। সে আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবে বলে শ্যামলীর বাবা হাবেল মিয়া জানান।
শ্যামলী আক্তার বলেন, সে হাসানকে পছন্দ করে ২১ এপ্রিল ২০১৭ এফিডেভিট করে বিয়ে করেছেন। হাসানের ফুফু সুফিয়া বেগম বলেন, ছেলে মেয়ে পছন্দ করে বিয়ে করেছে। তাও আবার মেয়ে জন্ম দিল। এখন আর কি করার।
শ্যামলীর বাবা মির্জাপুর বাজারের ব্যবসায়ী হাবেল মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, শ্যামলী বাড়িতে থাকা অবস্থায় সবার সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করেছে। বিয়ের বিষয়টি কাউকেই বলেনি। শ্যামলী তার নিজ সিদ্ধান্তে তাদের না জানিয়েই বিয়ে করেছে। তারা এ বিয়ে মেনে নিতে পারে নাই বলে উল্লেখ করেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























