ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।