ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের মামলায় ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত।

আজ সোমবার বিকেলে দেশের সবচেয়ে আলোচিত এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও আপিলের রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। এ ছাড়া চারজনকে খালাস দেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তবে এঁদের মধ্যে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

আজ দিনের প্রথম অংশে রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন নিজেদের সাতটি সুপারিশ। এরপর বিরতি শুরু হয়।

বিকেলে বিরতি শেষে আবার শুরু হয় আদালতের কার্যক্রম। এতে নিম্ন আদালতে দেওয়া রায়ের একটি অংশে ১৮২ জনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।