অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় রক্তাক্ত বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পর্যবেক্ষণসহ রায় ঘোষণা করছেন হাইকোর্ট। সোমবার পূর্ণাঙ্গ রায় পড়া শেষ হবে জানিয়েছেন তিন সদস্যের বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি।
আসামি সংখ্যা বিবেচনায় এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলা। ২০১৩ সালে পিলখানা বিদ্রোহে হত্যাযজ্ঞের মামলার রায় দেন ঢাকার জজ আদালত। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫৬ আসামিকে তিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন আদালত। তাদের মধ্যে কারও কারও একাধিক ধারায় সাজার আদেশ হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা কার্যকরের অনুমতি (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানি শেষ হওয়ার সাত মাস পর রোববার মামলার রায় পড়া শুরু করেন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চে রায় পড়া শুরু হয়।
শুরুতে শওকত হোসেন রায় পড়েন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার। বিকেল ৪টার দিকে প্রথম দিনের রায় পড়া শেষ করা হয়।
রায় পড়ার সময় আদালত বলেন, ‘আমরা প্রায় এক হাজার পৃষ্ঠার বেশি পর্যবেক্ষণ দেব। রায়টি সবমিলিয়ে ১০ হাজার পৃষ্ঠার বেশি। রায়ের পুরোটা না পড়লেও পুরো পর্যবেক্ষণ আমরা পড়ে শুনাব। সবশেষে আমরা সংক্ষিপ্ত রায় দেব। সেখানে রায়ের অংশে কে, কোন কারণে কী সাজা পেয়েছেন, তা উল্লেখ করা হবে।’
মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে আদালত রায়ের বাকি অংশ পড়ার জন্য সোমবার সকালে পুনরায় সময় নির্ধারণ করেন। কিন্তু আইনজীবীদের অনুরোধে আদালত বিরতির পর ফের রায় পড়া শুরু করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বিচারকরা কাল (সোমবার) আবার পর্যবেক্ষণ পড়বেন। আজ তারা অর্ডারিং পোরশন (সাজার অংশ) দেবেন বলে মনে হয় না।’
সকালে রায়ের উপক্রমনিকা পড়েন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন। এরপর বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী বাংলায় রায় পড়া শুরু করেন। এতে তিনি মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতার দিক তুলে ধরা হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















