ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্মকে পুঁজি করে চালানো অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: আমিনুল হক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমতের জোয়ার : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ কেরানীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির আজাদীর বাংলাদেশ গড়তে শাপলা কলিতে ভোট দিন: হাসনাত আবদুল্লাহ প্রচারের প্রথম দিনেই বিভিন্ন স্থানে হামলা সংঘর্ষ, আহত ২০ সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনকে বাধগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না: মির্জা ফখরুল

আরামদায়ক প্রস্থানের পথ খুঁজছে আ.লীগ: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতা ছাড়লে পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিদেশ যাওয়ার পথও খোলা থাকবে না দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ক্ষমতা ছাড়তে আরামদায়ক পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বুধবার নগরীর ইউনাইটেড ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে পরাজিত হলেও তাদের দেশত্যাগ করতে হবে না- এমন নিশ্চয়তা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর সতর্ক করেন, ‘তবে শাসনকালে যত লুটপাট করেছেন, দুর্নীতি করেছেন, অনিয়ম করেছেন, অপরাধ করেছেন তার জন্য আপনাদের আদালতে যেতে হতে পারে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য দাবি করেন, ক্ষমতা থেকে সরে যেতে আওয়ামী লীগ ‘আরামদায়ক প্রস্থানের’ পথ খুঁজছে। তিনি বলেন, ‘এত অপকর্ম করেছেন, এত অপরাধ করেছেন যে ক্ষমতায় না থাকলে তারা (আ.লীগ) রেহাই পাবেন না।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি না এ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেন ‘কথিত’ বোদ্ধা মহলকে। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বরং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে কি না তা নিয়ে চিন্তা করুন।’

এ সময় তিনি গত ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশের লোকসমাগমের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশ করেছে বিএনপি। অন্যদিকে ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় ১৮ নভেম্বর আওয়ামী লীগের পাল্টা সমাবেশে পাঁচ ভাগের এক ভাগ লোকও হয়নি।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিভিন্ন মামলায় আদালতে হাজিরা দেয়াকে লজ্জার হিসেবে উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ‘সাজানো বিচারব্যবস্থায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হবে, নির্বাচনে অযোগ্য করা হবে। কিন্তু তা এ দেশে হতে দেয়া হবে না।’ তিনি হুঁশিয়ারি করেন, ‘আগামীতে দেশে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে নিয়ে আমাদের মাঝে যেমন উৎসাহ রয়েছে, প্রতিপক্ষরাও তাকে নিয়ে আতঙ্কিত। জাতীয়তাবাদের রাজনীতিকে সুদৃঢ় করতে তারকে রহমানের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য তাকে বিতর্কিত করতে তাদের যত প্রয়াস।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, রবিউল ইসলাম রবি, মীর কায়সেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, স ম আব্দুর রহমান, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন রূপে তাক লাগালেন জয়া আহসান

আরামদায়ক প্রস্থানের পথ খুঁজছে আ.লীগ: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০৩:০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতা ছাড়লে পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিদেশ যাওয়ার পথও খোলা থাকবে না দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ক্ষমতা ছাড়তে আরামদায়ক পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বুধবার নগরীর ইউনাইটেড ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে পরাজিত হলেও তাদের দেশত্যাগ করতে হবে না- এমন নিশ্চয়তা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর সতর্ক করেন, ‘তবে শাসনকালে যত লুটপাট করেছেন, দুর্নীতি করেছেন, অনিয়ম করেছেন, অপরাধ করেছেন তার জন্য আপনাদের আদালতে যেতে হতে পারে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য দাবি করেন, ক্ষমতা থেকে সরে যেতে আওয়ামী লীগ ‘আরামদায়ক প্রস্থানের’ পথ খুঁজছে। তিনি বলেন, ‘এত অপকর্ম করেছেন, এত অপরাধ করেছেন যে ক্ষমতায় না থাকলে তারা (আ.লীগ) রেহাই পাবেন না।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি না এ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেন ‘কথিত’ বোদ্ধা মহলকে। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বরং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে কি না তা নিয়ে চিন্তা করুন।’

এ সময় তিনি গত ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশের লোকসমাগমের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশ করেছে বিএনপি। অন্যদিকে ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় ১৮ নভেম্বর আওয়ামী লীগের পাল্টা সমাবেশে পাঁচ ভাগের এক ভাগ লোকও হয়নি।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিভিন্ন মামলায় আদালতে হাজিরা দেয়াকে লজ্জার হিসেবে উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ‘সাজানো বিচারব্যবস্থায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হবে, নির্বাচনে অযোগ্য করা হবে। কিন্তু তা এ দেশে হতে দেয়া হবে না।’ তিনি হুঁশিয়ারি করেন, ‘আগামীতে দেশে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে নিয়ে আমাদের মাঝে যেমন উৎসাহ রয়েছে, প্রতিপক্ষরাও তাকে নিয়ে আতঙ্কিত। জাতীয়তাবাদের রাজনীতিকে সুদৃঢ় করতে তারকে রহমানের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য তাকে বিতর্কিত করতে তাদের যত প্রয়াস।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, রবিউল ইসলাম রবি, মীর কায়সেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, স ম আব্দুর রহমান, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু প্রমুখ।