ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি ভারতীয় গোয়েন্দারা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

জেএমবি নেতা সোহেল মাহফুজকে ভারতের গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। বুধবার সকালে ডিএমপি কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দারা সোহেল মাহফুজকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। তবে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল হলি আর্টিজান হামলায় জড়িত ছিল বলে তথ্য দিয়েছে। এই মামলার অভিযোগপত্র শিগগিরই দেয়া হবে। ইতিমধ্যে এ মামলা-সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক প্রতিবেদন পুলিশের হাতে পৌঁছেছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ নিয়ে সোহেল মাহফুজকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাক্সফোর্স (এসটিএফ) ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনআইএ) কর্মকর্তাদের। এর আগে গত ৭ জুলাই রাতে শিবগঞ্জের পুস্কনি এলাকার একটি আমবাগান থেকে সোহেল মাহফুজ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এম খুরশীদ হোসেন বলেন, সোহেলকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক তছনছ হয়ে গেল। তিনি জানান, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোরের জঙ্গি আস্তানায় সোহেলের যাতায়াত ছিল। সে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করতো। বোমা বানাতেও পারদর্শী সে। সোহেল মাহফুজের সঙ্গে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা মূলত জঙ্গিদের বিভিন্ন ধরনের সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নব্য জেএমবি নেতা মাহফুজ সোহেল জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রথম আমির ও খাগড়াগড় বোমা হামলার অন্যতম আসামি। সোহেলকে ধরিয়ে দিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বলেও জানান তিনি।

গ্রেফতার হওয়া সোহেলের অন্য তিন সহযোগীর মধ্যে রয়েছেন- নব্য জেএমবির প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ, অস্ত্র সরবরাহকারী জুয়েল রানা এবং নব্য জেএমবির রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার সমন্বয়কারী জামাল হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি ভারতীয় গোয়েন্দারা

আপডেট সময় ০২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

জেএমবি নেতা সোহেল মাহফুজকে ভারতের গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। বুধবার সকালে ডিএমপি কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দারা সোহেল মাহফুজকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। তবে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল হলি আর্টিজান হামলায় জড়িত ছিল বলে তথ্য দিয়েছে। এই মামলার অভিযোগপত্র শিগগিরই দেয়া হবে। ইতিমধ্যে এ মামলা-সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক প্রতিবেদন পুলিশের হাতে পৌঁছেছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ নিয়ে সোহেল মাহফুজকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাক্সফোর্স (এসটিএফ) ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনআইএ) কর্মকর্তাদের। এর আগে গত ৭ জুলাই রাতে শিবগঞ্জের পুস্কনি এলাকার একটি আমবাগান থেকে সোহেল মাহফুজ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এম খুরশীদ হোসেন বলেন, সোহেলকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক তছনছ হয়ে গেল। তিনি জানান, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও তানোরের জঙ্গি আস্তানায় সোহেলের যাতায়াত ছিল। সে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করতো। বোমা বানাতেও পারদর্শী সে। সোহেল মাহফুজের সঙ্গে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা মূলত জঙ্গিদের বিভিন্ন ধরনের সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নব্য জেএমবি নেতা মাহফুজ সোহেল জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রথম আমির ও খাগড়াগড় বোমা হামলার অন্যতম আসামি। সোহেলকে ধরিয়ে দিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বলেও জানান তিনি।

গ্রেফতার হওয়া সোহেলের অন্য তিন সহযোগীর মধ্যে রয়েছেন- নব্য জেএমবির প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ, অস্ত্র সরবরাহকারী জুয়েল রানা এবং নব্য জেএমবির রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার সমন্বয়কারী জামাল হোসেন।