ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

আমার বিরুদ্ধে মামলা এগোচ্ছে রকেটগতিতে: খালেদা জিয়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বিরুদ্ধে রকেটগতিতে মামলা এগোচ্ছে অভিযোগ করে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, কত মামলা ঝুলে আছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে মামলা এগোচ্ছে রকেটগতিতে। এতে কি ন্যায়বিচার হবে? বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে অসমাপ্ত বক্তব্যকালে এ কথা বলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাকে অযোগ্য ঘোষণা করতেই ক্ষমতাসীনরা একটি নীলনকশা প্রণয় করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বকশীবাজারের বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি। আদালতে প্রথমে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেন তিনি। এর পর দুপুর ১টার দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিতে শুরু করেন তিনি।

এদিকে আদালতে হাজিরা দিতে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি তার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশে বের হন। উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর দুর্নীতির দুই মামলায় দুই লাখ টাকা মুচলেকায় শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

ওই দিনই তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে এক ঘণ্টা বক্তব্য দেন। পরে ২৬ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে দ্বিতীয় দিনের মতো বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এর আগে গত ১২ অক্টোবর হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া ২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

আমার বিরুদ্ধে মামলা এগোচ্ছে রকেটগতিতে: খালেদা জিয়া

আপডেট সময় ০২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বিরুদ্ধে রকেটগতিতে মামলা এগোচ্ছে অভিযোগ করে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, কত মামলা ঝুলে আছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে মামলা এগোচ্ছে রকেটগতিতে। এতে কি ন্যায়বিচার হবে? বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে অসমাপ্ত বক্তব্যকালে এ কথা বলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

খালেদা জিয়া বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাকে অযোগ্য ঘোষণা করতেই ক্ষমতাসীনরা একটি নীলনকশা প্রণয় করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বকশীবাজারের বিশেষ আদালতে পৌঁছান তিনি। আদালতে প্রথমে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেন তিনি। এর পর দুপুর ১টার দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিতে শুরু করেন তিনি।

এদিকে আদালতে হাজিরা দিতে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি তার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশে বের হন। উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর দুর্নীতির দুই মামলায় দুই লাখ টাকা মুচলেকায় শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

ওই দিনই তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে এক ঘণ্টা বক্তব্য দেন। পরে ২৬ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে দ্বিতীয় দিনের মতো বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এর আগে গত ১২ অক্টোবর হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া ২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে দুদক।