ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১২:০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।