ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৩ জনকে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেফতার হতে পারেন শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী এবার সয়াবিন তেলের সব নমুনাতেই মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, ৯৫ শতাংশ চিনিতে ‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাক ভারত সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১২:০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।