ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্র্যাকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের জন্য নলকূপ ও ল্যাট্রিন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের বিরুদ্ধে। যেভাবে নলকূপ ও ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হচ্ছে তা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্থানীয় নাগরিক সমাজের অভিযোগ, দায়সারাভাবে কাজ শেষ করছে ব্র্যাক। ফলে কয়েক দিন যেতে না যেতেই নলকূপে পানি উঠছে না। অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে অনেক নলকূপ। অভিযোগ করা হচ্ছে, চারটি রিং দিয়ে ল্যাট্রিন স্থাপনের কথা থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে দুটি। টিউবওয়েলের পাইপ বসানো হচ্ছে ২০-২৫ ফুটের মধ্যে, যা ৪০ ফুট গভীরে বসানোর কথা।

ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচির উখিয়া উপজেলা ম্যানেজার ফারহান জানান, উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ হাজার ৩৬৬টি ল্যাট্রিন এবং ১ হাজার ৪০টি টিউবওয়েল স্থাপনের কাজ করছে ব্র্যাক। প্রতিটি ল্যাট্রিনে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, টিউবওয়েলে ১৪ হাজার টাকা। জরুরি মুহূর্তে সংস্থার নিয়ম অনুসারে সঠিকভাবেই এগুলো স্থাপন করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

ক্যাম্পের সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), ইউনিসেফ, ডব্লি¬উএফপি, গ্লোবাল ফান্ডের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দের এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্র্যাকের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অদক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিন স্থাপন করছে সংস্থাটি।

ক্যাম্পে চলতি দায়িত্বরত বান্দরবানের (জনস্বাস্থ্য) নির্বাহী প্রকৗশলী মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ব্র্যাক সংস্থা যেসব টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিন স্থাপন করেছে তা অনিরাপদ। দুই রিংয়ের ল্যাট্রিন খুবই বিপজ্জনক। ল্যাট্রিনের পাশে ১৫ ফুটের মধ্যে টিউবওয়েল স্থাপন স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি রয়েছে।

খোদ জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেন ব্র্যাকের করা টিউবওয়েল ও ল্যাটি্েরনর কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এদিকে সেনাবাহিনীর একটি তদারিক দল উখিয়ার কুতুপালং বালুখালীসহ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্র্যাকের বসানো ল্যান্ট্রিনের কাজে অনিয়ম দেখে কোনো কাজে অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে জানিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জেট ফুয়েলের দাম বাড়লেও ভাড়া বাড়বে না কাতার এয়ারওয়েজের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্র্যাকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের জন্য নলকূপ ও ল্যাট্রিন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের বিরুদ্ধে। যেভাবে নলকূপ ও ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হচ্ছে তা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্থানীয় নাগরিক সমাজের অভিযোগ, দায়সারাভাবে কাজ শেষ করছে ব্র্যাক। ফলে কয়েক দিন যেতে না যেতেই নলকূপে পানি উঠছে না। অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে অনেক নলকূপ। অভিযোগ করা হচ্ছে, চারটি রিং দিয়ে ল্যাট্রিন স্থাপনের কথা থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে দুটি। টিউবওয়েলের পাইপ বসানো হচ্ছে ২০-২৫ ফুটের মধ্যে, যা ৪০ ফুট গভীরে বসানোর কথা।

ব্র্যাক ওয়াশ কর্মসূচির উখিয়া উপজেলা ম্যানেজার ফারহান জানান, উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ হাজার ৩৬৬টি ল্যাট্রিন এবং ১ হাজার ৪০টি টিউবওয়েল স্থাপনের কাজ করছে ব্র্যাক। প্রতিটি ল্যাট্রিনে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, টিউবওয়েলে ১৪ হাজার টাকা। জরুরি মুহূর্তে সংস্থার নিয়ম অনুসারে সঠিকভাবেই এগুলো স্থাপন করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

ক্যাম্পের সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), ইউনিসেফ, ডব্লি¬উএফপি, গ্লোবাল ফান্ডের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দের এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্র্যাকের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অদক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিন স্থাপন করছে সংস্থাটি।

ক্যাম্পে চলতি দায়িত্বরত বান্দরবানের (জনস্বাস্থ্য) নির্বাহী প্রকৗশলী মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ব্র্যাক সংস্থা যেসব টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিন স্থাপন করেছে তা অনিরাপদ। দুই রিংয়ের ল্যাট্রিন খুবই বিপজ্জনক। ল্যাট্রিনের পাশে ১৫ ফুটের মধ্যে টিউবওয়েল স্থাপন স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি রয়েছে।

খোদ জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেন ব্র্যাকের করা টিউবওয়েল ও ল্যাটি্েরনর কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এদিকে সেনাবাহিনীর একটি তদারিক দল উখিয়ার কুতুপালং বালুখালীসহ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্র্যাকের বসানো ল্যান্ট্রিনের কাজে অনিয়ম দেখে কোনো কাজে অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে জানিয়ে দেন।