ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নভেম্বরেই মিলছে বড়পুকুরিয়ার বিদ্যুৎ: নসরুল হামিদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হয়েছে। কাজও শুরু হয়ে যাবে দ্রুত। আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। আজ শুক্রবার বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করতে এসে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এ কেন্দ্রে ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা এর (বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণ শুরু করেছিলাম ২০১৫ সালে। এটা প্রায় শেষ। আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা বিদ্যুৎ পাওয়া শুরু করব। এ অঞ্চলে বিদ্যুতের যে ঘাটতি আছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তা পূরণ করা হবে।’

বড়পুকুরিয়া কেন্দ্রের ব্যাপারে নসরুল হামিদ আরো বলেন, ‘নিজস্ব কয়লায় এ কেন্দ্রে অল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব।’ তিনি আরো বলেন, সময়ের প্রায় চার মাস আগে কাজ শেষ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ভেড়ামারায় আমরা ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে যাচ্ছি। সৈয়দপুরে আরো ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে যাচ্ছি। আশা করছি উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারব।’

এর আগে প্রতিমন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত শ্রমিকদের খোঁজখবর নেন। এ সময় দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকসহ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিসর বন্দরে ড্রোন হামলা, দুই জাহাজে আগুন

নভেম্বরেই মিলছে বড়পুকুরিয়ার বিদ্যুৎ: নসরুল হামিদ

আপডেট সময় ০৯:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হয়েছে। কাজও শুরু হয়ে যাবে দ্রুত। আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। আজ শুক্রবার বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করতে এসে এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এ কেন্দ্রে ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা এর (বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণ শুরু করেছিলাম ২০১৫ সালে। এটা প্রায় শেষ। আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা বিদ্যুৎ পাওয়া শুরু করব। এ অঞ্চলে বিদ্যুতের যে ঘাটতি আছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তা পূরণ করা হবে।’

বড়পুকুরিয়া কেন্দ্রের ব্যাপারে নসরুল হামিদ আরো বলেন, ‘নিজস্ব কয়লায় এ কেন্দ্রে অল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব।’ তিনি আরো বলেন, সময়ের প্রায় চার মাস আগে কাজ শেষ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ভেড়ামারায় আমরা ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে যাচ্ছি। সৈয়দপুরে আরো ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে যাচ্ছি। আশা করছি উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারব।’

এর আগে প্রতিমন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত শ্রমিকদের খোঁজখবর নেন। এ সময় দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকসহ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।