ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রথম বোর্ডিং ব্রিজে যুক্ত ইউএস-বাংলা

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক সেবা সম্প্রসারণে যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। বিমানবন্দরটির নতুন টার্মিনালে প্রথমবারের মতো সরাসরি বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। এর মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান এই ভ্রমণকেন্দ্রের আকাশপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বড় ধরনের অগ্রগতি হলো।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিএস ১৪৫-এর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটি কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর প্রথমবারের মতো এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে এই বিশেষ সুবিধাটি নিয়মিত কতগুলো ফ্লাইটে চালু থাকবে এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ পর্যায়ক্রমে এখানে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

সাধারণত বোর্ডিং ব্রিজ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের সঙ্গে উড়োজাহাজকে সরাসরি যুক্ত করে, যার ফলে যাত্রীরা খোলা আকাশের নিচে না নেমে কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার সম্মুখীন না হয়ে সরাসরি প্লেনে ওঠানামা করতে পারেন। এতে বৃষ্টি কিংবা রোদের মধ্যে খোলা জায়গা দিয়ে হেঁটে বা বাসে চলাচলের কষ্ট দূর হয়। কক্সবাজার বিমানবন্দরে সুবিধাটি চালুর ফলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গন্তব্য। আকাশপথে যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এখানকার অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ সার্বিক পর্যটন খাতের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন সেবা দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ। নতুন এই সুবিধা সামগ্রিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপলোডকারীর তথ্য

কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রথম বোর্ডিং ব্রিজে যুক্ত ইউএস-বাংলা

আপডেট সময় ০৮:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক সেবা সম্প্রসারণে যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। বিমানবন্দরটির নতুন টার্মিনালে প্রথমবারের মতো সরাসরি বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। এর মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান এই ভ্রমণকেন্দ্রের আকাশপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বড় ধরনের অগ্রগতি হলো।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিএস ১৪৫-এর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটি কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর প্রথমবারের মতো এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে এই বিশেষ সুবিধাটি নিয়মিত কতগুলো ফ্লাইটে চালু থাকবে এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ পর্যায়ক্রমে এখানে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

সাধারণত বোর্ডিং ব্রিজ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের সঙ্গে উড়োজাহাজকে সরাসরি যুক্ত করে, যার ফলে যাত্রীরা খোলা আকাশের নিচে না নেমে কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার সম্মুখীন না হয়ে সরাসরি প্লেনে ওঠানামা করতে পারেন। এতে বৃষ্টি কিংবা রোদের মধ্যে খোলা জায়গা দিয়ে হেঁটে বা বাসে চলাচলের কষ্ট দূর হয়। কক্সবাজার বিমানবন্দরে সুবিধাটি চালুর ফলে যাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গন্তব্য। আকাশপথে যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এখানকার অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ সার্বিক পর্যটন খাতের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন সেবা দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ। নতুন এই সুবিধা সামগ্রিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।