ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হাসানাত: মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

মাদক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হলে, তার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপরও বর্তায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সমালোচনা করেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকের বিরুদ্ধে সরাসরি রাস্তায় নেমে আসার প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশ্ন রাখেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে কেন অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হলো? তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় থাকলে প্রতিমন্ত্রীকে কেন এভাবে সরাসরি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তার জবাব সরকারের দেওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, ব্যক্তিকে সরিয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে সংকট আড়াল করা সম্ভব হলেও তাতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার স্থায়ী সমাধান হয় না। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে যদি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে তদারকি করতে হয় এবং মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীকে নিজে রাস্তায় নামতে হয়, তবে তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চরম ব্যর্থতাকেই নির্দেশ করে। এনসিপির এই নেতা প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়াই যদি সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কীভাবে। এসব ব্যবস্থা যথাযথভাবে কাজ করলে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি এসব বিষয় পরিদর্শনে যেতে হতো কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

এ সময় তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যাওয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, যখন রাষ্ট্রপ্রধানকে নিজে গিয়ে হাসপাতালের টয়লেট দেখতে হয়, তখন সেবার মান নিশ্চিতকারী কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একইভাবে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি এভাবেই পরিচালিত হতে থাকে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনগণ রাস্তায় নেমে আসে, তখন সরকার কাকে পদত্যাগ করিয়ে দায় এড়ানোর পথ খুঁজবে?

তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা করে লেখেন, ঘের দখল, দুর্নীতি ও ঘুষের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার বোঝা শেষ পর্যন্ত ইশরাক হোসেনদের মতো ব্যক্তিদের ওপরই চাপছে।

পরিশেষে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রকে কার্যকর করতে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা যাচাই, ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই।

কেবল একজনকে সরিয়ে দিলে সমস্যার মূল উৎসটি আড়াল করা ছাড়া আর কোনো অর্জন সম্ভব নয়। Do Not Sell or Share My Personal Information। We won’t sell or share your personal information to inform the ads you see। You may still see interest-based ads if your information is sold or shared by other companies or was sold or shared previously।

আপলোডকারীর তথ্য

বট কী ও কীভাবে কাজ করে?

হাসানাত: মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মাদক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হলে, তার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপরও বর্তায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সমালোচনা করেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকের বিরুদ্ধে সরাসরি রাস্তায় নেমে আসার প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশ্ন রাখেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে কেন অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হলো? তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় থাকলে প্রতিমন্ত্রীকে কেন এভাবে সরাসরি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তার জবাব সরকারের দেওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, ব্যক্তিকে সরিয়ে দিয়ে সাময়িকভাবে সংকট আড়াল করা সম্ভব হলেও তাতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার স্থায়ী সমাধান হয় না। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে যদি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে তদারকি করতে হয় এবং মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীকে নিজে রাস্তায় নামতে হয়, তবে তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চরম ব্যর্থতাকেই নির্দেশ করে। এনসিপির এই নেতা প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়াই যদি সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কীভাবে। এসব ব্যবস্থা যথাযথভাবে কাজ করলে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি এসব বিষয় পরিদর্শনে যেতে হতো কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

এ সময় তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যাওয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, যখন রাষ্ট্রপ্রধানকে নিজে গিয়ে হাসপাতালের টয়লেট দেখতে হয়, তখন সেবার মান নিশ্চিতকারী কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একইভাবে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি এভাবেই পরিচালিত হতে থাকে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনগণ রাস্তায় নেমে আসে, তখন সরকার কাকে পদত্যাগ করিয়ে দায় এড়ানোর পথ খুঁজবে?

তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা করে লেখেন, ঘের দখল, দুর্নীতি ও ঘুষের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার বোঝা শেষ পর্যন্ত ইশরাক হোসেনদের মতো ব্যক্তিদের ওপরই চাপছে।

পরিশেষে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রকে কার্যকর করতে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা যাচাই, ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই।

কেবল একজনকে সরিয়ে দিলে সমস্যার মূল উৎসটি আড়াল করা ছাড়া আর কোনো অর্জন সম্ভব নয়। Do Not Sell or Share My Personal Information। We won’t sell or share your personal information to inform the ads you see। You may still see interest-based ads if your information is sold or shared by other companies or was sold or shared previously।