ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতির সুযোগ!

File photo

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে শোচনীয় পরাজয় হয়েছে বাংলাদেশের। এ বছর আর কোনো টেস্ট সিরিজ নেই মুশফিকদের। তবে বছরের একেবারে শুরুতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে তারা। তার আগে চলতি বছরেই র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ। তবে সেটা ভিন্ন ভাবে। যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে জিম্বাবুয়ে টেস্ট সিরিজ ড্র করে তবেই র‌্যাঙ্কিংয়ে উপরে উঠতে পারবে বাংলাদেশ।

আগামীকাল শনিবার শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ জিততে না পারলেই আট থেকে নয় নম্বরে নেমে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ উঠে যাবে আটে।

৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সিরিজ শুরু করছে আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নয়ে থাকা বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭২। দশে থাকা জিম্বাবুয়ের এখন র‌্যাঙ্কিংয়ে কোনো পয়েন্ট নেই।

সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাবে মাত্র ১ পয়েন্ট। ১-০তে জিতলে পয়েন্ট থেকে যাবে ৭৫। তবে সিরিজ ড্র হলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট কমে হবে ৭২। সমান পয়েন্ট হলেও ভগ্নাংশের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে আটে উঠবে বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ে ১-০তে জিতলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট হবে ৬৯, জিম্বাবুয়ের ১৭। জিম্বাবুয়ে ২-০তে জিতে গেলে এক সিরিজ থেকেই মিলবে ২১ পয়েন্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট কমে হবে ৬৭।

এই সিরিজ দিয়েই আবার জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে ফিরছেন ব্রেন্ডন টেইলর ও কাইল জার্ভিস। সাবেক অধিনায়ক টেইলরের বিশ্বাস, সামনের সময়টুকু হতে পারে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের সেরা সময়।

দুটি টেস্টই হবে বুলাওয়েয়োতে। দ্বিতীয় টেস্ট ২৯ অক্টোবর থেকে।

এই সিরিজের মাধ্যমে ফের ক্রিকেটে ফিরছেন জিম্বাবুয়ের দুই তারকা ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর ও কাইল জার্ভিস, যারা অভিমানে জাতীয় দলের খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি ভালো ক্রিকেট উপহার দেয়া জিম্বাবুয়ের জার্সি গায়ে এই দু’জনের ফেরা দলটির আরো ভালো ক্রিকেটেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রয়োজন টিম কম্বিনেশন
টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজের উত্তেজনা হ্রাস পেয়েছে। সিরিজটা যখন প্রোটিয়ার পকেটে, তখন শেষ ম্যাচের কী আর গুরুত্ব! ওই ম্যাচ হেরে গেলেও সমস্যা নেই তাদের। তবু বাংলাদেশ দলের যে পারফরম্যান্স পরিলক্ষিত হয়েছে, সেটাকে এখন থোড়াই কেয়ার করে তারা। সেটা ভেবেই শেষ ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হাশিম আমলাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। সে স্থানে যে খেলোয়াড়কে নেয়া হয়েছে সে বাংলাদেশ দলের জন্য আরো বিপজ্জনক। মার্করাম। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অভিষেক হলেও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন।

বাংলাদেশ দল শেষ ম্যাচের গুরুত্বটা বোঝে! সিরিজে হেরেছে তো কি, একটা ম্যাচে ভালো খেলতে পারলে সেটাই পাথেয়ও হয়ে যাবে। শেষ ওয়ানডে অনেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণও বটে। পরবর্তী সিরিজে টিকে থাকতে পারফরম্যান্স করা যাদের বড্ড জরুরি, তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবেন বৈকি! সিরিজে বোলারদেরই ব্যর্থতা গেল। বিশ্বসেরা এক ক্রিকেটার তাদের কোচ।

অথচ কিছুই যেন শিখতে পারলেন না তারা। কোর্টনি ওয়ালশ কিছু জানেন না এটা তো নয়। বরং গা-ছাড়া ভাব রয়েছে বোলারদের। কোচের কথা মুখ থেকে তাদের কান পর্যন্ত যায় বটে। ব্যাস ওই পর্যন্তই। তার বাস্তবায়নে যে প্রয়োজন কঠোর অনুশীলন, সেটাতে মনোযোগ আছে বলে মনে হয় না। যদি তা-ই হতো, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে একজন না একজন পেসার ওয়ালশের কাজগুলো প্রদর্শনে সক্ষম হতেন। সবই শেখানো হয়। প্র্যাকটিসও করেন। কিন্তু মাঠে সেই পুরনো লাইন লেন্থে ফিরে যান তারা। তাহলে ভালো কিছু সম্ভবপর কিভাবে।

টেস্ট ও ওয়ানডে। দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বত্র টানা ব্যর্থতা বোলারদেরই। অথচ পেসারদের পছন্দের নাকি কন্ডিশন দক্ষিণ আফ্রিকা। তাহলে এমনটা হয় কিভাবে? ঘরের মাঠে উইকেট তৈরি হয় স্পিনারদের প্রাধান্য দিয়ে। এমন হাজারো অভিযোগ পেসারদের। তাহলে এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিল বিশাল সুযোগ। কিন্তু কী হলো। কই তাদের সে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স।

ক্রিকেট এখন আর মাঠে নেই। এখন প্রযুক্তি এসেছে। বোলারদের পারফরম্যান্স চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ব্যাটিংয়ে নামেন ব্যাটসম্যানরা। যাচ্ছেতাই বোলিং দিয়ে ব্যাটসম্যানদের পরাস্ত করা যায় না। প্রথম ওয়ানডেতে কুইন্টন ডিকক ও হাশিম আমলার ঝড়ের পর, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়। গোটা ইনিংসে অমন একজন ব্যাটিং করলেই হয়, যা করেছেন এবি। ১৭৬ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশ দলের আসলে প্রয়োজন টিম কম্বিনেশন। প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট এক সাথে ফোকাসে যাওয়া। সেটা হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা সেটা খুঁজে বের না করলে এমন ম্যাচ আসবে, আর গো-হারা হারতেই থাকবে। দুই ওয়ানডে জয়ের পরও রিল্যাক্স থাকবে প্রোটিয়া, এটা ভাবা ঠিক নয়। তাদের নজর আগামী বিশ্বকাপ। এখন থেকেই তারা সেটার প্ল্যান কষছেন। ঘরের মাটিতেও তাদের আরো সিরিজ রয়েছে। ফলে প্রতিটা ম্যাচই তাদের উঠছে হিসেবের খাতায়। বাংলাদেশ অবশ্য প্রতিপক্ষের দিকে খুব কমই তাকায়। সবসময় ফোকাস তাদের নিজেদের নিয়ে। তবে টিম সিলেকশনও একটা বড় ব্যাপার। কম্বিনেশনের জন্য পারফেক্ট একটা দলেরও প্রয়োজন। যেমনটা দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ। টপ অর্ডারে খেলেছেন লিটন দাস। লিটনকে দলে নেয়া হয়েছে উইকেটকিপার-কাম-ব্যাটসম্যান হিসেবে।

কিন্তু মুশফিক যখন স্কোয়াডে ফিরেছেন তাহলে লিটনের আর কী প্রয়োজন। মুমিনুল কি ওয়ানডে খেলা ভুলে গেছেন? তাহলে স্কোয়াডে রেখে টেনে বেড়ানোর কী প্রয়োজন। লিটন আগেও খেলেছেন। পারেননি। মুমিনুলকে দেখা যেত অনায়াসে। কিন্তু লিটনকে খেলানো হলো। হেড কোচ অবশ্য ভালো জানবেন, এ জন্যই তো দলের দায়িত্বে বা বিশাল অঙ্কের টাকা দিয়ে তাকে রাখা!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতির সুযোগ!

আপডেট সময় ১২:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে শোচনীয় পরাজয় হয়েছে বাংলাদেশের। এ বছর আর কোনো টেস্ট সিরিজ নেই মুশফিকদের। তবে বছরের একেবারে শুরুতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলবে তারা। তার আগে চলতি বছরেই র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ। তবে সেটা ভিন্ন ভাবে। যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে জিম্বাবুয়ে টেস্ট সিরিজ ড্র করে তবেই র‌্যাঙ্কিংয়ে উপরে উঠতে পারবে বাংলাদেশ।

আগামীকাল শনিবার শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ জিততে না পারলেই আট থেকে নয় নম্বরে নেমে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ উঠে যাবে আটে।

৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সিরিজ শুরু করছে আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নয়ে থাকা বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭২। দশে থাকা জিম্বাবুয়ের এখন র‌্যাঙ্কিংয়ে কোনো পয়েন্ট নেই।

সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাবে মাত্র ১ পয়েন্ট। ১-০তে জিতলে পয়েন্ট থেকে যাবে ৭৫। তবে সিরিজ ড্র হলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট কমে হবে ৭২। সমান পয়েন্ট হলেও ভগ্নাংশের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে আটে উঠবে বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ে ১-০তে জিতলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট হবে ৬৯, জিম্বাবুয়ের ১৭। জিম্বাবুয়ে ২-০তে জিতে গেলে এক সিরিজ থেকেই মিলবে ২১ পয়েন্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট কমে হবে ৬৭।

এই সিরিজ দিয়েই আবার জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে ফিরছেন ব্রেন্ডন টেইলর ও কাইল জার্ভিস। সাবেক অধিনায়ক টেইলরের বিশ্বাস, সামনের সময়টুকু হতে পারে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের সেরা সময়।

দুটি টেস্টই হবে বুলাওয়েয়োতে। দ্বিতীয় টেস্ট ২৯ অক্টোবর থেকে।

এই সিরিজের মাধ্যমে ফের ক্রিকেটে ফিরছেন জিম্বাবুয়ের দুই তারকা ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর ও কাইল জার্ভিস, যারা অভিমানে জাতীয় দলের খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি ভালো ক্রিকেট উপহার দেয়া জিম্বাবুয়ের জার্সি গায়ে এই দু’জনের ফেরা দলটির আরো ভালো ক্রিকেটেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রয়োজন টিম কম্বিনেশন
টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজের উত্তেজনা হ্রাস পেয়েছে। সিরিজটা যখন প্রোটিয়ার পকেটে, তখন শেষ ম্যাচের কী আর গুরুত্ব! ওই ম্যাচ হেরে গেলেও সমস্যা নেই তাদের। তবু বাংলাদেশ দলের যে পারফরম্যান্স পরিলক্ষিত হয়েছে, সেটাকে এখন থোড়াই কেয়ার করে তারা। সেটা ভেবেই শেষ ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হাশিম আমলাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। সে স্থানে যে খেলোয়াড়কে নেয়া হয়েছে সে বাংলাদেশ দলের জন্য আরো বিপজ্জনক। মার্করাম। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অভিষেক হলেও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন।

বাংলাদেশ দল শেষ ম্যাচের গুরুত্বটা বোঝে! সিরিজে হেরেছে তো কি, একটা ম্যাচে ভালো খেলতে পারলে সেটাই পাথেয়ও হয়ে যাবে। শেষ ওয়ানডে অনেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণও বটে। পরবর্তী সিরিজে টিকে থাকতে পারফরম্যান্স করা যাদের বড্ড জরুরি, তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবেন বৈকি! সিরিজে বোলারদেরই ব্যর্থতা গেল। বিশ্বসেরা এক ক্রিকেটার তাদের কোচ।

অথচ কিছুই যেন শিখতে পারলেন না তারা। কোর্টনি ওয়ালশ কিছু জানেন না এটা তো নয়। বরং গা-ছাড়া ভাব রয়েছে বোলারদের। কোচের কথা মুখ থেকে তাদের কান পর্যন্ত যায় বটে। ব্যাস ওই পর্যন্তই। তার বাস্তবায়নে যে প্রয়োজন কঠোর অনুশীলন, সেটাতে মনোযোগ আছে বলে মনে হয় না। যদি তা-ই হতো, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে একজন না একজন পেসার ওয়ালশের কাজগুলো প্রদর্শনে সক্ষম হতেন। সবই শেখানো হয়। প্র্যাকটিসও করেন। কিন্তু মাঠে সেই পুরনো লাইন লেন্থে ফিরে যান তারা। তাহলে ভালো কিছু সম্ভবপর কিভাবে।

টেস্ট ও ওয়ানডে। দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বত্র টানা ব্যর্থতা বোলারদেরই। অথচ পেসারদের পছন্দের নাকি কন্ডিশন দক্ষিণ আফ্রিকা। তাহলে এমনটা হয় কিভাবে? ঘরের মাঠে উইকেট তৈরি হয় স্পিনারদের প্রাধান্য দিয়ে। এমন হাজারো অভিযোগ পেসারদের। তাহলে এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিল বিশাল সুযোগ। কিন্তু কী হলো। কই তাদের সে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স।

ক্রিকেট এখন আর মাঠে নেই। এখন প্রযুক্তি এসেছে। বোলারদের পারফরম্যান্স চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ব্যাটিংয়ে নামেন ব্যাটসম্যানরা। যাচ্ছেতাই বোলিং দিয়ে ব্যাটসম্যানদের পরাস্ত করা যায় না। প্রথম ওয়ানডেতে কুইন্টন ডিকক ও হাশিম আমলার ঝড়ের পর, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়। গোটা ইনিংসে অমন একজন ব্যাটিং করলেই হয়, যা করেছেন এবি। ১৭৬ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশ দলের আসলে প্রয়োজন টিম কম্বিনেশন। প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট এক সাথে ফোকাসে যাওয়া। সেটা হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা সেটা খুঁজে বের না করলে এমন ম্যাচ আসবে, আর গো-হারা হারতেই থাকবে। দুই ওয়ানডে জয়ের পরও রিল্যাক্স থাকবে প্রোটিয়া, এটা ভাবা ঠিক নয়। তাদের নজর আগামী বিশ্বকাপ। এখন থেকেই তারা সেটার প্ল্যান কষছেন। ঘরের মাটিতেও তাদের আরো সিরিজ রয়েছে। ফলে প্রতিটা ম্যাচই তাদের উঠছে হিসেবের খাতায়। বাংলাদেশ অবশ্য প্রতিপক্ষের দিকে খুব কমই তাকায়। সবসময় ফোকাস তাদের নিজেদের নিয়ে। তবে টিম সিলেকশনও একটা বড় ব্যাপার। কম্বিনেশনের জন্য পারফেক্ট একটা দলেরও প্রয়োজন। যেমনটা দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ। টপ অর্ডারে খেলেছেন লিটন দাস। লিটনকে দলে নেয়া হয়েছে উইকেটকিপার-কাম-ব্যাটসম্যান হিসেবে।

কিন্তু মুশফিক যখন স্কোয়াডে ফিরেছেন তাহলে লিটনের আর কী প্রয়োজন। মুমিনুল কি ওয়ানডে খেলা ভুলে গেছেন? তাহলে স্কোয়াডে রেখে টেনে বেড়ানোর কী প্রয়োজন। লিটন আগেও খেলেছেন। পারেননি। মুমিনুলকে দেখা যেত অনায়াসে। কিন্তু লিটনকে খেলানো হলো। হেড কোচ অবশ্য ভালো জানবেন, এ জন্যই তো দলের দায়িত্বে বা বিশাল অঙ্কের টাকা দিয়ে তাকে রাখা!