আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগে স্বামী দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ শিফা আক্তার (১৯) মারা গেছেন। রবিবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্বজনদের অভিযোগ, গত ২৪ জুন রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে স্বামী সোহেল তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এরপর আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিফার শরীরে ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলো।
শিফা কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার নওগাঁ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। তার স্বামী সোহেল একই উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে বড়বাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন শিফা।
মৃতার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, সোহেল ও শিফা দুজনেই গার্মেন্টেসে কাজ করতো। গত আট মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। সেই সময়ে সোহেলের দাবি ছিল, ছয় ভরি স্বর্ণ ও নগদ দুই লাখ টাকা দিতে হবে। সেই সময়ে শিফাকে ৫ ভরি স্বর্ণ ও কিছু টাকা দেওয়া হয়েছিল। সোহেলের দাবি করা বাকি টাকাগুলো দিতে না পারায় শিফার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















